Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভোটের বাংলাদেশে জারি ‘কারফিউ’ সম নিরাপত্তা! বন্ধ অন-অ্যারাইভাল ভিসা, মোতায়েন হচ্ছে ১ লক্ষ সেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
ভোটের বাংলাদেশে জারি ‘কারফিউ’ সম নিরাপত্তা! বন্ধ অন-অ্যারাইভাল ভিসা, মোতায়েন হচ্ছে ১ লক্ষ সেনা

ঢাকা: ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণী দিন। ওই দিন একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের নির্বাচন এবং ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই জোড়া ভোটকে কেন্দ্র করে কোনো রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। অশান্তি রুখতে এবং অবাধ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে এবার ‘অন-অ্যারাইভাল ভিসা’ বন্ধের পাশাপাশি দেশজুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার রাজধানী ঢাকায় বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন স্পষ্ট জানান, নির্বাচনের আগে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং বহিরাগত হস্তক্ষেপ রুখতেই সাময়িকভাবে অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “হুট করে যেন কেউ দেশে হাজির হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্যই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।” এছাড়া পোস্টাল ব্যালটে কারচুপি রুখতেও বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।

ভোটের নিরাপত্তায় এবার মোতায়েন করা হচ্ছে বিশাল বাহিনী। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত বৈঠকে স্থির হয়েছে:

১ লক্ষ সেনা সদস্য: নির্বাচনের মূল নিরাপত্তায় থাকবে এক লক্ষ সেনা।

মোট বাহিনী: সেনা, আধাসেনা, পুলিশ ও আনসার মিলিয়ে মোট ৯ লক্ষ সদস্য মোতায়েন করা হবে।

যৌথ টহল: নির্বাচনের ৪ দিন আগে থেকে ২ দিন পর পর্যন্ত দেশজুড়ে ‘নিবিড় টহল’ চালাবে যৌথবাহিনী।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ৪২,৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে অর্ধেকের বেশি কেন্দ্রই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’।

অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: ৮,৭৮০টি কেন্দ্র।

ঝুঁকিপূর্ণ: ১৬,৫৪৮টি কেন্দ্র।

সাধারণ: ১৭,৪৩৩টি কেন্দ্র।

বাংলাদেশের এই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে:

১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত: বাতিল হওয়া মনোনয়নের আপিল যাচাই।

২১ জানুয়ারি: চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ।

২২ জানুয়ারি: আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু।

১০ ফেব্রুয়ারি (সকাল ৭:৩০): প্রচারের শেষ সময়।

১২ ফেব্রুয়ারি: ভোটগ্রহণ ও গণভোট।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই আন্দোলনের পর এই প্রথম বড় কোনো পরীক্ষায় নামছে অন্তর্বর্তী সরকার। তাই স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করাই এখন ইউনূস সরকারের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করে আন্তর্জাতিক মহলে নিরাপত্তা নিয়ে কড়া বার্তা দিতে চাইল ঢা

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ভোটের বাংলাদেশে জারি ‘কারফিউ’ সম নিরাপত্তা! বন্ধ অন-অ্যারাইভাল ভিসা, মোতায়েন হচ্ছে ১ লক্ষ সেনা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
ঢাকা: ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণী দিন। ওই দিন একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের নির্বাচন এবং ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই জোড়া ভোটকে কেন্দ্র করে কোনো রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। অশান্তি রুখতে এবং অবাধ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে এবার ‘অন-অ্যারাইভাল ভিসা’ বন্ধের পাশাপাশি দেশজুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বুধবার রাজধানী ঢাকায় বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন স্পষ্ট জানান, নির্বাচনের আগে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং বহিরাগত হস্তক্ষেপ রুখতেই সাময়িকভাবে অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “হুট করে যেন কেউ দেশে হাজির হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্যই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।” এছাড়া পোস্টাল ব্যালটে কারচুপি রুখতেও বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।ভোটের নিরাপত্তায় এবার মোতায়েন করা হচ্ছে বিশাল বাহিনী। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত বৈঠকে স্থির হয়েছে:১ লক্ষ সেনা সদস্য: নির্বাচনের মূল নিরাপত্তায় থাকবে এক লক্ষ সেনা।মোট বাহিনী: সেনা, আধাসেনা, পুলিশ ও আনসার মিলিয়ে মোট ৯ লক্ষ সদস্য মোতায়েন করা হবে।যৌথ টহল: নির্বাচনের ৪ দিন আগে থেকে ২ দিন পর পর্যন্ত দেশজুড়ে ‘নিবিড় টহল’ চালাবে যৌথবাহিনী।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ৪২,৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে অর্ধেকের বেশি কেন্দ্রই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’।অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: ৮,৭৮০টি কেন্দ্র।ঝুঁকিপূর্ণ: ১৬,৫৪৮টি কেন্দ্র।সাধারণ: ১৭,৪৩৩টি কেন্দ্র।বাংলাদেশের এই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে:১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত: বাতিল হওয়া মনোনয়নের আপিল যাচাই।২১ জানুয়ারি: চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ।২২ জানুয়ারি: আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু।১০ ফেব্রুয়ারি (সকাল ৭:৩০): প্রচারের শেষ সময়।১২ ফেব্রুয়ারি: ভোটগ্রহণ ও গণভোট।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই আন্দোলনের পর এই প্রথম বড় কোনো পরীক্ষায় নামছে অন্তর্বর্তী সরকার। তাই স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করাই এখন ইউনূস সরকারের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করে আন্তর্জাতিক মহলে নিরাপত্তা নিয়ে কড়া বার্তা দিতে চাইল ঢা

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার