Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভিনরাজ্যে কলকাতা পুলিশের বড় সাফল্য, ভাগলপুরের অভিযানে বেআইনি অস্ত্র কারখানার হদিস, ধৃত ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভিনরাজ্যে কলকাতা পুলিশের বড় সাফল্য, ভাগলপুরের অভিযানে বেআইনি অস্ত্র কারখানার হদিস, ধৃত ৫

কলকাতা: ভিনরাজ্যে বড়সড় অভিযান চালিয়ে বেআইনি অস্ত্র কারখানার হদিস পেল কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (STF)। বিহার পুলিশের এসটিএফ-কে সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভাগলপুরে একটি যৌথ অভিযান চালায় তারা। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। এই ঘটনায় এক মহিলা-সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


পুলিশ সূত্রে খবর, বিহারের ভাগলপুর জেলার মধুসূদনপুর থানা এলাকার একটি বাড়িতে বেআইনি অস্ত্র তৈরি হচ্ছে বলে গোপন সূত্রে খবর পায় কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। নাসির আনসারি নামে এক ব্যক্তির ওই বাড়ির একতলাতেই চলত অস্ত্র তৈরির কারবার। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিহার পুলিশের এসটিএফ-কে সঙ্গে নিয়ে অতর্কিতে সেই বাড়িতে অভিযান চালান বাংলার গোয়েন্দারা। তল্লাশি অভিযানে ওই কারখানা থেকে উদ্ধার হয়েছে মারাত্মক সব আগ্নেয়াস্ত্র ও যন্ত্রাংশ। যার মধ্যে রয়েছে - ২০টি দেশি ৭.৫ এমএম পিস্তল, ৮টি পিস্তল ব্যারল, ২টি মাইলিং মেশিন, ১টি ড্রিল মেশিন ও ১টি হ্যান্ড গ্রাইন্ডার। এ ছাড়াও অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় আরও বেশ কিছু সরঞ্জাম ও কাঁচামাল পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।



এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ পাঁচজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে। ধৃতরা হলেন - মোনাজির (ভাগলপুরের বাসিন্দা), শাদাব আলি ওরফে সাদ্দাম (মুঙ্গেরের বাসিন্দা), মহম্মদ আসলাম ওরফে টিঙ্কু (মুঙ্গেরের বাসিন্দা), শমসের আলম ওরফে ছোটু (মুঙ্গেরের বাসিন্দা) এবং শাহানাজ (মুঙ্গেরের বাসিন্দা)।


পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে মোনাজির স্থানীয় বাসিন্দা হলেও বাকি চারজনই বিহারের মুঙ্গের জেলার বাসিন্দা। মুঙ্গের এমনিতেই বেআইনি অস্ত্র তৈরির জন্য কুখ্যাত। সেখান থেকে কারিগর এনে এই নতুন কারখানায় কাজ চালানো হচ্ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। উদ্ধার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র কোথায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল এবং এর সঙ্গে এ রাজ্যের কোনও যোগসূত্র আছে কিনা, তা জানতে ধৃতদের জেরা করা হচ্ছে।

বিষয় : STF KOLKATAPOLICE NASIRANSARI MADHUSUDANPUR BIHAR WEAPONERESCUE

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ভিনরাজ্যে কলকাতা পুলিশের বড় সাফল্য, ভাগলপুরের অভিযানে বেআইনি অস্ত্র কারখানার হদিস, ধৃত ৫

প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ভিনরাজ্যে বড়সড় অভিযান চালিয়ে বেআইনি অস্ত্র কারখানার হদিস পেল কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (STF)। বিহার পুলিশের এসটিএফ-কে সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভাগলপুরে একটি যৌথ অভিযান চালায় তারা। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। এই ঘটনায় এক মহিলা-সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বিহারের ভাগলপুর জেলার মধুসূদনপুর থানা এলাকার একটি বাড়িতে বেআইনি অস্ত্র তৈরি হচ্ছে বলে গোপন সূত্রে খবর পায় কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। নাসির আনসারি নামে এক ব্যক্তির ওই বাড়ির একতলাতেই চলত অস্ত্র তৈরির কারবার। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিহার পুলিশের এসটিএফ-কে সঙ্গে নিয়ে অতর্কিতে সেই বাড়িতে অভিযান চালান বাংলার গোয়েন্দারা। তল্লাশি অভিযানে ওই কারখানা থেকে উদ্ধার হয়েছে মারাত্মক সব আগ্নেয়াস্ত্র ও যন্ত্রাংশ। যার মধ্যে রয়েছে - ২০টি দেশি ৭.৫ এমএম পিস্তল, ৮টি পিস্তল ব্যারল, ২টি মাইলিং মেশিন, ১টি ড্রিল মেশিন ও ১টি হ্যান্ড গ্রাইন্ডার। এ ছাড়াও অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় আরও বেশ কিছু সরঞ্জাম ও কাঁচামাল পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ পাঁচজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে। ধৃতরা হলেন - মোনাজির (ভাগলপুরের বাসিন্দা), শাদাব আলি ওরফে সাদ্দাম (মুঙ্গেরের বাসিন্দা), মহম্মদ আসলাম ওরফে টিঙ্কু (মুঙ্গেরের বাসিন্দা), শমসের আলম ওরফে ছোটু (মুঙ্গেরের বাসিন্দা) এবং শাহানাজ (মুঙ্গেরের বাসিন্দা)।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে মোনাজির স্থানীয় বাসিন্দা হলেও বাকি চারজনই বিহারের মুঙ্গের জেলার বাসিন্দা। মুঙ্গের এমনিতেই বেআইনি অস্ত্র তৈরির জন্য কুখ্যাত। সেখান থেকে কারিগর এনে এই নতুন কারখানায় কাজ চালানো হচ্ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। উদ্ধার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র কোথায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল এবং এর সঙ্গে এ রাজ্যের কোনও যোগসূত্র আছে কিনা, তা জানতে ধৃতদের জেরা করা হচ্ছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার