কলকাতা: বারবার এড়িয়েও শেষ রক্ষা হল না। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর কড়া চাপের মুখে পড়ে অবশেষে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (DCP) তথা কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার সকালেই তিনি ইডি দফতরে পৌঁছন।
তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, গোলপার্কের কুখ্যাত ব্যবসায়ী সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল ও তোলাবাজির একগুচ্ছ অভিযোগের তদন্তে নেমে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের নাম প্রথম উঠে আসে। এরপর বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার আর্থিক তছরুপের মামলায় গ্রেফতার হতেই তদন্তের মোড় ঘুরে যায়। জয় কামদারের বয়ান ও উদ্ধার হওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শান্তনুর বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র পায় ইডি।
শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। এমনকী, গত ২৮ এপ্রিল ডাকা হলেও তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে যাননি। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ইডি তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট সার্কুলার জারি করে। দেশের সমস্ত বিমানবন্দর এবং বিএসএফ আউটপোস্টে তাঁর ছবি ও তথ্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল যাতে তিনি কোনওভাবেই দেশ ছাড়তে না পারেন।
গত বুধবারই তাঁর বর্তমান অবস্থান ও তথ্য জানতে চেয়ে ডিরেক্টরেট অফ সিকিউরিটিকে (নিরাপত্তা অধিকর্তা) কড়া চিঠি পাঠায় ইডি। এই সাঁড়াশি চাপের মুখেই কার্যত নতিস্বীকার করে বৃহস্পতিবার হাজিরা দিলেন এই পুলিশকর্তা।
সূত্রের খবর, সোনা পাপ্পু এবং জয় কামদারের বেআইনি কারবারে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদত ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। এছাড়াও, তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তির উৎস এবং কোনও প্রভাবশালী যোগসূত্র আছে কিনা, তা নিয়েও ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন