25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ আইপ্যাক কাণ্ডে ফের পিছল শুনানি: সুপ্রিম কোর্টে ইডির মামলার পরবর্তী দিন…
পশ্চিমবঙ্গ

আইপ্যাক কাণ্ডে ফের পিছল শুনানি: সুপ্রিম কোর্টে ইডির মামলার পরবর্তী দিন…

Share
Share

নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টে আবারও পিছিয়ে গেল আইপ্যাক (I-PAC) সংক্রান্ত মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর আবেদনের শুনানি। মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, তা স্থগিত হয়ে যায়। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেছে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর বেঞ্চ।

মঙ্গলবার আদালত কক্ষ সচল হতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কপিল সিবলের অসুস্থতার বিষয়টি সামনে আসে এবং তা আদালতকে জানানো হয়। তাঁর অনুপস্থিতিতে শুনানি স্থগিত রাখার আর্জি জানানো হলে ইডির পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় চেয়ে নেন। আদালত সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে শুনানির নতুন দিন ঘোষণা করে।

প্রসঙ্গত, ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর অফিসে তল্লাশি চালাতে গিয়ে তাদের রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনের বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল বলে অভিযোগ ইডির। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই ঘটনায় স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা যুক্ত ছিলেন। এই অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী-সহ অন্যদের বিরুদ্ধে FIR দায়ের করার অনুমতি চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় ইডি।

এই মামলায় অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন – মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের তৎকালীন ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতা পুলিশের সদ্য প্রাক্তন কমিশনার মনোজ ভার্মা এবং রাজ্য প্রশাসনের আরও বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্তা।

গত ১৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের জবাব তলব করেছিল। সেই প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার ৩৪ পাতার একটি হলফনামা জমা দেয়। হলফনামায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে: ১. মুখ্যমন্ত্রী ইডির তল্লাশিতে কোনও প্রকার বাধা দেননি। ২. কোনও নথি ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটেনি। ৩. ইডির তোলা অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন।

রাজ্যের এই হলফনামার পাল্টা জবাব দেওয়ার জন্যই ইডি সময় চেয়েছিল, যার ভিত্তিতে আজ -অর্থাৎ- মঙ্গলবার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে, আইনি জটিলতা ও আইনজীবীর অসুস্থতায় আপাতত এক সপ্তাহ পিছিয়ে গেল এই হাই-প্রোফাইল মামলার আইনি লড়াই। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি ইডি রাজ্যের হলফনামার প্রেক্ষিতে কী পালটা যুক্তি দেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক ও আইনজ্ঞ মহল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *