Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ঋতব্রতই থাকবেন, নাকি কুর্সি যাবে শোভনদেবের হাতে? আজই বড় রায় হাই কোর্টে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
ঋতব্রতই থাকবেন, নাকি কুর্সি যাবে শোভনদেবের হাতে? আজই বড় রায় হাই কোর্টে
ছবি সংগৃহীত

কলকাতাঃ রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কুর্সি শেষ পর্যন্ত কার দখলে থাকবে? ‘আসল’ তৃণমূলের দাবি মান্যতা পাবে, নাকি সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থনে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বহাল থাকবেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়? এই নজিরবিহীন রাজনৈতিক বিতর্কের রায় মঙ্গলবার ঘোষণা করতে চলেছে কলকাতা হাই কোর্ট।


বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চে এদিন মামলার রায় ঘোষণার কথা। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ইতিমধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থনের ভিত্তিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দিয়েছেন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর ৮০টি আসন পেয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে আসে তৃণমূল কংগ্রেস। পরিষদীয় দলের নেতা এবং বিরোধী দলনেতা হিসেবে দলের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন একাংশ বিধায়ক। অভিযোগ, ৬৫ জন বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে বিরোধী দলনেতা করার দাবি জানান। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সেই দাবিই মান্যতা দেন স্পিকার।


এরপর ঋতব্রত শিবিরের বিধায়কদের সাসপেন্ড করে কালীঘাট নেতৃত্ব। স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হাই কোর্টে মামলা হয়। শুনানিতে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় ঋতব্রত শিবির এবং স্পিকারকে। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষ হওয়ার পর প্রায় এক মাস রায়দান স্থগিত ছিল। অবশেষে মঙ্গলবারই স্পষ্ট হবে, বিরোধী দলনেতার কুর্সিতে শেষ হাসি হাসবেন কে।

বিষয় : Ritabrata Banerjee Calcutta HC Sovandeb Chattopadhyay WB Assembly

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


ঋতব্রতই থাকবেন, নাকি কুর্সি যাবে শোভনদেবের হাতে? আজই বড় রায় হাই কোর্টে

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতাঃ রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কুর্সি শেষ পর্যন্ত কার দখলে থাকবে? ‘আসল’ তৃণমূলের দাবি মান্যতা পাবে, নাকি সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থনে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বহাল থাকবেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়? এই নজিরবিহীন রাজনৈতিক বিতর্কের রায় মঙ্গলবার ঘোষণা করতে চলেছে কলকাতা হাই কোর্ট।বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চে এদিন মামলার রায় ঘোষণার কথা। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ইতিমধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থনের ভিত্তিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দিয়েছেন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর ৮০টি আসন পেয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে আসে তৃণমূল কংগ্রেস। পরিষদীয় দলের নেতা এবং বিরোধী দলনেতা হিসেবে দলের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন একাংশ বিধায়ক। অভিযোগ, ৬৫ জন বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে বিরোধী দলনেতা করার দাবি জানান। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সেই দাবিই মান্যতা দেন স্পিকার।এরপর ঋতব্রত শিবিরের বিধায়কদের সাসপেন্ড করে কালীঘাট নেতৃত্ব। স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হাই কোর্টে মামলা হয়। শুনানিতে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় ঋতব্রত শিবির এবং স্পিকারকে। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষ হওয়ার পর প্রায় এক মাস রায়দান স্থগিত ছিল। অবশেষে মঙ্গলবারই স্পষ্ট হবে, বিরোধী দলনেতার কুর্সিতে শেষ হাসি হাসবেন কে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত