25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ ওবিসি বিল ঘিরে উত্তেজনা, বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট ঋতব্রত শিবিরের একাংশের
পশ্চিমবঙ্গ

ওবিসি বিল ঘিরে উত্তেজনা, বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট ঋতব্রত শিবিরের একাংশের

Share
ওবিসি বিল ঘিরে উত্তেজনা, বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট ঋতব্রত শিবিরের একাংশের
ছবি--প্রতীকী
Share

রাজ্য বিধানসভায় সোমবার পেশ হল ওবিসি সংক্রান্ত জোড়া সংশোধনী বিল। অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিল দুটি পেশ করেন। পেশের পর শুরু হয় আলোচনা, আর ভোটাভুটির ঠিক আগে বিধানসভায় তৈরি হয় এক নাটকীয় পরিস্থিতি।

[TECHTARANGA-POST:10389]

যে দুটি বিল পেশ করা হয়েছে, সেগুলি হল  – ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস (অদার দ্যান এসসি অ্যান্ড এসটি) (রিজার্ভেশন অফ ভ্যাকেন্সিস ইন সার্ভিসেস অ্যান্ড পোস্টস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল), ২০২৬’ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’। মূলত ২০১২ সালের তৃণমূল সরকারের আনা ওবিসি আইনে সংশোধন আনতেই এই নতুন উদ্যোগ। বিল পেশ ও আলোচনার পর, ভোটাভুটির আগে ঋতব্রত শিবিরের একাংশ বিধায়ক বিধানসভা কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন। তবে চমকপ্রদভাবে, টিম ঋতব্রতর সব সদস্য একসঙ্গে বেরিয়ে যাননি। পান্নালাল হালদার, কাজল শেখ এবং বাইরন বিশ্বাস সহ কয়েকজন বিধায়ক কক্ষেই থেকে যান। যদিও সূত্রের খবর, তাঁরা ভোটাভুটিতে অংশ নেননি।

[TECHTARANGA-POST:10380]

ফলে ভোটাভুটির ঠিক আগে শাসক শিবিরে স্পষ্ট বিভক্তির ছবি দেখা যায়। টিম ঋতব্রতর পাঁচজন বিধায়ক ভিতরে থাকলেও বাকিরা বাইরে চলে যান, যা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। অন্যদিকে, শাসক শিবিরের অন্য অংশ, অর্থাৎ কালীঘাট ঘনিষ্ঠ বিধায়করা কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়রা বিধানসভা কক্ষেই উপস্থিত ছিলেন। বিলে মূলত ১৯৯৩ সালের অনগ্রসর শ্রেণি সংক্রান্ত আইনকে আরও সুসংহত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

অন্নপূর্ণা যোজনায় বঞ্চনার অভিযোগ, ধুলিয়ান পৌরসভার সামনে মহিলাদের বিক্ষোভ

 সংশোধনী অনুযায়ী, কমিশনের সদস্য-সচিব পদে এখন থেকে জয়েন্ট সেক্রেটারি বা তার ঊর্ধ্বতন পদমর্যাদার আধিকারিক নিয়োগ করা যাবে। কমিশনের সদস্যদের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছর। পাশাপাশি, কমিশনের ক্ষমতা ও কার্যকারিতা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। অনগ্রসর শ্রেণির অন্তর্ভুক্তি সংক্রান্ত আবেদন খতিয়ে দেখা, সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠানো এবং নাগরিক অভিযোগ শোনার ক্ষমতাও কমিশনের হাতে আরও স্পষ্টভাবে তুলে দেওয়া হয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *