কলকাতা: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে পুরোদমে। আর, রাজ্যের ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না গেরুয়া শিবির। দলের প্রধান মুখ হিসাবে বঙ্গ জয়ে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রচারের তীব্রতা বাড়িয়ে এবার একদিনেই রাজ্যে তিনটি মেগা জনসভা করতে চলেছেন তিনি।
বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যে ভোটগ্রহণ হতে চলেছে। তার আগে ভোটারদের মন জয় করতে উত্তর থেকে দক্ষিণ - সর্বত্রই ঝোড়ো ইনিংস খেলতে মরিয়া মোদী। গত রবিবার কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে ‘বিজয় সংকল্প সভা’র মাধ্যমে তিনি এবারের নির্বাচনী প্রচারের সূচনা করেছিলেন। সেখানে উপচে পড়া ভিড় দেখে আশাবাদী বিজেপি নেতৃত্ব।
দলীয় কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর এই ম্যারাথন প্রচারের মূল লক্ষ্য হল - তৃণমূলের দুর্গে হানা দেওয়া এবং উন্নয়ন ও নিরাপত্তার বার্তার মাধ্যমে আমজনতার ভরসা অর্জন করা। উত্তরবঙ্গের শক্ত ঘাঁটি ধরে রাখার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও পদ্ম ফোটাতে বিশেষ জোর দিচ্ছে দিল্লি। একদিনে তিন সভার রণকৌশল সেই লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।
তৃণমূলের ‘সিন্ডিকেট রাজ’ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতিটি সভাতেই রাজ্যের নারী নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থানের বিষয়টিকে হাতিয়ার করছেন। অন্যদিকে, রাজ্যের শাসকদল প্রধানমন্ত্রীর এই ঘনঘন সফরকে ‘বহিরাগতদের আনাগোনা’ বলে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। তবে, রাজনৈতিক তরজা যাই হোক, মোদীর এই হাই-ভোল্টেজ প্রচার যে ভোটের ময়দানে পারদ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
আগামী কয়েক দিনে বীরভূমের সিউড়ি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা করার কথা রয়েছে। অর্থাৎ, নির্বাচনের আগে বাংলার মাটি কার্যত কামড়ে পড়ে থাকতে চাইছে মোদী-শাহ জুটি।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন