•
Home Top-News দীপাবলিতে এবারও সীমান্তে প্রধানমন্ত্রী! দেশবাসীকে বার্তা মোদীর
Top-Newsদেশ

দীপাবলিতে এবারও সীমান্তে প্রধানমন্ত্রী! দেশবাসীকে বার্তা মোদীর

Share
উপরাষ্ট্রপতির বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী। ছবি: ফেসবুক
Share

নয়াদিল্লি: গোটা দেশ যখন আলোর সাজে সেজে উঠেছে, ঠিক তখনই দেশবাসীকে আন্তর্জাতিক স্তরে একতা ও সুখ-শান্তির বার্তা দিয়ে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার দেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবনে অপার সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করে এক বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

সেই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বিগত বছরগুলির সুদীর্ঘ পথচলা ও সুপরিচিত ঐতিহ্য বজায় রেখে এ বছরও দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী বীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়েই উদযাপিত হবে তাঁর দীপাবলি। জওয়ানদের আত্মত্যাগ ও বীরত্বকে সম্মান জানাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।

সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘সকলকে দীপাবলির প্রীতি ও শুভকামনা!’’ এর পর একটি ভিডিও বার্তায় দেশের কোটি কোটি মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘নমস্কার! আলোর পবিত্র উৎসব দীপাবলিতে আজ সমগ্র ভারত দীপাবলিতে আলোকিত। এই আলোর উৎসব আসলে অন্ধকারের বিরুদ্ধে আমাদের অটুট ও কঠোর সংকল্পেরই এক বলিষ্ঠ পরিচয়। আপনাদের সকলকে দীপাবলির আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আপনাদের এই উৎসব এবং আগামী দিনগুলি অপার সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক এটাই আমার একান্ত প্রার্থনা।’’

দেশের সুরক্ষায় দিনরাত এক করে কাজ করা সশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব ভাগ করে নেওয়ার যে বিশেষ প্রথা তিনি বছরের পর বছর ধরে লালন করছেন, সে বিষয়েও আলোকপাত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানান, দেশের আমজনতা যেমন পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন, তেমনই তাঁর কাছে দেশের সেনাবহিনীই তাঁর পরিবার। 

মোদী বলেন, ‘‘আপনাদেরই মতো আমিও অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করি। আপনারা সকলেই জানেন, প্রতি বছর এই বিশেষ দিনে আমাদের দেশের বীর জওয়ানদের মাঝে উপস্থিত থাকাটা আমার একটা অখণ্ড ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। এ বছরও তার কোনও ব্যতিক্রম ঘটবে না। জওয়ানদের সঙ্গেই কাটাব উৎসবের মুহূর্তগুলি। আরও একবার আপনাদের সকলকে জানাই দীপাবলির শুভেচ্ছা!’’

অন্য দিকে, দীপাবলি উপলক্ষ্যে শনিবার দিল্লির প্রশাসনিক বৃত্তেও ছিল উৎসবের আমেজ। এদিন উপরাষ্ট্রপতি থিরু সি পি রাধাকৃষ্ণনের বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুই সাংবিধানিক প্রধানের মধ্যে আন্তরিক শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। সেই সাক্ষাতের একাধিক ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘উপরাষ্ট্রপতি থিরু সি পি রাধাকৃষ্ণন জীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম এবং দীপাবলির আন্তরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করলাম। দেশবাসীর জন্য শুভকামনা রইল।’’

এর আগে ধনতেরাস ও ধনবন্তরী জয়ন্তী উপলক্ষ্যেও দেশবাসীকে বিশেষ বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অখণ্ড স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ুর প্রার্থনা করে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘ধনতেরাসের পবিত্র মুহূর্তে আমার সকল সহনাগরিককে অসীম সুখ ও সমৃদ্ধির শুভেচ্ছা জানাই। পরমেশ্বর ভগবান ধনবন্তরী যেন সকলের জীবনকে পরম শান্তি, আনন্দ এবং সুস্বাস্থ্যে পূর্ণ করে তোলেন। প্রতিটি ঘরে ঘরে যেন সুখের আলো চিরকাল প্রজ্বলিত থাকে এটাই আমার হৃদয়ের গভীরতম প্রার্থনা।’’ 

একই সঙ্গে আয়ুর্বেদের আদি দেবতা ভগবান ধনবন্তরীকে প্রণাম জানিয়ে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, দেব ও দানব উভয়ের কাছেই পূজিত তিনি, যিনি মর্ত্যের রোগ, ভয় ও অকালমৃত্যুর হাত থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করেন।

উল্লেখ্য, প্রতি বছরের মতো এবারও ধনতেরাস উদযাপনের মাধ্যমে গত ৬ নভেম্বর থেকে দেশে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী দীপাবলি উৎসবের মরশুম। পঞ্জিকা অনুযায়ী, ৭ নভেম্বর পালিত হচ্ছে রূপ চতুর্দশী বা ছোট দীপাবলি। এর পরদিন, অর্থাৎ ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মূল দীপাবলির উৎসব এবং দেবী লক্ষ্মীর মহাসন্ধ্যা পুজো। 

পরবর্তীতে ৯ নভেম্বর গোবর্ধন পুজো এবং ১০ নভেম্বর ভাইফোঁটা বা ভাতৃদ্বিতীয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে এই বিশাল উৎসবের পার্বন। আলোর উৎসবে মোদীর এই জাতীয় বার্তা এবং জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব উদযাপনের সিদ্ধান্ত দেশের আইনশৃঙ্খলা ও সেনা জোয়ানদের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে তুলল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।নয়াদিল্লি: গোটা দেশ যখন আলোর সাজে সেজে উঠেছে, ঠিক তখনই দেশবাসীকে আন্তর্জাতিক স্তরে একতা ও সুখ-শান্তির বার্তা দিয়ে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার দেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবনে অপার সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করে এক বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

সেই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বিগত বছরগুলির সুদীর্ঘ পথচলা ও সুপরিচিত ঐতিহ্য বজায় রেখে এ বছরও দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী বীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়েই উদযাপিত হবে তাঁর দীপাবলি। জওয়ানদের আত্মত্যাগ ও বীরত্বকে সম্মান জানাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।

সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘সকলকে দীপাবলির প্রীতি ও শুভকামনা!’’ এর পর একটি ভিডিও বার্তায় দেশের কোটি কোটি মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘নমস্কার! আলোর পবিত্র উৎসব দীপাবলিতে আজ সমগ্র ভারত দীপাবলিতে আলোকিত। এই আলোর উৎসব আসলে অন্ধকারের বিরুদ্ধে আমাদের অটুট ও কঠোর সংকল্পেরই এক বলিষ্ঠ পরিচয়। আপনাদের সকলকে দীপাবলির আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আপনাদের এই উৎসব এবং আগামী দিনগুলি অপার সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক এটাই আমার একান্ত প্রার্থনা।’’

দেশের সুরক্ষায় দিনরাত এক করে কাজ করা সশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব ভাগ করে নেওয়ার যে বিশেষ প্রথা তিনি বছরের পর বছর ধরে লালন করছেন, সে বিষয়েও আলোকপাত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানান, দেশের আমজনতা যেমন পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন, তেমনই তাঁর কাছে দেশের সেনাবহিনীই তাঁর পরিবার। 

মোদী বলেন, ‘‘আপনাদেরই মতো আমিও অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করি। আপনারা সকলেই জানেন, প্রতি বছর এই বিশেষ দিনে আমাদের দেশের বীর জওয়ানদের মাঝে উপস্থিত থাকাটা আমার একটা অখণ্ড ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। এ বছরও তার কোনও ব্যতিক্রম ঘটবে না। জওয়ানদের সঙ্গেই কাটাব উৎসবের মুহূর্তগুলি। আরও একবার আপনাদের সকলকে জানাই দীপাবলির শুভেচ্ছা!’’

অন্য দিকে, দীপাবলি উপলক্ষ্যে শনিবার দিল্লির প্রশাসনিক বৃত্তেও ছিল উৎসবের আমেজ। এদিন উপরাষ্ট্রপতি থিরু সি পি রাধাকৃষ্ণনের বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুই সাংবিধানিক প্রধানের মধ্যে আন্তরিক শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। সেই সাক্ষাতের একাধিক ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘উপরাষ্ট্রপতি থিরু সি পি রাধাকৃষ্ণন জীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম এবং দীপাবলির আন্তরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করলাম। দেশবাসীর জন্য শুভকামনা রইল।’’

এর আগে ধনতেরাস ও ধনবন্তরী জয়ন্তী উপলক্ষ্যেও দেশবাসীকে বিশেষ বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অখণ্ড স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ুর প্রার্থনা করে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘ধনতেরাসের পবিত্র মুহূর্তে আমার সকল সহনাগরিককে অসীম সুখ ও সমৃদ্ধির শুভেচ্ছা জানাই। পরমেশ্বর ভগবান ধনবন্তরী যেন সকলের জীবনকে পরম শান্তি, আনন্দ এবং সুস্বাস্থ্যে পূর্ণ করে তোলেন। প্রতিটি ঘরে ঘরে যেন সুখের আলো চিরকাল প্রজ্বলিত থাকে এটাই আমার হৃদয়ের গভীরতম প্রার্থনা।’’ 

একই সঙ্গে আয়ুর্বেদের আদি দেবতা ভগবান ধনবন্তরীকে প্রণাম জানিয়ে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, দেব ও দানব উভয়ের কাছেই পূজিত তিনি, যিনি মর্ত্যের রোগ, ভয় ও অকালমৃত্যুর হাত থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করেন।

উল্লেখ্য, প্রতি বছরের মতো এবারও ধনতেরাস উদযাপনের মাধ্যমে গত ৬ নভেম্বর থেকে দেশে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী দীপাবলি উৎসবের মরশুম। পঞ্জিকা অনুযায়ী, ৭ নভেম্বর পালিত হচ্ছে রূপ চতুর্দশী বা ছোট দীপাবলি। এর পরদিন, অর্থাৎ ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মূল দীপাবলির উৎসব এবং দেবী লক্ষ্মীর মহাসন্ধ্যা পুজো। 

পরবর্তীতে ৯ নভেম্বর গোবর্ধন পুজো এবং ১০ নভেম্বর ভাইফোঁটা বা ভাতৃদ্বিতীয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে এই বিশাল উৎসবের পার্বন। আলোর উৎসবে মোদীর এই জাতীয় বার্তা এবং জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব উদযাপনের সিদ্ধান্ত দেশের আইনশৃঙ্খলা ও সেনা জোয়ানদের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে তুলল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *