Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভোট-আবহে হাওয়া খেতে বেরোনোই যাবে বাইক নিয়ে! কমিশনের কড়া নিষেধ নাকচ হাইকোর্টে, তবে...!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ভোট-আবহে হাওয়া খেতে বেরোনোই যাবে বাইক নিয়ে! কমিশনের কড়া নিষেধ নাকচ হাইকোর্টে, তবে...!
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতা: ভোটের মুখে বাইক চালানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশে কাটছাঁট করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চের সাফ বক্তব্য, ভোটের বিধির নামে কখনই “কারও ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা যায় না”! তবে, শান্তি রুখতে ‘গ্রুপ রাইডিং’ বা দল বেঁধে বাইক চলাচলের উর আজ থেকেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।


ভোটের সময় অশান্তি রুখতে কমিশন নিয়ম করেছিল, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানো যাবে না। এই নির্দেশিকা কেন্দ্র করেই বিতর্কের সূত্রপাত। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার স্পষ্ট জানায়, কেউ যদি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বা স্রেফ ‘হাওয়া খেতে’ বাইক নিয়ে বেরোতে চান, তবে তাঁকে আটকানোর অধিকার কারও নেই। বিচারপতির প্রশ্ন, নির্বাচনের সময় বিহার বা অসমে যদি এমন নিষেধাজ্ঞা না থাকে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গে কেন?


এদিন শুনানিতে আদালত প্রশ্ন তুলেছে, বাইকের উপর কড়াকড়ি থাকলেও চারচাকা গাড়ির ক্ষেত্রে কেন একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না! ভোটের আগের ৪৮ ঘণ্টা দল বেঁধে বাইক নিয়ে ঘোরা যাবে না? যদিও একইসঙ্গে কোনও রাজনৈতিক বাইকর‍্যালি বা জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চ জানিয়েছিল, ভোটগ্রহণের ১২ ঘণ্টা আগে থেকে বাইকের পিছনে যাত্রী নেওয়া যাবে না। ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশে সামান্য পরিবর্তন এনে ‘গ্রুপ রাইডিং’-এর উপর জোর দিয়েছে।


বিচারপতি শম্পা সরকার কমিশনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, অন্য রাজ্যে এই ধরনের বিধিনিষেধ জারির কোনও উদাহরণ কি কমিশন দেখাতে পারবে? যদি সেখানে না থাকে, তবে এ রাজ্যেও এমন ঢালাও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা সম্ভব নয়। আদালতের এই রায়ে সাধারণ বাইক আরোহীরা স্বস্তি পেলেও, প্রচারের শেষ লগ্নে বাইক মিছিল করতে না পেরে কিছুটা চাপে রাজনৈতিক দলগুলি।


এখন দেখার, আদালতের এই ‘ব্যক্তি স্বাধীনতা’র বার্তার পর ভোটের ময়দানে নজরদারি চালাতে কমিশন ফের নতুন কোনও কৌশল নেয় কিনা।

বিষয় : ElectionCommission CalcuttaHighCourt bikeban groupriding kolkatapoltiics

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


ভোট-আবহে হাওয়া খেতে বেরোনোই যাবে বাইক নিয়ে! কমিশনের কড়া নিষেধ নাকচ হাইকোর্টে, তবে...!

প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ভোটের মুখে বাইক চালানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশে কাটছাঁট করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চের সাফ বক্তব্য, ভোটের বিধির নামে কখনই “কারও ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা যায় না”! তবে, শান্তি রুখতে ‘গ্রুপ রাইডিং’ বা দল বেঁধে বাইক চলাচলের উর আজ থেকেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।ভোটের সময় অশান্তি রুখতে কমিশন নিয়ম করেছিল, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানো যাবে না। এই নির্দেশিকা কেন্দ্র করেই বিতর্কের সূত্রপাত। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার স্পষ্ট জানায়, কেউ যদি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বা স্রেফ ‘হাওয়া খেতে’ বাইক নিয়ে বেরোতে চান, তবে তাঁকে আটকানোর অধিকার কারও নেই। বিচারপতির প্রশ্ন, নির্বাচনের সময় বিহার বা অসমে যদি এমন নিষেধাজ্ঞা না থাকে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গে কেন?এদিন শুনানিতে আদালত প্রশ্ন তুলেছে, বাইকের উপর কড়াকড়ি থাকলেও চারচাকা গাড়ির ক্ষেত্রে কেন একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না! ভোটের আগের ৪৮ ঘণ্টা দল বেঁধে বাইক নিয়ে ঘোরা যাবে না? যদিও একইসঙ্গে কোনও রাজনৈতিক বাইকর‍্যালি বা জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চ জানিয়েছিল, ভোটগ্রহণের ১২ ঘণ্টা আগে থেকে বাইকের পিছনে যাত্রী নেওয়া যাবে না। ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশে সামান্য পরিবর্তন এনে ‘গ্রুপ রাইডিং’-এর উপর জোর দিয়েছে।বিচারপতি শম্পা সরকার কমিশনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, অন্য রাজ্যে এই ধরনের বিধিনিষেধ জারির কোনও উদাহরণ কি কমিশন দেখাতে পারবে? যদি সেখানে না থাকে, তবে এ রাজ্যেও এমন ঢালাও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা সম্ভব নয়। আদালতের এই রায়ে সাধারণ বাইক আরোহীরা স্বস্তি পেলেও, প্রচারের শেষ লগ্নে বাইক মিছিল করতে না পেরে কিছুটা চাপে রাজনৈতিক দলগুলি।এখন দেখার, আদালতের এই ‘ব্যক্তি স্বাধীনতা’র বার্তার পর ভোটের ময়দানে নজরদারি চালাতে কমিশন ফের নতুন কোনও কৌশল নেয় কিনা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার