Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

হিংসা রুখতেই কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের, OC-দের ১০ দিনের ডেডলাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬
 হিংসা রুখতেই কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের, OC-দের ১০ দিনের ডেডলাইন
AI GENERATED PICTURE

কলকাতা: আসন্ন West Bengal Assembly Election 2026-কে সামনে রেখে হিংসামুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। সেই লক্ষ্যেই রাজ্যের থানার ওসি-দের (OC) জন্য একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। স্পষ্ট বার্তা—কোনওরকম অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না, গাফিলতি প্রমাণিত হলে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।


নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আগের নির্বাচনের সময় দায়ের হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। পাশাপাশি, সব জামিন-অযোগ্য ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে হবে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে। কোনও ওয়ারেন্ট ১০ দিনের বেশি ঝুলিয়ে রাখা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

এছাড়া, প্রতিটি থানায় ‘পলাতক’ ও ‘ওয়ান্টেড’ আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।


যে সব এলাকায় অতীতে রাজনৈতিক সংঘর্ষ, বিক্ষোভ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে, সেগুলি চিহ্নিত করে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য গোলমালকারীদের চিহ্নিত করতেও বলা হয়েছে পুলিশকে।


অপরাধপ্রবণ ও মাদক কারবারিদের সক্রিয় এলাকাগুলি চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত টহল ও পিকেটিং চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সন্দেহভাজন হোটেল, বার, লজ বা ধর্মশালায় নিয়মিত তল্লাশি চালানোর কথাও বলা হয়েছে।

নির্বাচনী অপরাধ বা আইনশৃঙ্খলার খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নেওয়ার উপর জোর দিয়েছে কমিশন।


আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অবৈধ মদের কারবারসহ বেআইনি কার্যকলাপের তথ্য এক জেলা থেকে অন্য জেলায় ভাগ করে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

নাকা পয়েন্টে গাড়ি তল্লাশি জোরদার এবং সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।


রাজনৈতিক দলগুলির সভা, রোড শো ও প্রচার কর্মসূচির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। হুমকির মুখে থাকা VIP বা নিরাপত্তাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া, নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও আধিকারিকদের সফরকালীন নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।


নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে যুক্ত সমস্ত আধিকারিকই নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণাধীন—এই বার্তা পুনর্ব্যক্ত করে কমিশন জানিয়েছে, নির্দেশিকা অক্ষরে অক্ষরে মানতে হবে।

কর্তব্যে গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমনই কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।


নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই নির্দেশিকাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।        

বিষয় : West Bengal Election 2026 ELECTION COMMISSION kolktatanews oc deadlinedeclare

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


হিংসা রুখতেই কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের, OC-দের ১০ দিনের ডেডলাইন

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: আসন্ন West Bengal Assembly Election 2026-কে সামনে রেখে হিংসামুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। সেই লক্ষ্যেই রাজ্যের থানার ওসি-দের (OC) জন্য একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। স্পষ্ট বার্তা—কোনওরকম অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না, গাফিলতি প্রমাণিত হলে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আগের নির্বাচনের সময় দায়ের হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। পাশাপাশি, সব জামিন-অযোগ্য ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে হবে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে। কোনও ওয়ারেন্ট ১০ দিনের বেশি ঝুলিয়ে রাখা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।এছাড়া, প্রতিটি থানায় ‘পলাতক’ ও ‘ওয়ান্টেড’ আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।যে সব এলাকায় অতীতে রাজনৈতিক সংঘর্ষ, বিক্ষোভ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে, সেগুলি চিহ্নিত করে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য গোলমালকারীদের চিহ্নিত করতেও বলা হয়েছে পুলিশকে।অপরাধপ্রবণ ও মাদক কারবারিদের সক্রিয় এলাকাগুলি চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত টহল ও পিকেটিং চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সন্দেহভাজন হোটেল, বার, লজ বা ধর্মশালায় নিয়মিত তল্লাশি চালানোর কথাও বলা হয়েছে।নির্বাচনী অপরাধ বা আইনশৃঙ্খলার খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নেওয়ার উপর জোর দিয়েছে কমিশন।আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অবৈধ মদের কারবারসহ বেআইনি কার্যকলাপের তথ্য এক জেলা থেকে অন্য জেলায় ভাগ করে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।নাকা পয়েন্টে গাড়ি তল্লাশি জোরদার এবং সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।রাজনৈতিক দলগুলির সভা, রোড শো ও প্রচার কর্মসূচির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। হুমকির মুখে থাকা VIP বা নিরাপত্তাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।এছাড়া, নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও আধিকারিকদের সফরকালীন নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে যুক্ত সমস্ত আধিকারিকই নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণাধীন—এই বার্তা পুনর্ব্যক্ত করে কমিশন জানিয়েছে, নির্দেশিকা অক্ষরে অক্ষরে মানতে হবে।কর্তব্যে গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমনই কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই নির্দেশিকাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।        

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার