Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘তোষণ নীতি’ অতীত! অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য বিএসএফ-কে ২৭ কিমি জমি দিল রাজ্য সরকার

‘তোষণ নীতি’ অতীত! অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য বিএসএফ-কে ২৭ কিমি জমি দিল রাজ্য সরকার
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতা: রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল ঘটতেই বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষা এবং অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে নজিরবিহীন তৎপরতা দেখাল নতুন সরকার। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে প্রথম থেকেই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর, সেই প্রতিশ্রুতি মেনেই সরকার গঠনের মাত্র দু'সপ্তাহের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে জমি হস্তান্তরের মেগা প্রক্রিয়া শুরু করে দিল রাজ্য। আজ, বুধবার সীমান্ত এলাকা সুরক্ষিত করতে এবং কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফ-এর হাতে ২৭ কিলোমিটার জমি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হল।


এদিন নবান্নে বিএসএফ আধিকারিকদের পাশে বসিয়ে এক হাই-প্রোফাইল সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে আগের তৃণমূল সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষিত করার জন্য বিএসএফ অনেক আগেই রাজ্যের কাছে জমি চেয়ে আবেদন করেছিল। কিন্তু, শুধুমাত্র ‘তোষণের রাজনীতি’ ও ভোটব্যাঙ্ক বাঁচানোর তাগিদে তৎকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেই জমি আটকে রেখেছিল।


শুভেন্দু অধিকারী পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, "ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট সীমান্ত ৪ হাজার কিলোমিটার। যার মধ্যে ২,২০০ কিলোমিটারই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এই ২,২০০ কিলোমিটারের মধ্যে ১,৬০০ কিলোমিটারে কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে। বাকি ৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত এখনও সম্পূর্ণ অরক্ষিত ও কাঁটাতারহীন।"


মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগের সরকার সদিচ্ছা দেখালেই এই ৬০০ কিলোমিটারের মধ্যে অন্তত ৫৫৫ কিলোমিটার জমি অনায়াসে বিএসএফ-এর হাতে তুলে দিতে পারত। কিন্তু, তুষ্টিকরণের রাজনীতির কারণে তা করা হয়নি। যার খেসারত দিতে হয়েছে রাজ্যের সীমান্ত এলাকার সুরক্ষাব্যবস্থাকে।

এদিন ২৭ কিলোমিটার অরক্ষিত সীমান্ত এলাকাকে নিশ্ছিদ্র করতে প্রয়োজনীয় জমি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এটা তো সবেমাত্র শুরু। সীমান্ত পুরোপুরি সিল না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া থামবে না। শুভেন্দু জানান, "আমাদের দক্ষ সরকারি আধিকারিকরা আগামী কিছু দিনের মধ্যেই বাকি সমস্ত জমি চিহ্নিতকরণের কাজ সম্পূর্ণ করবেন এবং সীমান্ত সুরক্ষার স্বার্থে বিএসএফ-কে সবরকম আইনি ও প্রশাসনিক সাহায্য করবে এই সরকার।"


রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর যেভাবে মাত্র ১৫ দিনের মাথায় সীমান্ত সিল করার এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করা হল, তা সীমান্তপারের অপরাধ, চোরাচালান এবং অনুপ্রবেশ রুখতে এক মস্ত বড় মাস্টারস্ট্রোক বলেই মনে করছে প্রতিরক্ষা ও রাজনৈতিক মহল।

বিষয় : suvendu adhikari BorderSecurity ZEROTOLERANCE BANGLADESHBORDER BSFINDIA

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


‘তোষণ নীতি’ অতীত! অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য বিএসএফ-কে ২৭ কিমি জমি দিল রাজ্য সরকার

প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল ঘটতেই বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষা এবং অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে নজিরবিহীন তৎপরতা দেখাল নতুন সরকার। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে প্রথম থেকেই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর, সেই প্রতিশ্রুতি মেনেই সরকার গঠনের মাত্র দু'সপ্তাহের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে জমি হস্তান্তরের মেগা প্রক্রিয়া শুরু করে দিল রাজ্য। আজ, বুধবার সীমান্ত এলাকা সুরক্ষিত করতে এবং কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফ-এর হাতে ২৭ কিলোমিটার জমি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হল।এদিন নবান্নে বিএসএফ আধিকারিকদের পাশে বসিয়ে এক হাই-প্রোফাইল সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে আগের তৃণমূল সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষিত করার জন্য বিএসএফ অনেক আগেই রাজ্যের কাছে জমি চেয়ে আবেদন করেছিল। কিন্তু, শুধুমাত্র ‘তোষণের রাজনীতি’ ও ভোটব্যাঙ্ক বাঁচানোর তাগিদে তৎকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেই জমি আটকে রেখেছিল।শুভেন্দু অধিকারী পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, "ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট সীমান্ত ৪ হাজার কিলোমিটার। যার মধ্যে ২,২০০ কিলোমিটারই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এই ২,২০০ কিলোমিটারের মধ্যে ১,৬০০ কিলোমিটারে কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে। বাকি ৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত এখনও সম্পূর্ণ অরক্ষিত ও কাঁটাতারহীন।"মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগের সরকার সদিচ্ছা দেখালেই এই ৬০০ কিলোমিটারের মধ্যে অন্তত ৫৫৫ কিলোমিটার জমি অনায়াসে বিএসএফ-এর হাতে তুলে দিতে পারত। কিন্তু, তুষ্টিকরণের রাজনীতির কারণে তা করা হয়নি। যার খেসারত দিতে হয়েছে রাজ্যের সীমান্ত এলাকার সুরক্ষাব্যবস্থাকে।এদিন ২৭ কিলোমিটার অরক্ষিত সীমান্ত এলাকাকে নিশ্ছিদ্র করতে প্রয়োজনীয় জমি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এটা তো সবেমাত্র শুরু। সীমান্ত পুরোপুরি সিল না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া থামবে না। শুভেন্দু জানান, "আমাদের দক্ষ সরকারি আধিকারিকরা আগামী কিছু দিনের মধ্যেই বাকি সমস্ত জমি চিহ্নিতকরণের কাজ সম্পূর্ণ করবেন এবং সীমান্ত সুরক্ষার স্বার্থে বিএসএফ-কে সবরকম আইনি ও প্রশাসনিক সাহায্য করবে এই সরকার।"রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর যেভাবে মাত্র ১৫ দিনের মাথায় সীমান্ত সিল করার এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করা হল, তা সীমান্তপারের অপরাধ, চোরাচালান এবং অনুপ্রবেশ রুখতে এক মস্ত বড় মাস্টারস্ট্রোক বলেই মনে করছে প্রতিরক্ষা ও রাজনৈতিক মহল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার