Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Rajiv Chowk: বিক্ষোভ শুরু হতেই উত্তেজনা। বাসে ঢুকিয়ে বেধড়ক মার, রক্তাক্ত ছাত্ররা, সোচ্চার সিপিএম সাংসদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
Rajiv Chowk:  বিক্ষোভ শুরু হতেই উত্তেজনা। বাসে ঢুকিয়ে বেধড়ক মার, রক্তাক্ত ছাত্ররা, সোচ্চার সিপিএম সাংসদ
ফাইল চিত্র

নয়াদিল্লি: শনিবারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দিল্লির প্রাণকেন্দ্র কনট প্লেসে নতুন করে দানা বাঁধছিল বিক্ষোভের সলতে। রাজীব চক মেট্রো স্টেশন থেকে বেরিয়ে যন্তর মন্তরের দিকে ‘ফ্ল্যাশ প্রটেস্ট’-এর উদ্দেশে এগোনোর চেষ্টা করছিল আইসা (AISA) ও এসএফআই (SFI)-সহ একাধিক বামপন্থী ছাত্র সংগঠন। কিন্তু আন্দোলন শুরু হতে না হতেই একের পর এক ছাত্রকে আটকের নামে চরম পুলিশি তাণ্ডবের অভিযোগ উঠল। দিল্লি পুলিশ, উত্তরপ্রদেশ পুলিশের মহিলা ব্যাটালিয়ন এবং র‍্যাফ (RAF) পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করে আন্দোলনকারীদের রাজপথ থেকে তুলে নিতে শুরু করে।

অভিযোগ, রাজীব চক মেট্রো স্টেশনের বাইরে ছাত্র-যুবদের ওপর পুলিশি দমনপীড়ন সব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। এসএফআই-এর সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ এম সাজি এবং দিল্লি সম্পাদক সূরজ এলামন-সহ বহু নেতা-কর্মীকে জোরপূর্বক আটক ও মারধর করা হয়। সংগঠনের প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় বিস্ফোরক দাবি করা হয়েছে যে, আটক করা ছাত্রদের প্রিজন ভ্যানে তোলার পর চলন্ত বাসের ভেতরেই বেধড়ক অত্যাচার চালানো হয়। 'টর্চার অন হুইল'-এর জেরে আদর্শ সাজির কপাল ফেটে রক্ত ঝরতে দেখা যায় এবং অন্তত ১০ জন আন্দোলনকারী বাসের ভেতরেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।

পুলিশের এমন নজিরবিহীন ও বর্বর আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সিপিএমের রাজ্যসভার সাংসদ এ এ রহিম। তিনি অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় একজন নির্বাচিত সাংসদকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তায় ফেলে দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজপথের প্রিজন ভ্যানগুলোর দিকে আঙুল তুলে তিনি সেগুলিকে কুখ্যাত মার্কিন বন্দিশালা ‘গোয়ান্তানামো বে’-র সঙ্গে তুলনা করেন। উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে চরম বিতর্কিত এই মার্কিন বন্দিশালায় বন্দিদের ওপর নির্মম নির্যাতন ও আইনি অধিকার খর্ব করার গুরুতর ইতিহাস রয়েছে।

ছাত্রদের ওপর এমন অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় সরাসরি দেশের শীর্ষ আদালতের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সিপিএমের এই সাংসদ। তিনি স্পষ্ট জানান, নিরস্ত্র ছাত্র সমাজ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদের অধিকার প্রয়োগ করছিল। সুপ্রিম কোর্টই সংবিধান ও নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের একমাত্র রক্ষক। তাই দেশের প্রধান বিচারপতি এবং সাধারণ মানুষের দরবারেই এই অন্যায়ের বিচার চাওয়া হবে। আইনি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে শীর্ষ আদালতের কড়া নাড়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।


বিষয় : CPIM HiddenStoriesNews DelhiPolice BreakingNewsBangla RajivChowk GuantanamoBay ProtestInDelhi

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


Rajiv Chowk: বিক্ষোভ শুরু হতেই উত্তেজনা। বাসে ঢুকিয়ে বেধড়ক মার, রক্তাক্ত ছাত্ররা, সোচ্চার সিপিএম সাংসদ

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: শনিবারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দিল্লির প্রাণকেন্দ্র কনট প্লেসে নতুন করে দানা বাঁধছিল বিক্ষোভের সলতে। রাজীব চক মেট্রো স্টেশন থেকে বেরিয়ে যন্তর মন্তরের দিকে ‘ফ্ল্যাশ প্রটেস্ট’-এর উদ্দেশে এগোনোর চেষ্টা করছিল আইসা (AISA) ও এসএফআই (SFI)-সহ একাধিক বামপন্থী ছাত্র সংগঠন। কিন্তু আন্দোলন শুরু হতে না হতেই একের পর এক ছাত্রকে আটকের নামে চরম পুলিশি তাণ্ডবের অভিযোগ উঠল। দিল্লি পুলিশ, উত্তরপ্রদেশ পুলিশের মহিলা ব্যাটালিয়ন এবং র‍্যাফ (RAF) পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করে আন্দোলনকারীদের রাজপথ থেকে তুলে নিতে শুরু করে।অভিযোগ, রাজীব চক মেট্রো স্টেশনের বাইরে ছাত্র-যুবদের ওপর পুলিশি দমনপীড়ন সব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। এসএফআই-এর সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ এম সাজি এবং দিল্লি সম্পাদক সূরজ এলামন-সহ বহু নেতা-কর্মীকে জোরপূর্বক আটক ও মারধর করা হয়। সংগঠনের প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় বিস্ফোরক দাবি করা হয়েছে যে, আটক করা ছাত্রদের প্রিজন ভ্যানে তোলার পর চলন্ত বাসের ভেতরেই বেধড়ক অত্যাচার চালানো হয়। 'টর্চার অন হুইল'-এর জেরে আদর্শ সাজির কপাল ফেটে রক্ত ঝরতে দেখা যায় এবং অন্তত ১০ জন আন্দোলনকারী বাসের ভেতরেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।পুলিশের এমন নজিরবিহীন ও বর্বর আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সিপিএমের রাজ্যসভার সাংসদ এ এ রহিম। তিনি অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় একজন নির্বাচিত সাংসদকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তায় ফেলে দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজপথের প্রিজন ভ্যানগুলোর দিকে আঙুল তুলে তিনি সেগুলিকে কুখ্যাত মার্কিন বন্দিশালা ‘গোয়ান্তানামো বে’-র সঙ্গে তুলনা করেন। উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে চরম বিতর্কিত এই মার্কিন বন্দিশালায় বন্দিদের ওপর নির্মম নির্যাতন ও আইনি অধিকার খর্ব করার গুরুতর ইতিহাস রয়েছে।ছাত্রদের ওপর এমন অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় সরাসরি দেশের শীর্ষ আদালতের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সিপিএমের এই সাংসদ। তিনি স্পষ্ট জানান, নিরস্ত্র ছাত্র সমাজ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদের অধিকার প্রয়োগ করছিল। সুপ্রিম কোর্টই সংবিধান ও নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের একমাত্র রক্ষক। তাই দেশের প্রধান বিচারপতি এবং সাধারণ মানুষের দরবারেই এই অন্যায়ের বিচার চাওয়া হবে। আইনি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে শীর্ষ আদালতের কড়া নাড়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত