Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

জ্বালানি সংকটে কলকাতায় অটোর গ্যাসের দামবৃদ্ধি, একধাক্কায় বাড়ল ভাড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬
জ্বালানি সংকটে কলকাতায় অটোর গ্যাসের দামবৃদ্ধি, একধাক্কায় বাড়ল ভাড়া
ছবি সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে এবার সরাসরি টান পড়ল কলকাতার মধ্যবিত্তের পকেটে। জ্বালানি সংকটের জেরে তিলোত্তমায় রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি একধাক্কায় অনেকটা বাড়ল অটোর গ্যাসের দাম। বুধবার ভোররাত থেকেই শহরের বিভিন্ন পাম্পে অটোচালকদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ে। চালকদের অভিযোগ, কোনো আগাম বার্তা ছাড়াই রাতারাতি লিটার প্রতি ৫ টাকা দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে যে গ্যাসের দাম ছিল ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা, বুধবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সায়। শুধু দাম বৃদ্ধিই নয়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন চালকরা। পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, ওপরতলার নির্দেশিকায় এই দাম বাড়ানো হয়েছে, যা কার্যত তাঁদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।


গ্যাসের এই বর্ধিত দামের সরাসরি প্রভাব পড়েছে আমজনতার যাতায়াতের ওপর। খরচ সামাল দিতে শহরের একাধিক রুটে ইতিমধ্যেই অটোভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন চালকরা। যেমন, চিংড়িহাটা থেকে এসডিএফ যাওয়ার অটো ভাড়া ১৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৮ টাকা। একই ছবি দেখা গেছে গড়িয়া-বারুইপুর বা সোনারপুর-গড়িয়া রুটেও। অটোচালক সংগঠনগুলোর দাবি, চড়া দামে গ্যাস কিনে পুরনো ভাড়ায় পরিষেবা দেওয়া অসম্ভব, তাই প্রতিটি রুটে ভাড়া ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। আচমকা এই ভাড়া বৃদ্ধিতে নিত্যযাত্রীদের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়।


জ্বালানি সংকটের এই কালো মেঘ শুধু রাস্তায় নয়, ঢুকে পড়েছে শহরের হোটেল-রেস্তরাঁ থেকে শুরু করে সাধারণ গৃহস্থের হেঁশেলেও। ডেকার্স লেন থেকে পার্ক স্ট্রিট, শিয়ালদহ থেকে যাদবপুর— সর্বত্রই গ্যাসের আকাল। বহু নামী রেস্তরাঁ গ্যাসের অভাবে ঝাঁপ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের অন্দরমহলেও দুশ্চিন্তা বাড়ছে। বুকিং করার পরেও সময়মতো রান্নার গ্যাস না পৌঁছনোয় বিপাকে পড়েছেন গৃহিণীরা। সব মিলিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে তৈরি হওয়া এই জ্বালানি সংকট কলকাতার জনজীবনকে কার্যত বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

বিষয় : KolkataNews FuelCrisis AutoFareHike CNGPriceRise LPGShortage WestBengalEconomy MiddleClassStruggle BreakingNewsKolkata

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


জ্বালানি সংকটে কলকাতায় অটোর গ্যাসের দামবৃদ্ধি, একধাক্কায় বাড়ল ভাড়া

প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬

featured Image
বিশ্বজুড়ে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে এবার সরাসরি টান পড়ল কলকাতার মধ্যবিত্তের পকেটে। জ্বালানি সংকটের জেরে তিলোত্তমায় রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি একধাক্কায় অনেকটা বাড়ল অটোর গ্যাসের দাম। বুধবার ভোররাত থেকেই শহরের বিভিন্ন পাম্পে অটোচালকদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ে। চালকদের অভিযোগ, কোনো আগাম বার্তা ছাড়াই রাতারাতি লিটার প্রতি ৫ টাকা দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে যে গ্যাসের দাম ছিল ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা, বুধবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সায়। শুধু দাম বৃদ্ধিই নয়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন চালকরা। পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, ওপরতলার নির্দেশিকায় এই দাম বাড়ানো হয়েছে, যা কার্যত তাঁদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।গ্যাসের এই বর্ধিত দামের সরাসরি প্রভাব পড়েছে আমজনতার যাতায়াতের ওপর। খরচ সামাল দিতে শহরের একাধিক রুটে ইতিমধ্যেই অটোভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন চালকরা। যেমন, চিংড়িহাটা থেকে এসডিএফ যাওয়ার অটো ভাড়া ১৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৮ টাকা। একই ছবি দেখা গেছে গড়িয়া-বারুইপুর বা সোনারপুর-গড়িয়া রুটেও। অটোচালক সংগঠনগুলোর দাবি, চড়া দামে গ্যাস কিনে পুরনো ভাড়ায় পরিষেবা দেওয়া অসম্ভব, তাই প্রতিটি রুটে ভাড়া ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। আচমকা এই ভাড়া বৃদ্ধিতে নিত্যযাত্রীদের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়।জ্বালানি সংকটের এই কালো মেঘ শুধু রাস্তায় নয়, ঢুকে পড়েছে শহরের হোটেল-রেস্তরাঁ থেকে শুরু করে সাধারণ গৃহস্থের হেঁশেলেও। ডেকার্স লেন থেকে পার্ক স্ট্রিট, শিয়ালদহ থেকে যাদবপুর— সর্বত্রই গ্যাসের আকাল। বহু নামী রেস্তরাঁ গ্যাসের অভাবে ঝাঁপ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের অন্দরমহলেও দুশ্চিন্তা বাড়ছে। বুকিং করার পরেও সময়মতো রান্নার গ্যাস না পৌঁছনোয় বিপাকে পড়েছেন গৃহিণীরা। সব মিলিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে তৈরি হওয়া এই জ্বালানি সংকট কলকাতার জনজীবনকে কার্যত বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার