কলকাতা: রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর এবার বর্তমান শাসকদলের অন্দরে ‘শুদ্ধিকরণ’ ও শৃঙ্খলা ফেরাতে বেনজির কড়া পদক্ষেপ করল বিজেপি। শুক্রবার সল্টলেকের একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত বিশেষ সাংগঠনিক বৈঠকে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা জারি করলেন কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনসল এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, আপাতত আগামী তিনমাস বঙ্গ বিজেপিতে কোনও নতুন যোগদান করানো যাবে না।
নির্বাচনী সাফল্যের পর দলে ভিড় বাড়লেও, বিশৃঙ্খলা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন সুনীল বনসল। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দলের ভিতরে বা বাইরে যাঁরা অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। যেকোনও স্তরের নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেই তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনে সরাসরি বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের গতিবিধির উপর নজরদারি চালাতে প্রতিটি জেলায় তৈরি হচ্ছে একটি করে বিশেষ কমিটি।
দলের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ রাখতে বিশেষ করে টোটো ও অটো ইউনিয়ন নিয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিজেপির নাম ভাঙিয়ে কোনওরকম তোলাবাজি বা ইউনিয়নবাজি করা চলবে না। সাধারণ মানুষের হেনস্থা রুখতে এবং পরিবহণ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে জেলা নেতৃত্বকে কড়া বার্তা দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন দল থেকে নেতা-কর্মীদের যোগদানের হিড়িক পড়েছিল। এর ফলে দলের আদি ও নব্য কর্মীদের মধ্যে সংঘাত তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছিল। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতেই এই ‘কুলিং অফ পিরিয়ড’ বা তিনমাসের স্থিতাবস্থা। এছাড়া, তোলাবাজির পুরনো তকমা যাতে নতুন সরকারের উপর না লাগে, সেই বিষয়ে শুরু থেকেই সতর্ক থাকতে চাইছে গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব।
বিষয় : BengalPolitics BJPBengal nojoining

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন