কলকাতা: আসন্ন West Bengal Assembly Election 2026-এর আগে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশে আংশিক স্বস্তি মিলল শাসক শিবিরে। তালিকায় জায়গা পেয়েছেন শ্যামপুকুরের তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা এবং হাসনের প্রার্থী কাজল শেখ। এতদিন তাঁরা ‘বিবেচনাধীন’ থাকায় মনোনয়ন ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। নতুন তালিকায় নাম ওঠায় তাঁদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার পথ এখন কার্যত পরিষ্কার।
তবে একইসঙ্গে অনিশ্চয়তা কাটেনি উত্তরপাড়ার প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ক্ষেত্রে। দ্বিতীয় তালিকাতেও তাঁর নাম না থাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।
রাজ্যে দু’দফায় ভোট—২৩ ও ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফার প্রার্থীদের মনোনয়নের শেষ দিন: ৬ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ক্ষেত্রে শেষ দিন: ৯ এপ্রিল
নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে কেউই প্রার্থী হতে পারবেন না। ফলে তালিকা প্রকাশের দেরি সরাসরি প্রভাব ফেলছে প্রার্থীদের রাজনৈতিক ভবিষ্যতে।
এই পরিস্থিতিতে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছে।
মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য তিনপাতার চিঠিতে জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টি নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন। চিঠি গিয়েছে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল-এর কাছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে— এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩৭ লক্ষ ভোটারের নাম নিষ্পত্তি হয়েছে। বাকি রয়েছে আরও প্রায় ২৩ লক্ষ নাম।
তবে বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে—‘বিবেচনাধীন’ তালিকা থেকে কতজন অন্তর্ভুক্ত হলেন, আর কতজন বাদ পড়লেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য মেলেনি।
প্রথম তালিকার সময় যেমন সমস্যা দেখা গিয়েছিল, দ্বিতীয় তালিকাতেও একই চিত্র। ফলে প্রার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও অনিশ্চয়তা ও বিভ্রান্তি বাড়ছে।
নির্বাচনের মুখে ভোটার তালিকা ঘিরে এই ধোঁয়াশা রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন