রাজ্যে নির্বাচনী আবহে ফোন ট্যাপিং এবং কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনীতি। সোমবার সরাসরি নির্বাচন কমিশনের (CEO) দফতরে গিয়ে একাধিক অভিযোগ জমা দিলেন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।
শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, রাজ্যের পদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা বিজেপি নেতাদের ফোন এবং লোকেশন ট্র্যাক করছেন। তিনি সরাসরি এসটিএফ (STF) প্রধান জাভেদ শামিম এবং আইবি (IB) প্রধান বিনীত গোয়েলের নাম করে অভিযোগ করেন যে, শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে মণ্ডল স্তরের বিজেপি নেতাদের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর কাছে এর সপক্ষে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি মনোজ ভর্মা এবং মেদিনীপুর ও জঙ্গিপুরের এসপি-দের ভূমিকা নিয়েও কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক দুটি ভাষণের ভিডিও এবং পেনড্রাইভ কমিশনের কাছে জমা দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের উস্কানি দিচ্ছেন যাতে তাঁরা হাতা-খুন্তি নিয়ে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর প্রতিরোধ করেন। এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার সামিল। ময়নাগুড়ির জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। শুভেন্দুর দাবি, মমতা বলেছেন বিজেপি কর্মীদের পোস্টার দিয়ে বলতে হবে ‘আমি বিজেপি করি না’। একে সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি হিসেবে দেখছেন শুভেন্দু।
শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তুলেছেন, রাহুল সিনহা বা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো নেতাদের যদি তৃণমূলের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রচারে নিষিদ্ধ করা যায়, তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে কেন একই পদক্ষেপ নেওয়া হবে না? ইতিপূর্বেই সুকান্ত মজুমদার দিল্লিতে নির্বাচন সদনে এই একই দাবি জানিয়ে এসেছেন। এবার কলকাতাতেও সিইও-র কাছে মমতাকে প্রচার থেকে বাদ দেওয়ার দাবি রাখল বিজেপি।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন