Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে পথ দেখান তাঁরা! পুরুলিয়ার রাস্তায় ট্রাফিক নয়, মানবিকতারও মুখ দুই পুলিশকর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৬
রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে পথ দেখান তাঁরা! পুরুলিয়ার রাস্তায় ট্রাফিক নয়, মানবিকতারও মুখ দুই পুলিশকর্মী
ছবি--প্রতীকী

ট্রাফিক পুলিশের কাজ মানেই ব্যস্ত রাস্তার মোড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা। তীব্র গরম, ঝড়-বৃষ্টি কিংবা ক্লান্তিকর ডিউটি সবই তাঁদের নিত্যসঙ্গী। কিন্তু দায়িত্বের গণ্ডি ছাড়িয়ে যখন মানবিকতা ফুটে ওঠে, তখনই সাধারণ মানুষের কাছে তাঁরা হয়ে ওঠেন আলাদা। পুরুলিয়া শহরে ঠিক এমনই দুই নাম এখন সকলের মুখে মুখে, এনভিএফ কর্মী দীনবন্ধু মাঝি এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর বিজয়লক্ষ্মী রাও।

এগরায় ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার, পুলিশি অভিযানে আটক ২


সম্প্রতি পুরুলিয়া জেলা পুলিশের তরফে ‘বেস্ট ট্রাফিক পার্সোনাল’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন দীনবন্ধু মাঝি। তবে পুরস্কারের বাইরেও তাঁর পরিচয়, ব্যস্ততম মোড়ে অসাধারণ দক্ষতায় যানজট সামলানোর জন্য। মানভূম ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউশন ট্রাফিক পোস্টে প্রতিদিন সকাল থেকেই হাজারো যানবাহনের চাপ সামলে তিনি এখন কার্যত এলাকার পরিচিত মুখ। অন্যদিকে, পুরুলিয়া শহরের মানুষের কাছে বিজয়লক্ষ্মী রাও শুধু একজন ট্রাফিক অফিসার নন, তিনি ভরসার আরেক নাম। ব্যস্ত রাস্তা পার হতে না পারা বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, স্কুলপড়ুয়া কিংবা অসহায় পথচারীদের সাহায্যে তাঁকে প্রায় প্রতিদিনই এগিয়ে যেতে দেখা যায়। হাসপাতাল মোড়, কোর্ট মোড় কিংবা ইউনিয়ন ক্লাব যেখানেই দায়িত্বে থাকুন না কেন, তাঁর উপস্থিতি পথচলতি মানুষের মধ্যে আলাদা স্বস্তি এনে দেয়।


বিজয়লক্ষ্মী রাও প্রায় পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। সাধারণ কনস্টেবল থেকে ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টরের পদে। নিজের কাজ নিয়ে প্রচারবিমুখ হলেও তাঁর মানবিক আচরণই তাঁকে শহরের মানুষের কাছে বিশেষ করে তুলেছে। দীনবন্ধু মাঝির বাড়ি বলরামপুরের গেড়ুয়ায়। সদর থানা, পুলিশ লাইন এবং এসপি অফিসে কাজ করার পর ট্রাফিক বিভাগে যোগ দেন তিনি। তাঁর নিখুঁত সিগন্যালিং, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং দায়িত্ববোধের জন্য সহকর্মীদের কাছেও তিনি প্রশংসিত।


শুধু এই দু'জনই নন, দীর্ঘদিন ধরে পুরুলিয়ার ট্রাফিক ব্যবস্থায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর তপনকুমার পাণ্ডেও। দায়িত্বশীলতা আর মানবিক আচরণের মেলবন্ধনেই পুরুলিয়া ট্রাফিক পুলিশের এই সদস্যরা আজ শহরের গর্ব হয়ে উঠেছেন।

বিষয় : WestBengalPolitics PURULIA KOLKATTATRAFFICPOLICE inspiringstory

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে পথ দেখান তাঁরা! পুরুলিয়ার রাস্তায় ট্রাফিক নয়, মানবিকতারও মুখ দুই পুলিশকর্মী

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image
ট্রাফিক পুলিশের কাজ মানেই ব্যস্ত রাস্তার মোড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা। তীব্র গরম, ঝড়-বৃষ্টি কিংবা ক্লান্তিকর ডিউটি সবই তাঁদের নিত্যসঙ্গী। কিন্তু দায়িত্বের গণ্ডি ছাড়িয়ে যখন মানবিকতা ফুটে ওঠে, তখনই সাধারণ মানুষের কাছে তাঁরা হয়ে ওঠেন আলাদা। পুরুলিয়া শহরে ঠিক এমনই দুই নাম এখন সকলের মুখে মুখে, এনভিএফ কর্মী দীনবন্ধু মাঝি এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর বিজয়লক্ষ্মী রাও।এগরায় ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার, পুলিশি অভিযানে আটক ২সম্প্রতি পুরুলিয়া জেলা পুলিশের তরফে ‘বেস্ট ট্রাফিক পার্সোনাল’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন দীনবন্ধু মাঝি। তবে পুরস্কারের বাইরেও তাঁর পরিচয়, ব্যস্ততম মোড়ে অসাধারণ দক্ষতায় যানজট সামলানোর জন্য। মানভূম ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউশন ট্রাফিক পোস্টে প্রতিদিন সকাল থেকেই হাজারো যানবাহনের চাপ সামলে তিনি এখন কার্যত এলাকার পরিচিত মুখ। অন্যদিকে, পুরুলিয়া শহরের মানুষের কাছে বিজয়লক্ষ্মী রাও শুধু একজন ট্রাফিক অফিসার নন, তিনি ভরসার আরেক নাম। ব্যস্ত রাস্তা পার হতে না পারা বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, স্কুলপড়ুয়া কিংবা অসহায় পথচারীদের সাহায্যে তাঁকে প্রায় প্রতিদিনই এগিয়ে যেতে দেখা যায়। হাসপাতাল মোড়, কোর্ট মোড় কিংবা ইউনিয়ন ক্লাব যেখানেই দায়িত্বে থাকুন না কেন, তাঁর উপস্থিতি পথচলতি মানুষের মধ্যে আলাদা স্বস্তি এনে দেয়।বিজয়লক্ষ্মী রাও প্রায় পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। সাধারণ কনস্টেবল থেকে ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টরের পদে। নিজের কাজ নিয়ে প্রচারবিমুখ হলেও তাঁর মানবিক আচরণই তাঁকে শহরের মানুষের কাছে বিশেষ করে তুলেছে। দীনবন্ধু মাঝির বাড়ি বলরামপুরের গেড়ুয়ায়। সদর থানা, পুলিশ লাইন এবং এসপি অফিসে কাজ করার পর ট্রাফিক বিভাগে যোগ দেন তিনি। তাঁর নিখুঁত সিগন্যালিং, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং দায়িত্ববোধের জন্য সহকর্মীদের কাছেও তিনি প্রশংসিত।শুধু এই দু'জনই নন, দীর্ঘদিন ধরে পুরুলিয়ার ট্রাফিক ব্যবস্থায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর তপনকুমার পাণ্ডেও। দায়িত্বশীলতা আর মানবিক আচরণের মেলবন্ধনেই পুরুলিয়া ট্রাফিক পুলিশের এই সদস্যরা আজ শহরের গর্ব হয়ে উঠেছেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত