25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized দিল্লি সফরে আসতে পারেন মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও
Uncategorized

দিল্লি সফরে আসতে পারেন মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও

Share
Share

কলকাতা: ভারত-আমেরিকা সম্পর্কে নতুন করে গতি আসতে চলেছে। শীঘ্রই ভারত সফরে আসতে পারেন মার্কিন বিদেশসচিব Marco Rubio। সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত Sergio Gor। তাঁর কথায়, এই সফরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের প্রভাব মোকাবিলায় গঠিত চতুর্দেশীয় জোট Quad নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে।

[TECHTARANGA-POST:6649]

গোর আরও জানিয়েছেন, শুধু বিদেশসচিবই নন—মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর ভারত সফর নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। তাঁর কথায়, “প্রেসিডেন্টও শীঘ্রই ভারত সফরে আসতে আগ্রহী।” কূটনৈতিক মহলের মতে, এই সফর বাস্তবায়িত হলে তা শুধু প্রতীকী নয়, ভূ-কৌশলগত দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে কার্যত তলানিতে ঠেকেছিল ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক। ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কযুদ্ধ এবং দু’দেশের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যচুক্তি না-হওয়াই ছিল মূল কারণ। তবে চলতি বছরে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। ভারতীয় পণ্যে আমেরিকার শুল্কছাড় এবং দু’দেশের অন্তর্বর্তী বাণিজ্য সমঝোতার ফলে সম্পর্ক ফের খানিকটা মসৃণ হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সম্ভাব্য ভারত সফর বেজিং এবং তাদের মিত্রদের কাছে কড়া রাজনৈতিক বার্তা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

[TECHTARANGA-POST:6646]

ভারত-মার্কিন সম্পর্কে এই টানাপড়েনের প্রভাব পড়েছিল কোয়াডের কার্যকলাপেও। এক সময় কার্যত স্তিমিত হয়ে যায় জোটের দৃশ্যমান তৎপরতা। সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন ভারতের বিদেশমন্ত্রী S. Jaishankar। তিনি অবশ্য স্পষ্ট করেন, কোয়াডের সমন্বয় এবং কাজকর্ম অব্যাহত রয়েছে।

তবে বাস্তবতা হল, ভারতকে বাদ দিয়ে অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ফিলিপিন্সকে নিয়ে আমেরিকার ‘স্কোয়াড’ গঠনের সিদ্ধান্ত কোয়াডের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। সেই কৌশল যে কার্যকর হয়নি, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে রুবিওর সম্ভাব্য সফরে কোয়াড নিয়ে নতুন করে আলোচনার খবরে।

[TECHTARANGA-POST:6645]

কূটনৈতিক মহলের মতে, দিল্লিতে রুবিওর পা পড়লে শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়—ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শক্তির সমীকরণেও নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে। চিনের বাড়তে থাকা প্রভাবের মুখে কোয়াডকে ফের সক্রিয় করাই হতে পারে এই সফরের মূল রাজনৈতিক বার্তা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *