তিন শীর্ষ মুখপাত্রকে ৬ বছরের জন্য ছেঁটে ফেলল তৃণমূল!
কলকাতা: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হতাশার পরাজয়ের পর এবার দলের অন্দরে ‘ঝাঁট দেওয়া’ শুরু করল তৃণমূল কংগ্রেস। দলবিরোধী মন্তব্যের জেরে শেষমেশ কোপ পড়ল কোহিনূর মজুমদার, ঋজু দত্ত এবং কার্তিক ঘোষের উপর। আগামী ৬ বছরের জন্য তাঁদের দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8939]নির্বাচনে ভরাডুবির পরেই দলের একাংশ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন মুখপাত্র। এই শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ডেরেক ও’ব্রায়েনের নেতৃত্বাধীন শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি কোহিনূর মজুমদার, ঋজু দত্ত, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, পাপিয়া ঘোষ এবং কার্তিক ঘোষকে শোকজ নোটিস পাঠিয়েছিল। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না মেলায় কোহিনূর, ঋজু ও কার্তিককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় কালীঘাট।[TECHTARANGA-POST:8936]ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন কোহিনূর মজুমদার ও কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীরা। তাঁদের দাবি ছিল, অভিষেকের ‘ব্যর্থতা’র কারণেই দলের এই অবস্থা। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়, এই মন্তব্যগুলি একান্তই ব্যক্তিগত এবং দল এর দায়ভার নেবে না।[TECHTARANGA-POST:8935]সম্প্রতি কালীঘাটে জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি শুধু অভিষেকের প্রশংসাই করেননি, বরং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিমের মতো বর্ষীয়ান নেতাদেরও অভিষেককে দাঁড়িয়ে সম্মান জানানোর নির্দেশ দেন। দলনেত্রীর এই কড়া বার্তার পরেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, অভিষেকবিরোধী স্বর কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।[TECHTARANGA-POST:8926]আপাতত ৬ বছরের জন্য নির্বাসিত এই তিন নেতা। দলের এই কড়া পদক্ষেপ বাকি বিক্ষুব্ধদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।