25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home বিশ্ব South Korea fine Google: অ্যাপ বাজারে ক্ষমতার অপব্যবহার, গুগল ও অ্যাপলকে ৪.৫ কোটি ডলার জরিমানা দক্ষিণ কোরিয়ার
বিশ্ব

South Korea fine Google: অ্যাপ বাজারে ক্ষমতার অপব্যবহার, গুগল ও অ্যাপলকে ৪.৫ কোটি ডলার জরিমানা দক্ষিণ কোরিয়ার

Share
দক্ষিণ কোরিয়ায় জরিমানা গুগলকে।
Share

সিওল: বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল বাজার দখলের লড়াইয়ে আবারও বড় ধাক্কা খেল দুই মার্কিন প্রযুক্তি দানব ‘গুগল’ ও ‘অ্যাপল’। নিজেদের ইন-অ্যাপ পেমেন্ট নীতির মাধ্যমে অ্যাপ প্রস্তুতকারকদের ওপর অন্যায্য শর্ত চাপানো এবং একচ্ছত্র আধিপত্যের অপব্যবহারের দায়ে বুধবার সংস্থা দুটিকে সম্মিলিতভাবে ৬,৩৭০ কোটি ওন (প্রায় ৪ কোটি ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার) জরিমানা করল দক্ষিণ কোরিয়ার সম্প্রচার ও টেলিযোগাযোগ নিয়ামক সংস্থা। দীর্ঘ তিন বছরের তদন্ত ও আইনি পর্যালোচনার পর এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে সিওল।

দক্ষিণ কোরিয়া মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশনস কমিশন (কেএমসিসি) জানিয়েছে, দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবসা আইন লঙ্ঘনের জন্য গুগলকে ৪,২৯০ কোটি ওন এবং অ্যাপলকে ২,০৮১ কোটি ওন জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুটি সংস্থাকেই নিজেদের অ্যাপ স্টোর সংক্রান্ত নীতিমালায় দ্রুত সংশোধন আনার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। তবে জরিপ ও সংশোধনীয় নির্দেশ দিলেও মার্কিন এই দুই টেক জায়ান্টের বিরুদ্ধে আপাতত কোনো ফৌজদারি মামলা দায়ের করছে না নিয়ামক সংস্থাটি।

কেএমসিসি-র তদন্তে স্পষ্ট উঠে এসেছে যে, অ্যাপল এবং গুগল নিজেদের প্রভাবশালী অবস্থানের ফায়দা তুলে অ্যাপ ডেভেলপারদের একটি নির্দিষ্ট পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করতে বাধ্য করছিল। তৃতীয় পক্ষের (থার্ড পার্টি) পেমেন্ট অপশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে তৈরি করা হচ্ছিল নানা অস্বচ্ছ ও প্রতিকূল শর্ত। ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রথম এই আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি সংস্থা দুটির নজরে এনেছিল নিয়ামক সংস্থাটি।

এরই মধ্যে অন্য একটি চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যানে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রায় ৪৪৯টি রাজনৈতিক মতামতধর্মী ইউটিউব চ্যানেল বন্ধ করে দিয়েছে গুগল। ‘গুগল থ্রেট অ্যানালিসিস গ্রুপ’-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, মে মাসের স্থানীয় নির্বাচনের ঠিক আগেই মে মাসে সর্বোচ্চ ৩৬৭টি চ্যানেল বন্ধ করা হয়। 

এ ছাড়া এপ্রিলে ২২টি এবং জুনে ৬০টি চ্যানেল বাতিলের খাতায় ফেলে তারা। দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সমালোচনা কিংবা বিশেষ রাজনৈতিক দলের পক্ষে কথা বলার কারণেই এই চ্যানেলগুলির ওপর কোপ পড়ে বলে খবর। সব মিলিয়ে প্রযুক্তিগত নজরদারি ও একচেটিয়া ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সিওলের এই কড়া অবস্থান বিশ্বজুড়ে জোর চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *