Hidden Stories (বাংলা)

৮ জুন দিল্লিতে মহা-ধামাকা? দেব-রচনা-ইউসুফদের নিয়ে ফুটছে তৃণমূল, মমতার সফরের দিনেই কি বড় ভাঙন?

নয়া দিল্লি: বাংলার রাজনীতিতে কি এবার সবচেয়ে বড় ওলটপালট হতে চলেছে? পুরসভার বোর্ড হাতছাড়া হওয়া থেকে শুরু করে বিধানসভায় ভাঙন—একে একে ধাক্কা খাওয়ার পর এবার খোদ দেশের সংসদ ভবনেও কোণঠাসা হতে চলেছে ঘাসফুল শিবির।[TECHTARANGA-POST:9783] বিধানসভায় ইতিমধ্যেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ‘নব তৃণমূল ব্লক’ গঠন করে ৫০-এর বেশি বিধায়ক দল ছেড়েছেন। আর এবার সেই একই মডেল লোকসভাতেও প্রয়োগ করার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা। আগামী ৮ জুন ইন্ডি জোটের বৈঠকে যোগ দিতে রাজধানী দিল্লিতে পা রাখছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক সেই দিনই দিল্লির বুকে তৃণমূলের অন্দরে বড়সড় ‘অপারেশন’ ঘটতে পারে বলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, যা নিয়ে এখন জাতীয় রাজনীতি তোলপাড়।[TECHTARANGA-POST:9782]দলের ভেতরে একের পর এক সাংসদের চাপা ক্ষোভ ও অসম্মানিত বোধ করার ঘটনা এখন প্রকাশ্যে চলে আসছে। বারাসতের প্রবীণ সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার তো প্রকাশ্যেই বিদ্রোহ ঘোষণা করে দিয়েছেন। অন্যদিকে জানা যাচ্ছে, রাজবংশী নেতা তথা সাংসদ জগদীশ বাসুনিয়া তৃণমূলের বৈঠকে যোগ না দেওয়ায় তাঁকে ডেরেক ও'ব্রায়েন ফোন করে কৈফিয়ত তলব করেন। জগদীশ তাঁর ছেলের অসুস্থতার কথা জানালেও, প্রমাণ হিসেবে হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা ছেলের ছবি পর্যন্ত ডেরেককে পাঠাতে হয়েছে বলে খবর। দলের এই চরম অবিশ্বাসের আচরণে জগদীশ অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। [TECHTARANGA-POST:9781]এখানেই শেষ নয়, টলিউডের সেলিব্রেটি সাংসদ দেব, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিহা কিংবা ক্রিকেটার-সাংসদ ইউসুফ পাঠানরা এখন শুটিং ও ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ততা দেখিয়ে দলের থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন। সায়নী ঘোষের অবস্থান নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। এমনকি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে অভিষেককে লোকসভার দলনেতা করায় সুদীপ পত্নী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ও ভেতরে ভেতরে ক্ষুব্ধ বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি মালদহ ও মুর্শিদাবাদের সংখ্যালঘু সাংসদেরা তৃণমূলে থাকবেন নাকি পুরনো ঘর কংগ্রেসে ফিরবেন, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে।[TECHTARANGA-POST:9778]তবে বিক্ষুব্ধ সাংসদেরা হঠকারী কোনো সিদ্ধান্ত নিতে রাজি নন। তাঁরা দলত্যাগ বিরোধী আইনের জটিলতা এড়াতে চাইছেন। আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যার সাংসদকে পাশে না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা চূড়ান্ত পদক্ষেপ করবেন না। সূত্রের খবর, বিক্ষুব্ধ শিবিরের মূল লক্ষ্য হলো লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলনেতার পদ থেকে অপসারিত করা। সোমবার মমতা ও অভিষেকের দিল্লি সফরের দিনেই বিক্ষুব্ধরা এই বড় চাল চালেন কি না, নাকি দিল্লিতে তৃণমূল সাংসদদের এই ভিড় বাড়ার পেছনে অন্য কোনো সমীকরণ রয়েছে, তার উত্তর মিলবে আগামী ৮ জুন।

৮ জুন দিল্লিতে মহা-ধামাকা? দেব-রচনা-ইউসুফদের নিয়ে ফুটছে তৃণমূল, মমতার সফরের দিনেই কি বড় ভাঙন?

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার