বাংলাদেশের সামরিক প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ রদবদল নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন নাটকীয়তা। পরবর্তী চিফ অফ জেনারেল স্টাফ (CGS) হিসেবে কে দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্যের খবর পাওয়া যাচ্ছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ পদের নিয়োগ ঘিরে এই 'টানাপোড়েন' এখন টক অফ দ্য টাউন।
বিরোধের মূল কারণ হলো পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করা। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস চাইছেন মেজর জেনারেল চৌধুরী মোহাম্মদ আজিজুল হক হাজারী-কে পরবর্তী সিজিএস (CGS) হিসেবে নিয়োগ দিতে। অন্যদিকে, বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ড. ইউনূসের এই পছন্দের সঙ্গে একমত নন। তারা এই নিয়োগের বিষয়ে ভিন্ন মত পোষণ করছেন।
সেনাবাহিনীর শীর্ষ মহলে সিজিএস পদের জন্য আরও কয়েকজন দক্ষ কর্মকর্তার নাম গুরুত্বের সাথে আলোচিত হচ্ছে। তারা হলেন: মেজর জেনারেল মো. মঈন খান: তিনি বর্তমানে সাভারে নবম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (GOC) হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।
মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব: তিনি বর্তমানে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (DGFI)-এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সিজিএস (CGS) পদটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও স্পর্শকাতর। এই পদের অধিকারী কর্মকর্তা সরাসরি সেনাপ্রধানের অধীনে কাজ করেন এবং সেনাবাহিনীর অপারেশনাল ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের তদারকি করেন। বর্তমান রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই পদে কাকে বসানো হবে, তার ওপর সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ শৃঙ্খলা ও গতিপ্রকৃতি অনেকটা নির্ভর করছে।
ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত পছন্দ এবং সেনাবাহিনীর পেশাদারী চেইন অব কমান্ডের পছন্দের মধ্যে এই অমিল প্রশাসনের ভেতরে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করেছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হলে বা একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ, কলকাতা
বিষয় : বাংলাদেশ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন