Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বালুর গ্রেফতারি থেকে সন্দেশখালি, উত্তর ২৪ পরগনায় এক রাতে ইডির ‘প্রিয়’ নেতার ঘনিষ্ঠ-সহ ধৃত দুই হেভিওয়েট!

বালুর গ্রেফতারি থেকে সন্দেশখালি, উত্তর ২৪ পরগনায় এক রাতে ইডির ‘প্রিয়’ নেতার ঘনিষ্ঠ-সহ ধৃত দুই হেভিওয়েট!
গ্রেফতার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ নেতা তারক দে। ছবি-সংগৃহীত

হাবড়া: ভোটের উত্তাপের মাঝেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় তৃণমূলের অন্দরে ফের একবার বড়সড় ধাক্কা। সোমবার রাতে জেলা জুড়েই চলল পুলিশের মেগা চিরুনি তল্লাশি। যার জেরে হাবড়া এবং সন্দেশখালি থেকে গ্রেফতার করা হল দুই প্রভাবশালী হেভিওয়েট নেতাকে। এদের মধ্যে হাবড়া থানার পুলিশের হাতে বারাসত থেকে গ্রেফতার হয়েছেন খোদ রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা তারক দে।


 ধৃত তারকের বিরুদ্ধে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ চালানো এবং সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, সন্দেশখালিতেও থাবা বসিয়েছে পুলিশ। সোমবার রাতেই সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লক থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের দাপুটে নেতা শ্রীদাম হাউলিকে। তাঁর বিরুদ্ধে দাঙ্গা বাধানো, প্রকাশ্য দিবালোকে মারধর, খুনের চেষ্টা, নারী নির্যাতন এবং সরকারি আধিকারিকদের কাজে বাধা দেওয়ার মতো একাধিক জামিন অযোগ্য ধারা যুক্ত করেছে পুলিশ।  ভোটের পরে এক রাতে জেলার দুই বড় মাথার এই পতনে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।


তবে তারক দের এই গ্রেফতারি যেন তাঁর রাজনৈতিক 'মেন্টর' তথা প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। উল্লেখ্য, কোটি কোটি টাকার রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৎকালীন খাদ্য ও বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে কৃষকদের টাকা আত্মসাৎ করা, মিল মালিকদের সঙ্গে যোগসাজশ করে রেশন খোলা বাজারে পাচার করা এবং সেই দুর্নীতির কালো টাকা বিদেশে খাটানোর মতো মারাত্মক সব অভিযোগ এনেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।


 দীর্ঘ সময় জেল খাটলেও দল কিন্তু 'বালু'র ওপর থেকে আস্থা হারায়নি। সম্প্রতি জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে বাইরে আসতেই ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে দল তাঁকে ফের একবার নির্বাচনী লড়াইয়ের টিকিট দেয়। ভোট মিটলেও জ্যোতিপ্রিয়র সেই অতীত দুর্নীতির কালো ছায়া যে জেলায় এখনও কাটেনি, তাঁরই ঘনিষ্ঠ তারকের এই গ্রেফতারি তা আরও একবার প্রমাণ করে দিল। মন্ত্রী জেলে গিয়ে টিকিট পেলেও, তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই অনুগামী এখন আইনের হাত থেকে রেহাই পান কিনা, সেটাই দেখার।

বিষয় : SANDESHKHALI rationscam tmcleaderarrested JyotipriyaMallick

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


বালুর গ্রেফতারি থেকে সন্দেশখালি, উত্তর ২৪ পরগনায় এক রাতে ইডির ‘প্রিয়’ নেতার ঘনিষ্ঠ-সহ ধৃত দুই হেভিওয়েট!

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image
হাবড়া: ভোটের উত্তাপের মাঝেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় তৃণমূলের অন্দরে ফের একবার বড়সড় ধাক্কা। সোমবার রাতে জেলা জুড়েই চলল পুলিশের মেগা চিরুনি তল্লাশি। যার জেরে হাবড়া এবং সন্দেশখালি থেকে গ্রেফতার করা হল দুই প্রভাবশালী হেভিওয়েট নেতাকে। এদের মধ্যে হাবড়া থানার পুলিশের হাতে বারাসত থেকে গ্রেফতার হয়েছেন খোদ রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা তারক দে। ধৃত তারকের বিরুদ্ধে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ চালানো এবং সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, সন্দেশখালিতেও থাবা বসিয়েছে পুলিশ। সোমবার রাতেই সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লক থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের দাপুটে নেতা শ্রীদাম হাউলিকে। তাঁর বিরুদ্ধে দাঙ্গা বাধানো, প্রকাশ্য দিবালোকে মারধর, খুনের চেষ্টা, নারী নির্যাতন এবং সরকারি আধিকারিকদের কাজে বাধা দেওয়ার মতো একাধিক জামিন অযোগ্য ধারা যুক্ত করেছে পুলিশ।  ভোটের পরে এক রাতে জেলার দুই বড় মাথার এই পতনে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।তবে তারক দের এই গ্রেফতারি যেন তাঁর রাজনৈতিক 'মেন্টর' তথা প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। উল্লেখ্য, কোটি কোটি টাকার রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৎকালীন খাদ্য ও বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে কৃষকদের টাকা আত্মসাৎ করা, মিল মালিকদের সঙ্গে যোগসাজশ করে রেশন খোলা বাজারে পাচার করা এবং সেই দুর্নীতির কালো টাকা বিদেশে খাটানোর মতো মারাত্মক সব অভিযোগ এনেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দীর্ঘ সময় জেল খাটলেও দল কিন্তু 'বালু'র ওপর থেকে আস্থা হারায়নি। সম্প্রতি জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে বাইরে আসতেই ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে দল তাঁকে ফের একবার নির্বাচনী লড়াইয়ের টিকিট দেয়। ভোট মিটলেও জ্যোতিপ্রিয়র সেই অতীত দুর্নীতির কালো ছায়া যে জেলায় এখনও কাটেনি, তাঁরই ঘনিষ্ঠ তারকের এই গ্রেফতারি তা আরও একবার প্রমাণ করে দিল। মন্ত্রী জেলে গিয়ে টিকিট পেলেও, তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই অনুগামী এখন আইনের হাত থেকে রেহাই পান কিনা, সেটাই দেখার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার