হিঙ্গলগঞ্জ: বাবা-মা গান শুনতে গিয়েছিলেন পাশের গ্রামে, সেই সুযোগে ফাঁকা বাড়িতে ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ থানার আমবেড়িয়া এলাকায় উদ্ধার হলো ক্লাস ইলেভেনের ছাত্রী সীমা মণ্ডলের নিথর দেহ। এই ঘটনায় নিছক আত্মহত্যা নাকি প্ররোচনা, তা নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য।
মৃত সীমা মণ্ডল দুলদুলি মটবাড়ি ডিএন স্কুলের ছাত্রী ছিল। পরিবার সূত্রে খবর, বুধবার রাতে সীমার বাবা প্রশান্ত মণ্ডল ও তাঁর স্ত্রী গান শুনতে গিয়েছিলেন। সেই সময় বাড়িতে একাই ছিল সীমা। অভিযোগ, গভীর রাতে সীমা নিজের ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে তাকে স্যান্ডেল বিল গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
সীমার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী গ্রাম স্যান্ডেল বিলের বাসিন্দা রাকেশ মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। তাঁদের দাবি, রাকেশের সঙ্গে সীমার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। রাকেশ একাধিকবার তাঁদের বাড়িতেও এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার রাতে ফোনে রাকেশের সঙ্গে সীমার প্রচণ্ড ঝগড়া হয়। এমনকি, পরিবারের প্রশ্ন— সীমার আত্মহত্যার খবর পেয়ে রাকেশই কেন প্রথম তাঁদের বাড়িতে এল এবং ঘরের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল?
এটি নিছকই আত্মহত্যা, নাকি ওই যুবক সীমাকে আত্মঘাতী হতে বাধ্য করেছে, তা খতিয়ে দেখছেন হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশ আধিকারিকরা। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত প্রেমিক রাকেশ মণ্ডল পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মেধাবী ছাত্রীর এই আকস্মিক মৃত্যুতে গোটা আমবেড়িয়া এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিষয় : Murder Hingalganj Student

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন