Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

এবার মা ক্যান্টিনে মিলবে মাছ-ভাত, দাম শুনলে চমকে উঠবেন!

এবার মা ক্যান্টিনে মিলবে মাছ-ভাত, দাম শুনলে চমকে উঠবেন!
AI GENERATED IMAGE

কল্যাণী: বঙ্গে নতুন সরকার গঠন হতেই রাজ্যবাসীর জন্য একের পর এক ধামাকা ঘোষণা করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার রাজ্যের গরিব ও দুঃস্থ মানুষদের পাত পেড়ে খাওয়াতে এক অভাবনীয় ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল নতুন বিজেপি সরকার। 


মঙ্গলবার কল্যাণীর হাই-ভোল্টেজ প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, এবার থেকে মা ক্যান্টিনে সপ্তাহে দু’দিন মিলবে রাজকীয় ‘মাছ-ভাত’। সবচেয়ে বড় চমক হলো, খাবারের মেনুতে এই বিপুল রদবদল ঘটলেও ভাতের থালির দাম কিন্তু এক পয়সাও বাড়ানো হচ্ছে না। পূর্বতন সরকারের আমলের মতোই মাত্র ৫ টাকার বিনিময়েই সাধারণ মানুষ এবার তৃপ্তি করে মাছ-ভাত খেতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মাস্টারস্ট্রোক ঘোষণার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতি ও আমজনতার মধ্যে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে।


উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের মরসুমে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জোরকদমে প্রচার চালানো হয়েছিল যে বিজেপি আসলে মাছ-মাংস বিরোধী এবং তারা ক্ষমতায় এলে রাজ্যের মানুষ আর আমিষ খেতে পারবেন না। কিন্তু সরকার গঠনের পর থেকেই বিভিন্ন বিজয়ী সভা ও দলীয় কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষ থেকে কর্মীদের যেভাবে মাছ-ভাত খাওয়ানোর উৎসব চলেছে, তাতে সেই দাবি আগেই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছিল। আর এবার খোদ সরকারি প্রকল্পেই আমজনতার প্রিয় মাছ-ভাত অন্তর্ভুক্ত করে বিরোধীদের সেই কুৎসা ও অপপ্রচারের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, “বিগত সরকারের আমলের চালু থাকা ৩৬৭টি মা ক্যান্টিনের সবকটিই নতুন সরকারের অধীনে সচল থাকবে এবং কোনো ক্যান্টিন বন্ধ করা হবে না। সপ্তাহে ২ দিন করে আমরা গরিব মানুষকে মাছ খাওয়াব, তাও মাত্র ৫ টাকাতেই।”


২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের আর্থিক অনগ্রসর ও শ্রমজীবী মানুষদের সস্তায় দুপুরের আহার জোগাতে ‘মা ক্যান্টিন’ প্রকল্পটি চালু করেছিল তৎকালীন তৃণমূল সরকার। এতদিন এই প্রকল্পের আওতায় ৫ টাকার বিনিময়ে মিলত ভাত, ডাল, সবজি এবং একটি করে ডিম। তবে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন হতেই কিছুদিন আগে বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ দাবি করেছিলেন যে, নতুন সরকারের আমলে মা ক্যান্টিনের খাবারের মান আরও উন্নত করা হবে এবং গরিব মানুষদের মাছ-ভাত খাওয়ানো হবে। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই অফিশিয়াল ঘোষণার মাধ্যমে দিলীপ ঘোষের সেই দাবিতেই চূড়ান্ত সিলমোহর পড়ল।


রাজ্যে ঐতিহাসিক পালাবদলের পর থেকেই সাধারণ মানুষের মনে একটা প্রচ্ছন্ন ভয় ছিল যে হয়তো পূর্বতন সরকারের চালু করা সামাজিক প্রকল্পগুলি এবার একে একে বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, রাজ্যের কোনো জনকল্যাণমুখী প্রকল্প বন্ধ করা তো দূরস্ত, বরং সেগুলির আধুনিকীকরণ করা হবে। প্রশাসনিক রদবদলের কারণে সামান্য কিছু সময়ের জন্য কয়েকটি প্রকল্পের পরিষেবা স্থগিত থাকলেও, এবার নতুন উদ্যমে সবকটিই চালু হচ্ছে। মা ক্যান্টিনের এই আধুনিকীকরণ ও মাছ-ভাতের সংযোজন প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, রাজনৈতিক বৈরিতা ভুলে রাজ্যের প্রান্তিক মানুষদের মুখে পুষ্টিকর আহার তুলে দিতে বর্তমান প্রশাসন কতটা আন্তরিক।

বিষয় : BengalPolitics Dilip ghosh suvendu adhikari MACANTEEN fishricescheme

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


এবার মা ক্যান্টিনে মিলবে মাছ-ভাত, দাম শুনলে চমকে উঠবেন!

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬

featured Image
কল্যাণী: বঙ্গে নতুন সরকার গঠন হতেই রাজ্যবাসীর জন্য একের পর এক ধামাকা ঘোষণা করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার রাজ্যের গরিব ও দুঃস্থ মানুষদের পাত পেড়ে খাওয়াতে এক অভাবনীয় ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল নতুন বিজেপি সরকার। মঙ্গলবার কল্যাণীর হাই-ভোল্টেজ প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, এবার থেকে মা ক্যান্টিনে সপ্তাহে দু’দিন মিলবে রাজকীয় ‘মাছ-ভাত’। সবচেয়ে বড় চমক হলো, খাবারের মেনুতে এই বিপুল রদবদল ঘটলেও ভাতের থালির দাম কিন্তু এক পয়সাও বাড়ানো হচ্ছে না। পূর্বতন সরকারের আমলের মতোই মাত্র ৫ টাকার বিনিময়েই সাধারণ মানুষ এবার তৃপ্তি করে মাছ-ভাত খেতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মাস্টারস্ট্রোক ঘোষণার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতি ও আমজনতার মধ্যে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের মরসুমে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জোরকদমে প্রচার চালানো হয়েছিল যে বিজেপি আসলে মাছ-মাংস বিরোধী এবং তারা ক্ষমতায় এলে রাজ্যের মানুষ আর আমিষ খেতে পারবেন না। কিন্তু সরকার গঠনের পর থেকেই বিভিন্ন বিজয়ী সভা ও দলীয় কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষ থেকে কর্মীদের যেভাবে মাছ-ভাত খাওয়ানোর উৎসব চলেছে, তাতে সেই দাবি আগেই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছিল। আর এবার খোদ সরকারি প্রকল্পেই আমজনতার প্রিয় মাছ-ভাত অন্তর্ভুক্ত করে বিরোধীদের সেই কুৎসা ও অপপ্রচারের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, “বিগত সরকারের আমলের চালু থাকা ৩৬৭টি মা ক্যান্টিনের সবকটিই নতুন সরকারের অধীনে সচল থাকবে এবং কোনো ক্যান্টিন বন্ধ করা হবে না। সপ্তাহে ২ দিন করে আমরা গরিব মানুষকে মাছ খাওয়াব, তাও মাত্র ৫ টাকাতেই।”২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের আর্থিক অনগ্রসর ও শ্রমজীবী মানুষদের সস্তায় দুপুরের আহার জোগাতে ‘মা ক্যান্টিন’ প্রকল্পটি চালু করেছিল তৎকালীন তৃণমূল সরকার। এতদিন এই প্রকল্পের আওতায় ৫ টাকার বিনিময়ে মিলত ভাত, ডাল, সবজি এবং একটি করে ডিম। তবে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন হতেই কিছুদিন আগে বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ দাবি করেছিলেন যে, নতুন সরকারের আমলে মা ক্যান্টিনের খাবারের মান আরও উন্নত করা হবে এবং গরিব মানুষদের মাছ-ভাত খাওয়ানো হবে। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই অফিশিয়াল ঘোষণার মাধ্যমে দিলীপ ঘোষের সেই দাবিতেই চূড়ান্ত সিলমোহর পড়ল।রাজ্যে ঐতিহাসিক পালাবদলের পর থেকেই সাধারণ মানুষের মনে একটা প্রচ্ছন্ন ভয় ছিল যে হয়তো পূর্বতন সরকারের চালু করা সামাজিক প্রকল্পগুলি এবার একে একে বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, রাজ্যের কোনো জনকল্যাণমুখী প্রকল্প বন্ধ করা তো দূরস্ত, বরং সেগুলির আধুনিকীকরণ করা হবে। প্রশাসনিক রদবদলের কারণে সামান্য কিছু সময়ের জন্য কয়েকটি প্রকল্পের পরিষেবা স্থগিত থাকলেও, এবার নতুন উদ্যমে সবকটিই চালু হচ্ছে। মা ক্যান্টিনের এই আধুনিকীকরণ ও মাছ-ভাতের সংযোজন প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, রাজনৈতিক বৈরিতা ভুলে রাজ্যের প্রান্তিক মানুষদের মুখে পুষ্টিকর আহার তুলে দিতে বর্তমান প্রশাসন কতটা আন্তরিক।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার