কলকাতা: রাজ্য রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পালাবদল! নন্দীগ্রামের মায়া কাটিয়ে শেষমেশ ভবানীপুরকেই বেছে নিলেন পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ বিধানসভায় প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়ের কাছে ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবেই শপথবাক্য পাঠ করলেন তিনি। গত নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পবিত্র কর এবং ভবানীপুরে খোদ পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে জোড়া জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন শুভেন্দু।
তবে জোড়া আসনে জিতলেও নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছাড়তেই হতো তাঁকে। নন্দীগ্রামের বিজয় সমাবেশে শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই স্থির করবে তাঁর গন্তব্য। শেষমেশ খোদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গড়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সিদ্ধান্তেই সিলমোহর পড়ল তাঁর।
এদিন বিধানসভায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ছিল সাজ সাজ রব। শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দুই কেন্দ্রে জয়ী হওয়া আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীরকেও একটি আসন ছাড়তে হচ্ছে; রেজিনগর ও নওদা—দুই কেন্দ্রেই জয়ী হয়েছিলেন তিনি। আজ ও আগামীকাল মিলিয়ে মোট ২৯০ জন বিধায়ক শপথ নেবেন। প্রথম দিনে উত্তরবঙ্গের ৯টি জেলাসহ নদিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিধায়কদের শপথ পর্ব চলছে।
তবে সব ছাপিয়ে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে শুভেন্দুর ‘ভবানীপুর’ যাত্রা। ২০২১-এ যে নন্দীগ্রাম থেকে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন, ২০২৬-এ এসে সেই কেন্দ্র ছেড়ে খোদ কলকাতার হাই-প্রোফাইল কেন্দ্র ভবানীপুরকেই নিজের কাজের ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন