Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে, স্ত্রীকে আটকে রাখার অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে বাংলাদেশি যুবক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে, স্ত্রীকে আটকে রাখার অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে বাংলাদেশি যুবক

কলকাতা: প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেয়নি মেয়ের পরিবার। তাই পরিবারের অমতেই বিয়ে করেছিলেন দু’জনে। কিন্তু বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেন বাংলাদেশের যুবক অরিজিৎ সরকার। অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী মমি সাহাকে জোর করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে নিয়ে এসে আত্মীয়দের বাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে। স্ত্রীকে ফিরে পেতে শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই বাংলাদেশি যুবক।


বাংলাদেশের ঢাকার নরসিংহ সদর এলাকার বাসিন্দা অরিজিৎ সরকার পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁর বাড়ির পাশেই থাকতেন মমি সাহা। প্রায় দুই বছর ধরে তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মেয়ের পরিবার শুরু থেকেই এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। এরপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পরিবারের অমতেই বিয়ে করেন অরিজিৎ ও মমি।

অরিজিতের অভিযোগ, বিয়ের কিছুদিন পরই গত অক্টোবর মাসে মেয়ের পরিবারের লোকজন মমিকে জোর করে বাংলাদেশ থেকে আগরতলা সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে নিয়ে আসে। এরপর উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটিতে পলি সাহা ও উত্তম সাহার বাড়িতে তাঁকে আটকে রাখা হয় বলে দাবি করেছেন অরিজিৎ।

যুবকের দাবি, পলি ও উত্তম সাহা মমির আত্মীয়। তাঁরা মূলত বাংলাদেশের নাগরিক হলেও বর্তমানে ভারতের নাগরিকত্ব নিয়ে এখানে বসবাস করছেন।


মমি ভারতে আসার প্রায় ১৫ দিন পর হোয়াটসঅ্যাপে অরিজিতের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন তিনি জানান, তাঁকে পরিবারের সদস্যরা আটকে রেখেছে। এরপর আবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে ২৭ ডিসেম্বর আবার যোগাযোগ হলে মমি তাঁকে উদ্ধার করার জন্য অনুরোধ করেন।

এরপর অরিজিৎ দ্রুত ভিসা জোগাড় করে ৩ জানুয়ারি ভারতে আসেন এবং ৪ জানুয়ারি বিরাটিতে গিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু অভিযোগ, সেখানে মমির পরিবারের সদস্যরা তাঁকে মারধর করেন। কোনওরকমে প্রাণে বাঁচতে সেখান থেকে পালিয়ে আসেন ওই যুবক।

অরিজিৎ জানান, এরপর তিনি একাধিকবার নিমতা থানায় অভিযোগ জানানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু পুলিশ অভিযোগ নিতে রাজি হয়নি বলে তাঁর দাবি।

পরে আইনজীবী মুকুল বিশ্বাসের সহায়তায় নিমতা থানার আইসির সঙ্গেও যোগাযোগ করেন তিনি এবং গোটা ঘটনাটি জানান। তবুও এখনও পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। এমনকি এফআইআরও দায়ের করা হয়নি।


প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েও সুরাহা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত স্ত্রীকে ফিরে পেতে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন অরিজিৎ সরকার।

বিষয় : বাংলাদেশ Kolkata

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে, স্ত্রীকে আটকে রাখার অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে বাংলাদেশি যুবক

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেয়নি মেয়ের পরিবার। তাই পরিবারের অমতেই বিয়ে করেছিলেন দু’জনে। কিন্তু বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেন বাংলাদেশের যুবক অরিজিৎ সরকার। অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী মমি সাহাকে জোর করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে নিয়ে এসে আত্মীয়দের বাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে। স্ত্রীকে ফিরে পেতে শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই বাংলাদেশি যুবক।বাংলাদেশের ঢাকার নরসিংহ সদর এলাকার বাসিন্দা অরিজিৎ সরকার পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁর বাড়ির পাশেই থাকতেন মমি সাহা। প্রায় দুই বছর ধরে তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মেয়ের পরিবার শুরু থেকেই এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। এরপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পরিবারের অমতেই বিয়ে করেন অরিজিৎ ও মমি।অরিজিতের অভিযোগ, বিয়ের কিছুদিন পরই গত অক্টোবর মাসে মেয়ের পরিবারের লোকজন মমিকে জোর করে বাংলাদেশ থেকে আগরতলা সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে নিয়ে আসে। এরপর উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটিতে পলি সাহা ও উত্তম সাহার বাড়িতে তাঁকে আটকে রাখা হয় বলে দাবি করেছেন অরিজিৎ।যুবকের দাবি, পলি ও উত্তম সাহা মমির আত্মীয়। তাঁরা মূলত বাংলাদেশের নাগরিক হলেও বর্তমানে ভারতের নাগরিকত্ব নিয়ে এখানে বসবাস করছেন।মমি ভারতে আসার প্রায় ১৫ দিন পর হোয়াটসঅ্যাপে অরিজিতের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন তিনি জানান, তাঁকে পরিবারের সদস্যরা আটকে রেখেছে। এরপর আবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে ২৭ ডিসেম্বর আবার যোগাযোগ হলে মমি তাঁকে উদ্ধার করার জন্য অনুরোধ করেন।এরপর অরিজিৎ দ্রুত ভিসা জোগাড় করে ৩ জানুয়ারি ভারতে আসেন এবং ৪ জানুয়ারি বিরাটিতে গিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু অভিযোগ, সেখানে মমির পরিবারের সদস্যরা তাঁকে মারধর করেন। কোনওরকমে প্রাণে বাঁচতে সেখান থেকে পালিয়ে আসেন ওই যুবক।অরিজিৎ জানান, এরপর তিনি একাধিকবার নিমতা থানায় অভিযোগ জানানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু পুলিশ অভিযোগ নিতে রাজি হয়নি বলে তাঁর দাবি।পরে আইনজীবী মুকুল বিশ্বাসের সহায়তায় নিমতা থানার আইসির সঙ্গেও যোগাযোগ করেন তিনি এবং গোটা ঘটনাটি জানান। তবুও এখনও পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। এমনকি এফআইআরও দায়ের করা হয়নি।প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েও সুরাহা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত স্ত্রীকে ফিরে পেতে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন অরিজিৎ সরকার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার