25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home কলকাতা শহরের সমস্ত অবৈধ কারখানার বিদ্যুৎ-জলের লাইন কাটার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর!
কলকাতা

শহরের সমস্ত অবৈধ কারখানার বিদ্যুৎ-জলের লাইন কাটার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর!

Share
শহরের সমস্ত অবৈধ কারখানার বিদ্যুৎ-জলের লাইন কাটার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর!
ছবি: সংগৃহীত
Share

কলকাতা: তপসিয়ার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজ্যের সমস্ত বেআইনি কারখানার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নবান্ন থেকে কড়া ভাষায় তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, শহরের যেখানে যত অবৈধ কারখানা রয়েছে, দ্রুত সেগুলির বিদ্যুৎ ও জলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। একইসঙ্গে, তপসিয়ার সংশ্লিষ্ট বহুতলটি (যেখানে আগুন লাগে) ভেঙে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

[TECHTARANGA-POST:9071]

মঙ্গলবার তিলজলা থানা এলাকার তপসিয়ায় ওই চামড়া কারখানায় আগুনে পুড়ে দু’জনের মৃত্যু হয়। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে মুখ্যমন্ত্রী চারটি দফতরের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছিলেন। বুধবার সেই রিপোর্ট হাতে পেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “রিপোর্টে যা তথ্য উঠে এসেছে, তা কলকাতা তথা রাজ্যের জন্য বড় অশনিসঙ্কেত! তিলজলার ওই কারখানার কোনও বিল্ডিং প্ল্যান ছিল না। অগ্নিসুরক্ষার নূন্যতম ব্যবস্থাও ছিল না। সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে চলছিল কারবার।”

[TECHTARANGA-POST:9030]

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, কসবা, তিলজলা, মোমিনপুর এবং ইকবালপুরের মতো এলাকায় ছড়িয়ে থাকা বেআইনি কারখানাগুলি চিহ্নিত করতে সিইএসসি-কে অবিলম্বে অভ্যন্তরীণ অডিট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ সচিবের মাধ্যমে নির্দেশ গিয়েছে, এই ধরনের কারখানা পাওয়া গেলেই স্থায়ীভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিতে হবে। পাশাপাশি, পুরনিগমকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই বিপজ্জনক কারখানাগুলির জলের লাইন বিচ্ছিন্ন করতে।

[TECHTARANGA-POST:9047]

তপসিয়ার যে বহুতলে আগুন লেগেছিল, সেটির কোনও বৈধ অস্তিত্ব নেই বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই পুর ও নগরোন্নয়ন সচিবকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশি সহায়তায় ওই অবৈধ পরিকাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।

[TECHTARANGA-POST:8973]

বেআইনি নির্মাণ ও কারখানার মালিকদের সতর্ক করে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমাদের নীতি ‘জিরো টলারেন্স’। যাঁরা সতর্ক হতে চান, এখনই হয়ে যান। বেআইনি কাজ যাঁরা করছেন, তাঁরা শুধরে যান।” ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কারখানার মালিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রাজ্য সরকারের এই কঠোর অবস্থানে অবৈধ কারখানা মালিকদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *