Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভোটের আগে নবান্নের পাল্টা চাল? সিইও দফতর থেকে সরিয়ে দেওয়া হল ৪ বাঘা অফিসারকে!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬
ভোটের আগে নবান্নের পাল্টা চাল? সিইও দফতর থেকে সরিয়ে দেওয়া হল ৪ বাঘা অফিসারকে!

কলকাতা: ২০২৬-এর হাইভোল্টেজ ভোটের আগেই রাজ্য প্রশাসনে তীব্র রদবদল। একদিকে নির্বাচন কমিশনের কড়া কোপে একের পর এক বিডিও ও পুলিশ আধিকারিক অপসারিত হচ্ছেন, ঠিক তখনই নবান্ন থেকে জারি হল এক বিজ্ঞপ্তি। খোদ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়ালের দফতর থেকেই সরিয়ে দেওয়া হল চার প্রভাবশালী অফিসারকে। এই তালিকায় রয়েছেন খোদ ডেপুটি সিইও!


সোমবার নবান্ন থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সিইও দফতরের চার আধিকারিককে বিভিন্ন সরকারি দফতরে বদলি করা হয়েছে। যেমন - 


সুব্রত পাল: ২০০৫ ব্যাচের ডব্লিউবিসিএস অফিসার তথা ডেপুটি সিইওকে পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরে।


নরেন্দ্রনাথ দত্ত ও সুপ্রিয় দাস: অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার এই দুই অফিসারকে যথাক্রমে শ্রম এবং খাদ্য ও প্রক্রিয়াকরণ দফতরে বদলি করা হয়েছে।


মিঠু দত্ত: যুগ্ম সচিব পদ থেকে তাঁকে পাঠানো হয়েছে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরে।


তবে, শূন্যস্থান পূরণেও দেরি করেনি নবান্ন। স্বাস্থ্য দফতরের অতিরিক্ত সচিব রাহুল নাথকে এবার নিয়ে আসা হল যুগ্ম সিইও হিসাবে। 


ঘটনাচক্রে, এদিনই নির্বাচন কমিশনের নজিরবিহীন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য। প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিনের মধ্যেই ২৬৭ জন অফিসার, যার মধ্যে ১৭০ জন থানার ওসি এবং ৮৩ জন বিডিও রয়েছেন, তাঁদের অপসারণের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এই তালিকায় নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের মতো হাই-প্রোফাইল কেন্দ্রের আধিকারিকরাও রয়েছেন।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে কমিশন যখন পুলিশ ও প্রশাসনের নিচুতলায় ‘সাফসাফাই’ অভিযানে নেমেছে, তখন নবান্ন খোদ সিইও দফতরের আধিকারিকদের বদলে দিয়ে এক বিশেষ বার্তা দিতে চাইছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রশাসনের শীর্ষস্তরে এই অস্থিরতা ভোট প্রক্রিয়াকে কতটা প্রভাবিত করবে, এখন সেটাই দেখার।

বিষয় : ELECTION COMMISSIONER West Bengal Election 2026 NABANNA

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


ভোটের আগে নবান্নের পাল্টা চাল? সিইও দফতর থেকে সরিয়ে দেওয়া হল ৪ বাঘা অফিসারকে!

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ২০২৬-এর হাইভোল্টেজ ভোটের আগেই রাজ্য প্রশাসনে তীব্র রদবদল। একদিকে নির্বাচন কমিশনের কড়া কোপে একের পর এক বিডিও ও পুলিশ আধিকারিক অপসারিত হচ্ছেন, ঠিক তখনই নবান্ন থেকে জারি হল এক বিজ্ঞপ্তি। খোদ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়ালের দফতর থেকেই সরিয়ে দেওয়া হল চার প্রভাবশালী অফিসারকে। এই তালিকায় রয়েছেন খোদ ডেপুটি সিইও!সোমবার নবান্ন থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সিইও দফতরের চার আধিকারিককে বিভিন্ন সরকারি দফতরে বদলি করা হয়েছে। যেমন - সুব্রত পাল: ২০০৫ ব্যাচের ডব্লিউবিসিএস অফিসার তথা ডেপুটি সিইওকে পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরে।নরেন্দ্রনাথ দত্ত ও সুপ্রিয় দাস: অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার এই দুই অফিসারকে যথাক্রমে শ্রম এবং খাদ্য ও প্রক্রিয়াকরণ দফতরে বদলি করা হয়েছে।মিঠু দত্ত: যুগ্ম সচিব পদ থেকে তাঁকে পাঠানো হয়েছে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরে।তবে, শূন্যস্থান পূরণেও দেরি করেনি নবান্ন। স্বাস্থ্য দফতরের অতিরিক্ত সচিব রাহুল নাথকে এবার নিয়ে আসা হল যুগ্ম সিইও হিসাবে। ঘটনাচক্রে, এদিনই নির্বাচন কমিশনের নজিরবিহীন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য। প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিনের মধ্যেই ২৬৭ জন অফিসার, যার মধ্যে ১৭০ জন থানার ওসি এবং ৮৩ জন বিডিও রয়েছেন, তাঁদের অপসারণের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এই তালিকায় নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের মতো হাই-প্রোফাইল কেন্দ্রের আধিকারিকরাও রয়েছেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে কমিশন যখন পুলিশ ও প্রশাসনের নিচুতলায় ‘সাফসাফাই’ অভিযানে নেমেছে, তখন নবান্ন খোদ সিইও দফতরের আধিকারিকদের বদলে দিয়ে এক বিশেষ বার্তা দিতে চাইছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রশাসনের শীর্ষস্তরে এই অস্থিরতা ভোট প্রক্রিয়াকে কতটা প্রভাবিত করবে, এখন সেটাই দেখার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার