Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

দু দলের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র সালারের কান্দরা! আহত অন্তত ২০

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দু দলের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র সালারের কান্দরা! আহত অন্তত ২০
সালারে দু দলের সংঘর্ষের পর পুলিশি পাহাড়া। নিজস্ব ছবি

সালার: ঐতিহ্যবাহী নন্দ উৎসবের আনন্দে এক নিমেষে জল ঢেলে দিল দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। শনিবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদের সালার থানার অন্তর্গত কান্দরা গ্রামের ঘোষপাড়া এলাকায় উৎসব চলাকালীন বেধে যায় ধুন্ধুমার কাণ্ড। সাধারণ বচসা থেকে শুরু হওয়া এই গন্ডগোল নিমেষের মধ্যে রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। ইটের বৃষ্টি, লাঠি ও ধারালো অস্ত্রের কোপে দুই পক্ষের অন্তত ১৮ থেকে ২০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র কান্দরা গ্রামে তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় ঘোষপাড়া এলাকায় নন্দ উৎসবের শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ, সেই সময় দুটি পৃথক দল একই জায়গায় মুখোমুখি হলে একটি পুরোনো বিতর্ককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে উত্তাপ চড়ে এবং দুই পক্ষই একে অপরের ওপর চড়াও হয়। শুরু হয় বেধড়ক মারধর ও হাতাহাতি। উৎসবের ভিড়ের মধ্যেই ইটের টুকরো ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করে পালাতে শুরু করেন।

ঘটনার খবর পেয়েই তড়িঘড়ি বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান সালার থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি এবং ভরতপুরের এসডিপিও। পুলিশ বাহিনী দ্রুত এলাকায় পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে আহতদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে সালার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাঁদের কান্দি মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন।

ঘটনার পর এলাকা পরিদর্শনে যান স্থানীয় বিজেপি নেত্রী অনামিকা ঘোষ। আহতদের স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার পর তিনি জানান, এই ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন এবং নিরপেক্ষ তদন্তে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের কাউকেই রেহাই দেওয়া যাবে না।

বর্তমানে থমথমে কান্দরা গ্রামে নতুন করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। ঠিক কী কারণে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হলো এবং এর পেছনে রাজনৈতিক না ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সালার থানার পুলিশ।

হিডেন স্টোরিজ নিউজ 

বিষয় : HiddenStoriesNews #MurshidabadNews #SalarClash #KandraNews #WestBengalNews #NandaUtsav #BengalCrime #KandiHospital #MurshidabadPolice #BreakingNewsBengal #BengalNews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দু দলের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র সালারের কান্দরা! আহত অন্তত ২০

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
সালার: ঐতিহ্যবাহী নন্দ উৎসবের আনন্দে এক নিমেষে জল ঢেলে দিল দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। শনিবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদের সালার থানার অন্তর্গত কান্দরা গ্রামের ঘোষপাড়া এলাকায় উৎসব চলাকালীন বেধে যায় ধুন্ধুমার কাণ্ড। সাধারণ বচসা থেকে শুরু হওয়া এই গন্ডগোল নিমেষের মধ্যে রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। ইটের বৃষ্টি, লাঠি ও ধারালো অস্ত্রের কোপে দুই পক্ষের অন্তত ১৮ থেকে ২০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র কান্দরা গ্রামে তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় ঘোষপাড়া এলাকায় নন্দ উৎসবের শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ, সেই সময় দুটি পৃথক দল একই জায়গায় মুখোমুখি হলে একটি পুরোনো বিতর্ককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে উত্তাপ চড়ে এবং দুই পক্ষই একে অপরের ওপর চড়াও হয়। শুরু হয় বেধড়ক মারধর ও হাতাহাতি। উৎসবের ভিড়ের মধ্যেই ইটের টুকরো ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করে পালাতে শুরু করেন।ঘটনার খবর পেয়েই তড়িঘড়ি বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান সালার থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি এবং ভরতপুরের এসডিপিও। পুলিশ বাহিনী দ্রুত এলাকায় পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে আহতদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে সালার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাঁদের কান্দি মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন।ঘটনার পর এলাকা পরিদর্শনে যান স্থানীয় বিজেপি নেত্রী অনামিকা ঘোষ। আহতদের স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার পর তিনি জানান, এই ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন এবং নিরপেক্ষ তদন্তে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের কাউকেই রেহাই দেওয়া যাবে না।বর্তমানে থমথমে কান্দরা গ্রামে নতুন করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। ঠিক কী কারণে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হলো এবং এর পেছনে রাজনৈতিক না ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সালার থানার পুলিশ।হিডেন স্টোরিজ নিউজ 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত