Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

দিল্লি বিস্ফোরণে পেশ চার্জশিট, ‘ডক্টর টেরর মডিউল’-এর হাড়হিম করা তথ্য ফাঁস!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
দিল্লি বিস্ফোরণে পেশ চার্জশিট, ‘ডক্টর টেরর মডিউল’-এর হাড়হিম করা তথ্য ফাঁস!

নয়াদিল্লি: চিকিৎসক মানেই কি জীবনদাতা? নাকি কোনও-কোনও সময় স্টেথোস্কোপের আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে মারণ বোমার কারিগর? দিল্লির লালকেল্লার সামনে সেই ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণ কাণ্ডে চার্জশিট পেশ করতেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। জম্মু-কাশ্মীরের স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (SIA) যে চার্জশিট পেশ করেছে, তাতে ১০ জনের নাম রয়েছে। আর, এই তালিকায় থাকা চারজন চিকিৎসকের নাম দেখে কার্যত চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের!

গত বছরের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার সামনে একটি সাদা রঙের আইটোয়েন্টি গাড়িতে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে। সেই ঘটনায় প্রাণ হারান অন্তত ১৪ জন (সরকারি মতে আটজন), জখম হন আরও অনেকে। ঘটনার প্রায় পাঁচমাস পর চার্জশিটে বলা হয়েছে, এই গোটা ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন একদল উচ্চশিক্ষিত যুবক। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডক্টর টেরর মডিউল’।


চার্জশিটে নাম থাকা অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতমরা হলেন - ডা. উমর উন নবী। এই ব্যক্তি হলেন দিল্লি বিস্ফোরণের সেই আত্মঘাতী জঙ্গি, যিনি নিজেই সংশ্লিষ্ট গাড়িটি চালিয়ে এনেছিলেন। এছাড়াও, নাম রয়েছে ডা. শাহিন সাঈদ, ডা. আদিল আহমদ রাঠার, ডা. মুজাম্মিল শাকিল গনাইয়ের। আল ফালহা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বিভিন্ন নামী প্রতিষ্ঠানের এই চিকিৎসকরা এই জঙ্গি মডিউলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন।

তদন্তে উঠে এসেছে এক ভয়ঙ্কর রাসায়নিকের নাম - ট্রায়াসিটন ট্রাইপেরক্সাইড (TATP)। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি অত্যন্ত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এবং বিপজ্জনক। এই টিএটিপির সঙ্গে নানা রাসায়নিক মিশিয়ে মারণ বোমা তৈরি করা হয়েছিল। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, মডিউলের চিকিৎসকরা কেবল ডিজিট্যাল প্ল্যাটফর্মেই প্রচার চালাতেন না। বরং, এই জটিল বিস্ফোরক নিয়ে নিয়মিত পরীক্ষানিরীক্ষাও করতেন!


তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, এই ১০ জন অভিযুক্ত অত্যন্ত গোপনে একটি মডিউল তৈরি করেছিলেন। এঁদের মধ্যে চিকিৎসকরা ছিল ‘ব্রেন’, যাঁরা ডিজিট্যাল মাধ্যমে জঙ্গি ভাবাদর্শ প্রচার করতেন। বাকিরা ছিলেন ‘গ্রাউন্ড লেভেল’ কর্মী, যাঁদের কাজ ছিল রসদ জোগাড় করা ও নিত্যনতুন সদস্য নিয়োগ করা। সারাদেশে বড়সড় সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর ব্লু-প্রিন্ট তৈরি ছিল এঁদের ল্যাপটপে!

চার্জশিটে নাম থাকা অন্য অভিযুক্তরা হলেন - আরিফ নিসার দার, ইয়াসির-উল-আশরাফ ভাট, মকসুদ আহমদ দার, ইরফান আহমদ ওয়াগে, জামির আহমদ আহাঙ্গার এবং তুফাইল আহমদ ভাট।


চিকিৎসকরা কীভাবে আধুনিক মারণাস্ত্র তৈরির কারিগর হয়ে উঠলেন, তা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা মহলে। অভিযুক্তদের এই মরণখেলার পর্দা ফাঁস হওয়ায় এবার বিচার প্রক্রিয়ার দিকে তাকিয়ে দেশবাসী।

বিষয় : NATIONALSECURITY delhiblast doctorterror redfortblast

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


দিল্লি বিস্ফোরণে পেশ চার্জশিট, ‘ডক্টর টেরর মডিউল’-এর হাড়হিম করা তথ্য ফাঁস!

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: চিকিৎসক মানেই কি জীবনদাতা? নাকি কোনও-কোনও সময় স্টেথোস্কোপের আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে মারণ বোমার কারিগর? দিল্লির লালকেল্লার সামনে সেই ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণ কাণ্ডে চার্জশিট পেশ করতেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। জম্মু-কাশ্মীরের স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (SIA) যে চার্জশিট পেশ করেছে, তাতে ১০ জনের নাম রয়েছে। আর, এই তালিকায় থাকা চারজন চিকিৎসকের নাম দেখে কার্যত চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের!গত বছরের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার সামনে একটি সাদা রঙের আইটোয়েন্টি গাড়িতে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে। সেই ঘটনায় প্রাণ হারান অন্তত ১৪ জন (সরকারি মতে আটজন), জখম হন আরও অনেকে। ঘটনার প্রায় পাঁচমাস পর চার্জশিটে বলা হয়েছে, এই গোটা ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন একদল উচ্চশিক্ষিত যুবক। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডক্টর টেরর মডিউল’।চার্জশিটে নাম থাকা অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতমরা হলেন - ডা. উমর উন নবী। এই ব্যক্তি হলেন দিল্লি বিস্ফোরণের সেই আত্মঘাতী জঙ্গি, যিনি নিজেই সংশ্লিষ্ট গাড়িটি চালিয়ে এনেছিলেন। এছাড়াও, নাম রয়েছে ডা. শাহিন সাঈদ, ডা. আদিল আহমদ রাঠার, ডা. মুজাম্মিল শাকিল গনাইয়ের। আল ফালহা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বিভিন্ন নামী প্রতিষ্ঠানের এই চিকিৎসকরা এই জঙ্গি মডিউলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন।তদন্তে উঠে এসেছে এক ভয়ঙ্কর রাসায়নিকের নাম - ট্রায়াসিটন ট্রাইপেরক্সাইড (TATP)। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি অত্যন্ত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এবং বিপজ্জনক। এই টিএটিপির সঙ্গে নানা রাসায়নিক মিশিয়ে মারণ বোমা তৈরি করা হয়েছিল। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, মডিউলের চিকিৎসকরা কেবল ডিজিট্যাল প্ল্যাটফর্মেই প্রচার চালাতেন না। বরং, এই জটিল বিস্ফোরক নিয়ে নিয়মিত পরীক্ষানিরীক্ষাও করতেন!তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, এই ১০ জন অভিযুক্ত অত্যন্ত গোপনে একটি মডিউল তৈরি করেছিলেন। এঁদের মধ্যে চিকিৎসকরা ছিল ‘ব্রেন’, যাঁরা ডিজিট্যাল মাধ্যমে জঙ্গি ভাবাদর্শ প্রচার করতেন। বাকিরা ছিলেন ‘গ্রাউন্ড লেভেল’ কর্মী, যাঁদের কাজ ছিল রসদ জোগাড় করা ও নিত্যনতুন সদস্য নিয়োগ করা। সারাদেশে বড়সড় সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর ব্লু-প্রিন্ট তৈরি ছিল এঁদের ল্যাপটপে!চার্জশিটে নাম থাকা অন্য অভিযুক্তরা হলেন - আরিফ নিসার দার, ইয়াসির-উল-আশরাফ ভাট, মকসুদ আহমদ দার, ইরফান আহমদ ওয়াগে, জামির আহমদ আহাঙ্গার এবং তুফাইল আহমদ ভাট।চিকিৎসকরা কীভাবে আধুনিক মারণাস্ত্র তৈরির কারিগর হয়ে উঠলেন, তা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা মহলে। অভিযুক্তদের এই মরণখেলার পর্দা ফাঁস হওয়ায় এবার বিচার প্রক্রিয়ার দিকে তাকিয়ে দেশবাসী।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার