Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

গণভবন নয়, বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঠিকানা ‘যমুনা’! মন্ত্রীদের জন্যও বরাদ্দ বাংলো

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গণভবন নয়, বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঠিকানা ‘যমুনা’! মন্ত্রীদের জন্যও বরাদ্দ বাংলো

ঢাকা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের ঠিকানা হতে চলেছে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’। বৃহস্পতিবার সরকারি সূত্রের তরফে জানানো হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস যমুনা ছেড়ে দেওয়ার পরই সেখানে গিয়ে উঠবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্যও রাজধানীর ‘মন্ত্রিপাড়া’ হিসাবে পরিচিত এলাকায় বাসভবন বরাদ্দ করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।


প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকতেন গণভবনে। তবে ৫ অগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গণভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। বর্তমানে সেটিকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার কাজ চলায় সেখানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। এই প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা এবং সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকে তারেক রহমানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।


পূর্ত অধিদফতরের প্রধান মহম্মদ খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মহম্মদ ইউনূস যমুনা ছেড়ে চলে যেতে পারেন। ইউনূস চলে যাওয়ার পর ভবনের কিছু সংস্কার কাজ করা হবে। এরপরই গুলশানের নিজ বাড়ি ছেড়ে সপরিবার যমুনায় উঠবেন তারেক রহমান। ঘনিষ্ঠ মহলে নতুন প্রধানমন্ত্রী নাকি জানিয়েছেন, তিনি যমুনাতেই আসন্ন ই-উল-ফিতর উদযাপন করতে চান।

ঢাকার হেয়ার রোড, মিন্টো রোড এবং বেইলি রোড — যা ‘মন্ত্রিপাড়া’ নামেই পরিচিত, সেখানেই নতুন মন্ত্রীদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা একে একে সরকারি বাংলো ছাড়তে শুরু করেছেন। বুধবারই নতুন মন্ত্রীদের বাসভবন বরাদ্দের প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে আবাসন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। 


উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, প্রাক্তন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তথা বর্তমান বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান মিন্টো রোডের ৩৩ নম্বর বাংলোতেই থেকে যাচ্ছেন। এছাড়া, যমুনার পাশেই ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলো দুটি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাবাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ইতিপূর্বে এই ভবন দুটি প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের অধীনে ছিল। প্রধানমন্ত্রীর দফতর এবং পূর্ত মন্ত্রক যৌথভাবে গোটা এলাকার নিরাপত্তাব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করছে।



বিষয় : prime minister Bangladesh Election tariquerahmanbnp yamuna

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


গণভবন নয়, বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঠিকানা ‘যমুনা’! মন্ত্রীদের জন্যও বরাদ্দ বাংলো

প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
ঢাকা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের ঠিকানা হতে চলেছে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’। বৃহস্পতিবার সরকারি সূত্রের তরফে জানানো হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস যমুনা ছেড়ে দেওয়ার পরই সেখানে গিয়ে উঠবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্যও রাজধানীর ‘মন্ত্রিপাড়া’ হিসাবে পরিচিত এলাকায় বাসভবন বরাদ্দ করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকতেন গণভবনে। তবে ৫ অগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গণভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। বর্তমানে সেটিকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার কাজ চলায় সেখানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। এই প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা এবং সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকে তারেক রহমানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।পূর্ত অধিদফতরের প্রধান মহম্মদ খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মহম্মদ ইউনূস যমুনা ছেড়ে চলে যেতে পারেন। ইউনূস চলে যাওয়ার পর ভবনের কিছু সংস্কার কাজ করা হবে। এরপরই গুলশানের নিজ বাড়ি ছেড়ে সপরিবার যমুনায় উঠবেন তারেক রহমান। ঘনিষ্ঠ মহলে নতুন প্রধানমন্ত্রী নাকি জানিয়েছেন, তিনি যমুনাতেই আসন্ন ই-উল-ফিতর উদযাপন করতে চান।ঢাকার হেয়ার রোড, মিন্টো রোড এবং বেইলি রোড — যা ‘মন্ত্রিপাড়া’ নামেই পরিচিত, সেখানেই নতুন মন্ত্রীদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা একে একে সরকারি বাংলো ছাড়তে শুরু করেছেন। বুধবারই নতুন মন্ত্রীদের বাসভবন বরাদ্দের প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে আবাসন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, প্রাক্তন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তথা বর্তমান বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান মিন্টো রোডের ৩৩ নম্বর বাংলোতেই থেকে যাচ্ছেন। এছাড়া, যমুনার পাশেই ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলো দুটি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাবাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ইতিপূর্বে এই ভবন দুটি প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের অধীনে ছিল। প্রধানমন্ত্রীর দফতর এবং পূর্ত মন্ত্রক যৌথভাবে গোটা এলাকার নিরাপত্তাব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার