25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ পাহাড়েও বিদ্রোহের সুর! কার্শিয়াঙে প্রার্থী বদল না হলে গণ-ইস্তফার হুঁশিয়ারি, বিজেপির অস্বস্তি বাড়ালেন ‘বিক্ষুব্ধ’ নেতারা
পশ্চিমবঙ্গ

পাহাড়েও বিদ্রোহের সুর! কার্শিয়াঙে প্রার্থী বদল না হলে গণ-ইস্তফার হুঁশিয়ারি, বিজেপির অস্বস্তি বাড়ালেন ‘বিক্ষুব্ধ’ নেতারা

Share
পাহাড়েও বিদ্রোহের সুর! কার্শিয়াঙে প্রার্থী বদল না হলে গণ-ইস্তফার হুঁশিয়ারি, বিজেপির অস্বস্তি বাড়ালেন ‘বিক্ষুব্ধ’ নেতারা
Share

শিলিগুড়ি/কার্শিয়াং: সমতলের পর এবার পাহাড়েও প্রার্থী অসন্তোষের আগুনে পুড়ছে বিজেপি। কার্শিয়াং বিধানসভা কেন্দ্রে দলের ঘোষিত প্রার্থী সোনম লামাকে মেনে নিতে নারাজ স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশ। আগামী শনিবারের মধ্যে প্রার্থী বদল করা না হলে দল ছেড়ে নির্দল প্রার্থী দাঁড় করানোর চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে পাহাড়ের তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিজেপি। দেখা যায়, দার্জিলিংয়ের দু’বারের বিধায়ক নীরজ জিম্বাকে এবার টিকিট দেয়নি গেরুয়া শিবির। বদলে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার যুব নেতা নোমান রাইকে প্রার্থী করা হয়েছে। কালিম্পংয়ে অলিম্পিয়ান ভরত ছেত্রীকে টিকিট দিলেও, আসল বিবাদ দানা বেঁধেছে কার্শিয়াং আসন নিয়ে। এখানে বিজেপির ব্লক সভাপতি সোনম লামাকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে বিদ্রোহ।

[TECHTARANGA-POST:7461]

বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতাদের নিশানায় এখন দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা এবং পাহাড়ের বিজেপি নেতা সঞ্জীব তামাং। বিক্ষুব্ধ নেতা রাজেন মুখিয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ, “পাহাড়ে বিজেপি এখন প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। রাজু বিস্তা ও সঞ্জীব তামাং নিজেদের মর্জিমাফিক দল চালাচ্ছেন।” স্থানীয় মণ্ডল ও ব্লক স্তরের নেতৃত্বের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই ওপর তলা থেকে প্রার্থী চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁদের দাবি।

[TECHTARANGA-POST:7463]

কার্শিয়াং ব্লকের ১৫টি মণ্ডল কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকরা একযোগে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। নেতা মনোজ দেওয়ানের স্পষ্ট বার্তা, প্রার্থী নিয়ে পুনর্বিবেচনা না করা হলে কার্শিয়াংয়ের সমস্ত স্তরের বিজেপি নেতারা পদত্যাগ করবেন এবং বিজেপির বিরুদ্ধেই নির্দল প্রার্থী দাঁড় করানো হবে। শুক্রবারই শিলিগুড়ি সংলগ্ন সুকনায় এই নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসছেন বিক্ষুব্ধরা।

পাহাড়ের রাজনীতিতে জিএনএলএফ-কে সরিয়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া এবং ঘরের লোকেদের টিকিট না মেলায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা ২০২৬-এর নির্বাচনে বিজেপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *