Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বাংলাদেশে জামায়াত ক্ষমতায় আসার শংকা ভারতীয় সাংসদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশে জামায়াত ক্ষমতায় আসার শংকা ভারতীয় সাংসদের

কলকাতা: বাংলাদেশের বর্তমান ডামাডোল এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে এবার মুখ খুললেন অভিজ্ঞ ভারতীয় কূটনীতিক হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। শুক্রবার দার্জিলিংয়ের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে যদি একটি পক্ষপাতদুষ্ট এবং হিংসাত্মক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, একমাত্র তবেই জামায়াতে ইসলামীর মতো শক্তি ক্ষমতার অলিন্দে পৌঁছাতে পারে।


ভারতের এই প্রাক্তন বিদেশ সচিবের মতে, গণতান্ত্রিক ইতিহাসে জামায়াতে ইসলামী কোনোদিনই একক শক্তিতে বড় কোনো সাফল্য পায়নি। শ্রিংলা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জামায়াত সাধারণত ৫ থেকে ৭ শতাংশের বেশি ভোট পায় না। তারা সবসময়ই বড় কোনো রাজনৈতিক দলের ওপর ভর করে ক্ষমতায় আসার বা রাজনীতিতে টিকে থাকার চেষ্টা করেছে। কোনো বিশেষ শক্তির মদত বা নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি ছাড়া জামায়াতের পক্ষে বাংলাদেশের মসনদে বসা কার্যত অসম্ভব।


বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন শ্রিংলা। তিনি একে একটি ‘হঠকারী সিদ্ধান্ত’ হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, এর ফলে বাংলাদেশের ক্রীড়াজগৎ দীর্ঘমেয়াদী সংকটের মুখে পড়বে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, ক্রিকেট বাংলাদেশের মানুষের আবেগের জায়গা, এবং রাজনৈতিক কারণে এমন সিদ্ধান্ত দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতির জন্য অশনি সংকেত।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে একহাত নিয়ে শ্রিংলা বলেন, এই সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আসেনি, বরং তারা ‘ক্ষমতা দখল’ করেছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, "বর্তমান সরকার নির্বাচিত নয়। ফলে তাদের নেওয়া বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো দেশের ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না।"


উল্লেখ্য, হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই সুবাদে ওপার বাংলায় তাঁর অসংখ্য বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করলেও, বর্তমান শাসনব্যবস্থার নীতিগুলো যে দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, সেই আশঙ্কাই বারবার ফুটে উঠেছে তাঁর বক্তব্যে।

হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় রাজনীতি এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর গভীর জ্ঞান অনস্বীকার্য। মোদী সরকারের অত্যন্ত বিশ্বস্ত এই আধিকারিক জি-২০ (G20) সামিটের সময়ও ভারতের মুখ্য সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


বাংলাদেশে জামায়াত ক্ষমতায় আসার শংকা ভারতীয় সাংসদের

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বাংলাদেশের বর্তমান ডামাডোল এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে এবার মুখ খুললেন অভিজ্ঞ ভারতীয় কূটনীতিক হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। শুক্রবার দার্জিলিংয়ের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে যদি একটি পক্ষপাতদুষ্ট এবং হিংসাত্মক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, একমাত্র তবেই জামায়াতে ইসলামীর মতো শক্তি ক্ষমতার অলিন্দে পৌঁছাতে পারে।ভারতের এই প্রাক্তন বিদেশ সচিবের মতে, গণতান্ত্রিক ইতিহাসে জামায়াতে ইসলামী কোনোদিনই একক শক্তিতে বড় কোনো সাফল্য পায়নি। শ্রিংলা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জামায়াত সাধারণত ৫ থেকে ৭ শতাংশের বেশি ভোট পায় না। তারা সবসময়ই বড় কোনো রাজনৈতিক দলের ওপর ভর করে ক্ষমতায় আসার বা রাজনীতিতে টিকে থাকার চেষ্টা করেছে। কোনো বিশেষ শক্তির মদত বা নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি ছাড়া জামায়াতের পক্ষে বাংলাদেশের মসনদে বসা কার্যত অসম্ভব।বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন শ্রিংলা। তিনি একে একটি ‘হঠকারী সিদ্ধান্ত’ হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, এর ফলে বাংলাদেশের ক্রীড়াজগৎ দীর্ঘমেয়াদী সংকটের মুখে পড়বে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, ক্রিকেট বাংলাদেশের মানুষের আবেগের জায়গা, এবং রাজনৈতিক কারণে এমন সিদ্ধান্ত দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতির জন্য অশনি সংকেত।বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে একহাত নিয়ে শ্রিংলা বলেন, এই সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আসেনি, বরং তারা ‘ক্ষমতা দখল’ করেছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, "বর্তমান সরকার নির্বাচিত নয়। ফলে তাদের নেওয়া বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো দেশের ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না।"উল্লেখ্য, হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই সুবাদে ওপার বাংলায় তাঁর অসংখ্য বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করলেও, বর্তমান শাসনব্যবস্থার নীতিগুলো যে দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, সেই আশঙ্কাই বারবার ফুটে উঠেছে তাঁর বক্তব্যে।হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় রাজনীতি এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর গভীর জ্ঞান অনস্বীকার্য। মোদী সরকারের অত্যন্ত বিশ্বস্ত এই আধিকারিক জি-২০ (G20) সামিটের সময়ও ভারতের মুখ্য সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করেছিলেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার