ঢাকাঃ নির্বাচনের ফল গোনাও ঠিকমতো শেষ হয়নি, সরকার গঠনের প্রস্তুতি মাত্র শুরু—আর তার মধ্যেই প্রকাশ্যে BNP vs BNP। প্রশ্ন উঠছে, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যদি এই অবস্থা হয়, ক্ষমতায় বসার পর পরিস্থিতি দাঁড়াবে কোথায়?
ময়মনসিংহ–২ আসনে নির্বাচনে পরাজয়ের পর মোতাহার হোসেন তালুকদার শিবিরের লোকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, ফুলপুরে দলেরই নেতা আবুল বাশার আকন্দ-এর গাড়িবহরে হামলা চালানোর।
ঘটনাটি ঘটে ফুলপুরের বালিয়া মোড় সংলগ্ন দিউ এলাকায়। স্থানীয় একটি তুলোর কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন আবুল বাশার আকন্দ। সেই সময়ই তাঁর গাড়িবহর লক্ষ্য করে হামলা হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
ময়মনসিংহ–২ আসনকে কেন্দ্র করে যা ঘটছে, তা কেবল স্থানীয় কোন্দল নয়—এটা ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থারই অশনি সংকেত। একদিকে সরকার গঠনের তোড়জোড়, অন্যদিকে একই দলের নেতা বনাম নেতার সংঘর্ষ, গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, পুলিশের হস্তক্ষেপ—সব মিলিয়ে অস্বস্তিতে সাধারণ মানুষ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ভেতরের নেতৃত্ব সংকটের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। বিরোধী রাজনীতিতে থাকতে থাকতে যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, ব্যক্তিকেন্দ্রিক ক্ষমতার লড়াই জমে উঠেছে—তা ক্ষমতার দোরগোড়ায় এসেই বিস্ফোরিত হচ্ছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—
যে দল এখনো সরকার চালানোর দায়িত্ব নেয়নি, তারা যদি নিজেদের মধ্যেই শৃঙ্খলা রাখতে না পারে, তাহলে রাষ্ট্র চালানোর বার্তা দেশবাসী কীভাবে নেবে?
সরকার গঠনের আগেই যদি ‘আত্মঘাতী’ কোন্দল শুরু হয়, তবে এই যাত্রা কি আদৌ মসৃণ হবে?
বিষয় : BNP Mymensingh

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন