Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

কর্মবিরতির জের, সহ-অভিনেতার পাশে দাঁড়াতে নিজের পকেট থেকে টেকনিশিয়ানদের বেতন দেবেন জীতু

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
কর্মবিরতির জের, সহ-অভিনেতার পাশে দাঁড়াতে নিজের পকেট থেকে টেকনিশিয়ানদের বেতন দেবেন জীতু
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতা:  অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকেই নিস্তব্ধ টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়া। শিল্পী ও কলাকুশলীদের নিরাপত্তার দাবিতে আর্টিস্ট ফোরাম, ফেডারেশন এবং প্রযোজক সংগঠনগুলির সম্মিলিত সিদ্ধান্তে এই কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে। তবে শুটিং বন্ধ থাকায় সবথেকে বেশি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সেই সমস্ত দিনমজুর কলাকুশলীরা, যাঁদের প্রতিদিনের রোজগারের ওপর সংসার চলে।


 এই কঠিন সময়ে তাঁদের পাশে ‘মুশকিল আসান’ হয়ে দাঁড়ালেন অভিনেতা জীতু কামাল। সোমবার রাতে নিজের ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর ফ্লোরে তিনি ঘোষণা করেন, কর্মবিরতির কারণে যতদিন শুটিং বন্ধ থাকবে, সেই দিনগুলির টেকনিশিয়ানদের পারিশ্রমিক তিনি নিজের পকেট থেকে মিটিয়ে দেবেন। জীতুর এই মানবিক উদ্যোগের কথা সমাজমাধ্যমে ভিডিওর মাধ্যমে জানিয়েছেন আপ্লুত কলাকুশলীরা। তাঁদের মতে, টলিপাড়ায় এর আগে কোনও অভিনেতা এভাবে টেকনিশিয়ানদের অন্নসংস্থানের কথা ভাবেননি।


অবশ্য এই মহৎ উদ্যোগের মাঝেও বিতর্কের ছায়া পিছু ছাড়েনি অভিনেতার। নিজের ছবিতে মালা দিয়ে রাহুলের মৃত্যুর অভিনব প্রতিবাদ জানানোয় সহ-অভিনেতা অভ্রজিৎ চক্রবর্তী সহ ইন্ডাস্ট্রির একাংশের কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছিল জীতুকে। সমালোচকদের সেই বিদ্রুপের জবাব দিয়ে অভিনেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনও কুবেরের সন্তান নন, তবে বাবা-মায়ের শেখানো আদর্শ মেনেই বিপদে সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো তাঁর কর্তব্য।


 জীতুর মতে, কেউ যদি একে সস্তার প্রচার বা ‘সার্কাস’ বলে মনে করেন, তাতে তাঁর কিছু যায় আসে না। অন্যদিকে, রাহুলের মৃত্যুর পর থেকেই আর্টিস্ট ফোরামের বিরুদ্ধে অভিনেতাদের অবহেলা করার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন তিনি। সহ-অভিনেতা অভ্রজিতের সঙ্গে তাঁর বাগযুদ্ধ এবং ফ্লোরে মদ্যপান করে প্রবেশের অভিযোগ ঘিরে যখন টলিপাড়া উত্তাল, ঠিক তখনই নিজের ধারাবাহিকের ‘পরিবার’ তথা টেকনিশিয়ানদের মুখে হাসি ফুটিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন পর্দার ‘আর্য’।

বিষয় : justiceforrahul JeetuKamal TollywoodStrike TollygungeNews HumanityInIndustry

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


কর্মবিরতির জের, সহ-অভিনেতার পাশে দাঁড়াতে নিজের পকেট থেকে টেকনিশিয়ানদের বেতন দেবেন জীতু

প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কলকাতা:  অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকেই নিস্তব্ধ টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়া। শিল্পী ও কলাকুশলীদের নিরাপত্তার দাবিতে আর্টিস্ট ফোরাম, ফেডারেশন এবং প্রযোজক সংগঠনগুলির সম্মিলিত সিদ্ধান্তে এই কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে। তবে শুটিং বন্ধ থাকায় সবথেকে বেশি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সেই সমস্ত দিনমজুর কলাকুশলীরা, যাঁদের প্রতিদিনের রোজগারের ওপর সংসার চলে। এই কঠিন সময়ে তাঁদের পাশে ‘মুশকিল আসান’ হয়ে দাঁড়ালেন অভিনেতা জীতু কামাল। সোমবার রাতে নিজের ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর ফ্লোরে তিনি ঘোষণা করেন, কর্মবিরতির কারণে যতদিন শুটিং বন্ধ থাকবে, সেই দিনগুলির টেকনিশিয়ানদের পারিশ্রমিক তিনি নিজের পকেট থেকে মিটিয়ে দেবেন। জীতুর এই মানবিক উদ্যোগের কথা সমাজমাধ্যমে ভিডিওর মাধ্যমে জানিয়েছেন আপ্লুত কলাকুশলীরা। তাঁদের মতে, টলিপাড়ায় এর আগে কোনও অভিনেতা এভাবে টেকনিশিয়ানদের অন্নসংস্থানের কথা ভাবেননি।অবশ্য এই মহৎ উদ্যোগের মাঝেও বিতর্কের ছায়া পিছু ছাড়েনি অভিনেতার। নিজের ছবিতে মালা দিয়ে রাহুলের মৃত্যুর অভিনব প্রতিবাদ জানানোয় সহ-অভিনেতা অভ্রজিৎ চক্রবর্তী সহ ইন্ডাস্ট্রির একাংশের কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছিল জীতুকে। সমালোচকদের সেই বিদ্রুপের জবাব দিয়ে অভিনেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনও কুবেরের সন্তান নন, তবে বাবা-মায়ের শেখানো আদর্শ মেনেই বিপদে সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো তাঁর কর্তব্য। জীতুর মতে, কেউ যদি একে সস্তার প্রচার বা ‘সার্কাস’ বলে মনে করেন, তাতে তাঁর কিছু যায় আসে না। অন্যদিকে, রাহুলের মৃত্যুর পর থেকেই আর্টিস্ট ফোরামের বিরুদ্ধে অভিনেতাদের অবহেলা করার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন তিনি। সহ-অভিনেতা অভ্রজিতের সঙ্গে তাঁর বাগযুদ্ধ এবং ফ্লোরে মদ্যপান করে প্রবেশের অভিযোগ ঘিরে যখন টলিপাড়া উত্তাল, ঠিক তখনই নিজের ধারাবাহিকের ‘পরিবার’ তথা টেকনিশিয়ানদের মুখে হাসি ফুটিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন পর্দার ‘আর্য’।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার