25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ আকাশজুড়ে মেঘের গর্জন, ধেয়ে আসছে ৬০ কিমির ঝড়! দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় ভারী বৃষ্টির হাই-অ্যালার্ট
পশ্চিমবঙ্গ

আকাশজুড়ে মেঘের গর্জন, ধেয়ে আসছে ৬০ কিমির ঝড়! দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় ভারী বৃষ্টির হাই-অ্যালার্ট

Share
আকাশজুড়ে মেঘের গর্জন, ধেয়ে আসছে ৬০ কিমির ঝড়! দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় ভারী বৃষ্টির হাই-অ্যালার্ট
দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় ভারী বৃষ্টির হাই-অ্যালার্ট। ছবি-সংগৃহীত
Share

কলকাতা: জ্যৈষ্ঠের ভ্যাপসা গরমে যখন নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়, ঠিক তখনই স্বস্তির বার্তা দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শুক্রবার ভোরের তুমুল বৃষ্টিতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও বেলা বাড়তেই চড়েছিল পারদ। তবে শনিবার ফের খোলনলচে বদলে যেতে পারে মহানগরের আকাশ। আজ কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির এই দাপট এখানেই থামছে না, আগামী বৃহস্পতিবার শহরে ফের ধেয়ে আসতে পারে কালবৈশাখীর মতো ঝড়বৃষ্টি। একই রকম দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে হাওড়া এবং হুগলিতেও।

তবে কলকাতার থেকেও বেশি দুর্ভোগ অপেক্ষা করে আছে দক্ষিণবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য। আলিপুর জানাচ্ছে, আজ পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে তীব্র ঝড় আছড়ে পড়তে পারে। এর মধ্যে নদিয়া এবং পূর্ব বর্ধমানে জারি করা হয়েছে ভারী বর্ষণের সতর্কতা। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও কমবেশি বৃষ্টিপাত জারি থাকবে। তবে বৃষ্টি হলেও গরমের অস্বস্তি থেকে এখনই পুরোপুরি রেহাই মিলছে না। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী সাত দিন দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রায় খুব একটা বড় রদবদল ঘটবে না। শনিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৮ ডিগ্রি বেশি। অন্যদিকে, শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দক্ষিণের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দুই দিনাজপুর ও মালদহে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কম হলেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ের সতর্কতা জারি থাকছে। আসলে উত্তরপ্রদেশের পূর্ব দিকে এবং উত্তরবঙ্গ সংলগ্ন বিহারের ওপর দুটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। এর জেরেই বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে, যা দুই বঙ্গেই ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করেছে। দক্ষিণ ভারতে বর্ষা প্রবেশ করলেও, বাংলার বুকে পাকাপাকিভাবে বর্ষার আগমন এই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি দিয়েই শুরু হতে চলেছে।

[TECHTARANGA-POST:9769]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *