Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

হয় গ্রেফতার, নয় কৈফিয়ত! অমীমাংসিত পরোয়ানা নিয়ে কলকাতার সব থানাকে কড়া বার্তা লালবাজারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
হয় গ্রেফতার, নয় কৈফিয়ত! অমীমাংসিত পরোয়ানা নিয়ে কলকাতার সব থানাকে কড়া বার্তা লালবাজারের
প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হতেই রাজ্যে এখন নির্বাচন কমিশনের শাসন। আর সেই কড়া মেজাজকে পাথেয় করেই এবার কলকাতা পুলিশের অন্দরে বড়সড় রদবদল ও কড়াকড়ি শুরু করল লালবাজার। কলকাতার প্রতিটি থানাকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে— দীর্ঘকাল ধরে ঝুলে থাকা সমস্ত গ্রেফতারি পরোয়ানা (Arrest Warrants) অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। হয় অভিযুক্তকে শ্রীঘরে পাঠাতে হবে, আর তা সম্ভব না হলে কেন দেরি হচ্ছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ কারণ দর্শাতে হবে সদর দফতরে।


নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট গাইডলাইন ছিল যে, জামিন অযোগ্য পরোয়ানাগুলি অন্তত ১০ দিনের মধ্যে কার্যকর করতে হবে। তবে লালবাজারের সাম্প্রতিক নির্দেশিকা সেই কড়াকড়িকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এখন থেকে শুধুমাত্র জামিন অযোগ্য নয়, জামিনযোগ্য পরোয়ানাগুলির ক্ষেত্রেও থানাগুলি কী ভূমিকা নিচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ খতিয়ান তলব করেছেন লালবাজারের শীর্ষকর্তারা। মূলত ভোটের সময় এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই দুষ্কৃতীদের দ্রুত জালে তুলতে চাইছে পুলিশ প্রশাসন।


কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকেই বাহিনীর অনুশাসন নিয়ে সরব হয়েছেন। প্রাক্তন কমিশনার সুপ্রতিম সরকারের জারি করা সেই বিখ্যাত ‘১৫ দফা আচরণবিধি’ আরও একবার পুলিশকর্মীদের মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। নজরদারিতে দেখা গিয়েছে, কিছু পুলিশকর্মী সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বা ডিউটির সময় সরকারি নিয়মবিধি লঙঘন করছেন। তাঁদের সতর্ক করে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের সময় তাঁরা প্রত্যেকেই কমিশনের অধীনস্থ। ফলে যে কোনো গাফিলতিতে কমিশন সরাসরি কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে।


বিগত নির্বাচনগুলির সময় যে সমস্ত অপরাধমূলক মামলা দায়ের হয়েছিল, সেগুলিকে আর ফেলে রাখতে নারাজ লালবাজার। কমিশনের নির্দেশ মেনে সেই সব পুরনো মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুলিশি দায়িত্ব পালনে বিন্দুমাত্র শিথিলতা যে বরদাস্ত করা হবে না, তা লালবাজারের এই তৎপরতায় আজ স্পষ্ট।


ভোটের মুখে তিলোত্তমার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এই 'অ্যাকশন মোড' অপরাধীদের জন্য বড়সড় সতর্কবার্তা বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।


বিষয় : West Bengal Election 2026 KOLKATAPOLI CE ELECTION COMMISSION lawandorder LALBAZAR ELECTIONUPDATE

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


হয় গ্রেফতার, নয় কৈফিয়ত! অমীমাংসিত পরোয়ানা নিয়ে কলকাতার সব থানাকে কড়া বার্তা লালবাজারের

প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হতেই রাজ্যে এখন নির্বাচন কমিশনের শাসন। আর সেই কড়া মেজাজকে পাথেয় করেই এবার কলকাতা পুলিশের অন্দরে বড়সড় রদবদল ও কড়াকড়ি শুরু করল লালবাজার। কলকাতার প্রতিটি থানাকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে— দীর্ঘকাল ধরে ঝুলে থাকা সমস্ত গ্রেফতারি পরোয়ানা (Arrest Warrants) অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। হয় অভিযুক্তকে শ্রীঘরে পাঠাতে হবে, আর তা সম্ভব না হলে কেন দেরি হচ্ছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ কারণ দর্শাতে হবে সদর দফতরে।নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট গাইডলাইন ছিল যে, জামিন অযোগ্য পরোয়ানাগুলি অন্তত ১০ দিনের মধ্যে কার্যকর করতে হবে। তবে লালবাজারের সাম্প্রতিক নির্দেশিকা সেই কড়াকড়িকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এখন থেকে শুধুমাত্র জামিন অযোগ্য নয়, জামিনযোগ্য পরোয়ানাগুলির ক্ষেত্রেও থানাগুলি কী ভূমিকা নিচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ খতিয়ান তলব করেছেন লালবাজারের শীর্ষকর্তারা। মূলত ভোটের সময় এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই দুষ্কৃতীদের দ্রুত জালে তুলতে চাইছে পুলিশ প্রশাসন।কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকেই বাহিনীর অনুশাসন নিয়ে সরব হয়েছেন। প্রাক্তন কমিশনার সুপ্রতিম সরকারের জারি করা সেই বিখ্যাত ‘১৫ দফা আচরণবিধি’ আরও একবার পুলিশকর্মীদের মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। নজরদারিতে দেখা গিয়েছে, কিছু পুলিশকর্মী সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বা ডিউটির সময় সরকারি নিয়মবিধি লঙঘন করছেন। তাঁদের সতর্ক করে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের সময় তাঁরা প্রত্যেকেই কমিশনের অধীনস্থ। ফলে যে কোনো গাফিলতিতে কমিশন সরাসরি কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে।বিগত নির্বাচনগুলির সময় যে সমস্ত অপরাধমূলক মামলা দায়ের হয়েছিল, সেগুলিকে আর ফেলে রাখতে নারাজ লালবাজার। কমিশনের নির্দেশ মেনে সেই সব পুরনো মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুলিশি দায়িত্ব পালনে বিন্দুমাত্র শিথিলতা যে বরদাস্ত করা হবে না, তা লালবাজারের এই তৎপরতায় আজ স্পষ্ট।ভোটের মুখে তিলোত্তমার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এই 'অ্যাকশন মোড' অপরাধীদের জন্য বড়সড় সতর্কবার্তা বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার