Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

রেওয়াজ ভেঙে ভোটের সকালে বুথে বুথে মমতা, ‘ঠেলায় পড়ে’ বলে শুভেন্দুর তীব্র কটাক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
রেওয়াজ ভেঙে ভোটের সকালে বুথে বুথে মমতা, ‘ঠেলায় পড়ে’ বলে শুভেন্দুর তীব্র কটাক্ষ
প্রতীকী ছবি

বাংলার হাইভোল্টেজ নির্বাচনে এবার ভাঙল দীর্ঘদিনের রীতি। সাধারণত ভোটের দিন সকালে নিজের বাড়িতেই থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেখান থেকেই নজর রাখেন পরিস্থিতির ওপর। কিন্তু ভবানীপুরের মহারণে এবার ছবিটা অন্যরকম। বুধবার সকাল হতেই ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নামলেন তৃণমূলনেত্রী।




 কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি সোজা চলে যান চেতলা এলাকায়। কখনও পদ্মপুকুর রোড, আবার কখনও চক্রবেড়িয়ার বুথের সামনে দাঁড়িয়ে নিজে হাতে তদারকি করছেন ভোট প্রক্রিয়ার। মমতা সাফ জানিয়েছেন, আজ তিনি মুখ্যমন্ত্রী নন, বরং ভবানীপুরের প্রার্থী হিসেবে সারা দিন রাস্তাতেই থাকবেন।




মমতার এই সক্রিয়তাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই বুথ পরিদর্শনকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেছেন, “ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না।” তাঁর দাবি, হারের ভয় এবং রাজনৈতিক চাপের মুখেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকাল সকাল বুথে ঘুরতে বাধ্য হয়েছেন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজর শুধু ভোটের ফলেই নয়, বরং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিসক্রিয়তার ওপরেও। বিশেষ করে সোমবার রাতে ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ পর্যবেক্ষক যাওয়ার ঘটনায় তিনি প্রচণ্ড ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, মহিলাদের আতঙ্কিত করা হচ্ছে এবং বহিরাগতরা এসে এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে।




নির্বাচনী ময়দানে দাঁড়িয়ে মমতা অভিযোগ করেন যে, বিজেপির নির্দেশে কাজ করছেন বেশ কিছু পর্যবেক্ষক। তৃণমূলের পতাকা খুলে ফেলা এবং কাউন্সিলরদের বের হতে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগ তুলে তিনি প্রশ্ন করেন, “এভাবে কি গণতান্ত্রিক ভোট হতে পারে?” সকাল থেকেই চক্রবেড়িয়া-সহ একাধিক বুথে গিয়ে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন তিনি। মঙ্গলবার রাতভর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জেগে পরিস্থিতি সামলেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। রেওয়াজ ভেঙে মমতার এই বুথ-যুদ্ধে নামা ভবানীপুরের লড়াইকে যে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

বিষয় : Mamata Banerjee POLITICAL CHAOS suvendu adhikari BHAWANIPORE ELECTIONUPDATE liveupdate

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


রেওয়াজ ভেঙে ভোটের সকালে বুথে বুথে মমতা, ‘ঠেলায় পড়ে’ বলে শুভেন্দুর তীব্র কটাক্ষ

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
বাংলার হাইভোল্টেজ নির্বাচনে এবার ভাঙল দীর্ঘদিনের রীতি। সাধারণত ভোটের দিন সকালে নিজের বাড়িতেই থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেখান থেকেই নজর রাখেন পরিস্থিতির ওপর। কিন্তু ভবানীপুরের মহারণে এবার ছবিটা অন্যরকম। বুধবার সকাল হতেই ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নামলেন তৃণমূলনেত্রী। কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি সোজা চলে যান চেতলা এলাকায়। কখনও পদ্মপুকুর রোড, আবার কখনও চক্রবেড়িয়ার বুথের সামনে দাঁড়িয়ে নিজে হাতে তদারকি করছেন ভোট প্রক্রিয়ার। মমতা সাফ জানিয়েছেন, আজ তিনি মুখ্যমন্ত্রী নন, বরং ভবানীপুরের প্রার্থী হিসেবে সারা দিন রাস্তাতেই থাকবেন।মমতার এই সক্রিয়তাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই বুথ পরিদর্শনকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেছেন, “ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না।” তাঁর দাবি, হারের ভয় এবং রাজনৈতিক চাপের মুখেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকাল সকাল বুথে ঘুরতে বাধ্য হয়েছেন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজর শুধু ভোটের ফলেই নয়, বরং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিসক্রিয়তার ওপরেও। বিশেষ করে সোমবার রাতে ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ পর্যবেক্ষক যাওয়ার ঘটনায় তিনি প্রচণ্ড ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, মহিলাদের আতঙ্কিত করা হচ্ছে এবং বহিরাগতরা এসে এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে।নির্বাচনী ময়দানে দাঁড়িয়ে মমতা অভিযোগ করেন যে, বিজেপির নির্দেশে কাজ করছেন বেশ কিছু পর্যবেক্ষক। তৃণমূলের পতাকা খুলে ফেলা এবং কাউন্সিলরদের বের হতে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগ তুলে তিনি প্রশ্ন করেন, “এভাবে কি গণতান্ত্রিক ভোট হতে পারে?” সকাল থেকেই চক্রবেড়িয়া-সহ একাধিক বুথে গিয়ে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন তিনি। মঙ্গলবার রাতভর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জেগে পরিস্থিতি সামলেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। রেওয়াজ ভেঙে মমতার এই বুথ-যুদ্ধে নামা ভবানীপুরের লড়াইকে যে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার