কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ এবং রাজ্যে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ফের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর স্ক্যানারে প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু। সোমবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন বিধাননগরের এই দাপুটে তৃণমূল নেতা। তবে, এবারের হাজিরায় নজর কেড়েছে তাঁর সঙ্গে থাকা আইনজীবীর উপস্থিতি।
পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এর আগেও সুজিত বসুকে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গত ১ মে তিনি হাজিরা দিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু ৪ মে ভোটের ফল ঘোষণা এবং রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর এই প্রথম ইডি দফতরে পা রাখলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ সুজিত। আর, সেই কারণেই আইনি রক্ষাকবচ হিসাবে আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর এই হাজিরা।
ইডির দাবি, পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়মের তদন্তে সুজিত বসুর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এর আগে সুজিতের বাড়ি, অফিস - এমনকী তাঁদের পারিবারিক ধাবাতেও ম্যারাথন তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। শুধুমাত্র সুজিত নন, তাঁর ছেলে সমুদ্র বসু এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যকেও দফায় দফায় জেরা করেছেন তদন্তকারীরা।
বারবার তলবের মুখে পড়ে সুজিত বসু বরাবরই দাবি করে এসেছেন, তিনি তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করছেন। তাঁর প্রধান যুক্তি হল, এই মামলায় সিবিআই ইতিমধ্যেই র্জশিট পেশ করেছে। সিবিআই-এর সেই চার্জশিটে কোথাও তাঁর নাম উল্লেখ নেই।
যদিও ইডি সূত্রে খবর, নিয়োগ দুর্নীতির আর্থিক লেনদেনের শিকড় খুঁজতে তাঁকে আরও বিশদ জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। ভোটের আগে ব্যস্ততার অজুহাতে হাজিরা এড়িয়েছিলেন তিনি। তবে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শেষমেশ সোমবার ইডি কর্তাদের মুখোমুখি হতে হল তাঁকে।
এখন দেখার, আইনজীবী নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকা সুজিত বসুর জন্য আজকের এই জেরা কতটা স্বস্তির নাকি অস্বস্তির হয়!

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন