জগৎবল্লভপুর: ভোটের প্রথম দিন কাটতে না কাটতেই শুরু হয়ে গেল সংখ্যার লড়াই। ‘আমি জ্যোতিষী নই, তবে আমার ভবিষ্যদ্বাণী মেলে’ - হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের সভা থেকে এমনই দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সাফ কথা, প্রথম দফার ১৫২ আসনের মধ্যেই তৃণমূল ‘সেঞ্চুরি’ পার করে ফেলেছে। একইসঙ্গে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কড়া চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অভিষেক বললেন, “সৎ সাহস থাকলে ৪ তারিখ (ফলাফলের দিন) পর্যন্ত বাংলায় থাকুন।”
বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোট শেষ হতে না হতেই জয়ের পরিসংখ্যান নিয়ে দাবি-পাল্টা দাবি করার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। যেমন -
বিজেপির দাবি: অমিত শাহ দাবি করেছেন, ১৫২টি আসনের মধ্যে বিজেপি অন্তত ১১০টিতে জয় নিশ্চিত করে ফেলেছে। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ১২৫-এর নীচে নামবে না গেরুয়া শিবির।
তৃণমূলের পাল্টা: ঘাসফুল শিবিরের দাবি, তারা ১২৫টির বেশি আসন পাচ্ছে (প্রথম দিনের ১৫২টির মধ্য়ে)। আর, আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, প্রথম দফাতেই ১০০-র গণ্ডী টপকে গিয়েছে শাসকদল।
এদিন জনসভা থেকে অমিত শাহের ‘উল্টো করে ঝুলিয়ে দেওয়া’র হুমকির কড়া জবাব দেন অভিষেক। তিনি বলেন, “আমাদের জন্মভূমিতে গুজরাতের গুন্ডারা এসে বলছে উল্টে ঝুলিয়ে দেবে! আমি তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে শুধু বলেছিলাম গরম পড়েছে, জল বেশি করে খান আর মাথা ঠান্ডা রাখুন। উনি বলছেন আমি নাকি গালাগালি করেছি।” অভিষেকের তোপ, বিজেপি এখন হারার ভয়ে ছটফট করছে।
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফায় ভোটদানের হার প্রায় ৯৩ শতাংশে পৌঁছেছে - যা দেশজুড়ে এক বিরল রেকর্ড। সাধারণত রেকর্ড ভোটকে ‘প্রতিষ্ঠানবিরোধী’ বা সরকারের বিরুদ্ধে জনমত হিসাবে দেখা হয়। কিন্তু, অভিষেক সেই তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়ে ২০২১ এবং ২০২৪-এর নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনেছেন। তাঁর মতে, সেবারও বিপুল ভোট পড়েছিল এবং বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেই আস্থা রেখেছিলেন।
অভিষেক এদিন ফের চ্যালেঞ্জ করে জানান, ৪ মে সন্ধ্যার আগে পর্যন্ত অমিত শাহ যেন বাংলার মাটি ছেড়ে না যান। নির্বাচনের ফলাফলই বলে দেবে, কারা থাকবে আর কারা ‘উল্টো ঝুলবে’!

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন