দীর্ঘ দুই দশক পর বাংলাদেশের শাসনভার গ্রহণ করতে চলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বা মঙ্গলবারই নয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন তারেক রহমান। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন ‘প্যালেস পলিটিক্স’ নয়, বরং কারা থাকছেন আগামীর এই ‘স্মার্ট’ মন্ত্রিসভায়!
এবারের মন্ত্রিসভায় ১০ থেকে ১৫ জন তরুণ মুখ দেখা যেতে পারে। পঞ্চগড়, সিলেট, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের নবীন ও মেধাবী সংসদ সদস্যদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় তারেক রহমান প্রথম থেকেই অনড়। তাই মন্ত্রিসভায় এবার বড় দায়িত্বে দেখা যেতে পারে একাধিক হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতাদের। বিশেষ করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মতো জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সংখ্যালঘু প্রতিনিধিদের ওপর ভরসা করতে পারে বিএনপি।
দলের স্থায়ী কমিটির অভিজ্ঞ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ এবং আব্দুল মঈন খানদের মতো জ্যেষ্ঠ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সামলাতে দেখা যেতে পারে। নজরুল ইসলাম খানকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা করার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
নতুন মন্ত্রিসভায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। মানিকগঞ্জ, সিলেট ও ফরিদপুর অঞ্চলের নারী সংসদ সদস্যদের মধ্যে কয়েকজনকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে।
বিএনপি-র মিত্র দলগুলো থেকেও জোনায়েদ সাকি, আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং শাহাদাত হোসেন সেলিমের মতো নেতাদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
তারেক রহমান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বিশৃঙ্খলা বা ধর্মের নামে কোনো উন্মাদনা বরদাস্ত করা হবে না। এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করতেই একটি সুশৃঙ্খল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মন্ত্রিসভা গঠন করাই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তবে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে? উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন