২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের মুখে একগুচ্ছ নজিরবিহীন ও কড়া সিদ্ধান্ত নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এবার ভোটের ডিউটি পালন করতে দেখা যাবে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদেরও। অন্যদিকে, নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ানো বা চাকরি খুইয়েছেন এমন শিক্ষকদের কোনোভাবেই নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের নামে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের চিঠি পাঠানো শুরু হয়েছে। সোমবার আরামবাগের প্রফুল্ল চন্দ্র সেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ৪৯ জন চিকিৎসককে ভোটের কাজে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের চিকিৎসকরাও। তবে হাসপাতালের ব্যস্ত পরিষেবা বজায় রেখে চিকিৎসকদের এই নিয়োগ রোগী পরিষেবায় কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে।
কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, দুর্নীতির দায়ে যাঁদের চাকরি গিয়েছে বা যাঁরা 'দাগি' বলে প্রমাণিত, তাঁদের কোনোভাবেই ভোটের কোনো দায়িত্বে রাখা যাবে না। কিছু ক্ষেত্রে পুরনো ডেটাবেসের কারণে এমন শিক্ষকদের নাম তালিকায় চলে এলেও, দ্রুত তা বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট করেছে যে, স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কর্মীদের দিয়েই ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভোটের কাজে ব্যবহার না করার বিষয়েও কড়া অবস্থান নিয়েছে কমিশন। এই নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে ইতিমধ্যেই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে বদলি করে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রশাসনিক স্তরে এই রদবদল বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, নির্বাচনী বিধি পালনে কোনো রকম আপস করতে নারাজ কমিশন।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন