Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

West Bengal Education: সিলেবাসে ফের ফিরছে সুকান্তর ‘আঠারো বছর বয়স’? মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে চিঠি পৌঁছতেই তোলপাড় শিক্ষা মহল!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
 West Bengal Education: সিলেবাসে ফের ফিরছে সুকান্তর ‘আঠারো বছর বয়স’? মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে চিঠি পৌঁছতেই তোলপাড় শিক্ষা মহল!
সিলেবাসে ফের ফিরছে সুকান্তর ‘আঠারো বছর বয়স’। ফাইল ছবি

কলকাতা: ‘আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়...’—তরুণ প্রজন্মের শিরায় শিরায় চেতনার রক্তস্রোত বইয়ে দেওয়া কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের এই কালজয়ী কবিতা পাঠ করেই বড় হয়েছে বাংলার একাধিক প্রজন্ম। কিন্তু বিগত ২০১৪ সালে আচমকাই পাঠ্যবই থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল কবি সুকান্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ এবং ‘রবীন্দ্রনাথের প্রতি’ কবিতা দুটি। এবার সেই হারানো কবিতা দুটিকে আবারও বিদ্যালয় পাঠ্যসূচিতে ফিরিয়ে আনার দাবি তুলে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারে কড়া নাড়ল ‘পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সঙ্ঘ’। শতবর্ষে পদার্পণ করা কবির স্মৃতি ও রচনাকে এভাবে সিলেবাসের বাইরে ফেলে রাখা যায় না বলে রাজ্য সরকারকে পাঠানো চিঠিতে জোর দাবি জানানো হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সঙ্ঘের পক্ষে শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার ও রজত বন্দ্যোপাধ্যায় যৌথভাবে স্বাক্ষর করে চিঠিটি পাঠিয়েছেন নবান্নে। চিঠিতে যুক্তি দিয়ে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, এ বছরই উদযাপিত হচ্ছে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ পূর্তি। এমন এক স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে তরুণ ছাত্রছাত্রী তথা বৃহত্তর জনমানসের পাঠ্যতালিকা থেকে কবি সুকান্তর মতো যুগান্তকারী স্রষ্টার রচনা সরিয়ে রাখা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়। কোনো যুক্তিতেই সুকান্তর কবিতা বাদ রাখা যায় না জানিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সিলেবাসে অবিলম্বে তা পুনর্বহালের আর্জি জানানো হয়েছে।


যদিও এই স্পর্শকাতর চিঠি প্রসঙ্গে নবান্ন বা রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক উত্তর মেলেনি, তবে শিক্ষানুরাগীদের আশা—সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে। অন্যদিকে রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের শিক্ষা কাঠামোয় বিরাট রদবদলের রূপরেখা স্পষ্ট করেছেন স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। মন্ত্রী জানান, পুরো সিলেবাস প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে আমূল বদলে ফেলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, ২০২৮ সাল থেকে রাজ্যজুড়ে কার্যকর হবে সম্পূর্ণ নয়া ও আধুনিক সিলেবাস।

ইতিমধ্যেই এই কাজের জন্য অধ্যাপক দেবশিস চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে নতুন সিলেবাস কমিটি। শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের যে খসড়া সিলেবাস রয়েছে তাও পুনরায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখন দেখার, বিজেপি সরকারের এই মেগা সিলেবাস সংস্কারের হাত ধরেই সুকান্তর সেই নির্ভীক ‘আঠারো বছর বয়স’ পুনরায় ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যবইয়ে জায়গা করে নিতে পারে কিনা।

বিষয় : Sukanta Bhattacharya bengal syllabus dipak barman bengal education

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


West Bengal Education: সিলেবাসে ফের ফিরছে সুকান্তর ‘আঠারো বছর বয়স’? মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে চিঠি পৌঁছতেই তোলপাড় শিক্ষা মহল!

প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ‘আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়...’—তরুণ প্রজন্মের শিরায় শিরায় চেতনার রক্তস্রোত বইয়ে দেওয়া কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের এই কালজয়ী কবিতা পাঠ করেই বড় হয়েছে বাংলার একাধিক প্রজন্ম। কিন্তু বিগত ২০১৪ সালে আচমকাই পাঠ্যবই থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল কবি সুকান্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ এবং ‘রবীন্দ্রনাথের প্রতি’ কবিতা দুটি। এবার সেই হারানো কবিতা দুটিকে আবারও বিদ্যালয় পাঠ্যসূচিতে ফিরিয়ে আনার দাবি তুলে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারে কড়া নাড়ল ‘পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সঙ্ঘ’। শতবর্ষে পদার্পণ করা কবির স্মৃতি ও রচনাকে এভাবে সিলেবাসের বাইরে ফেলে রাখা যায় না বলে রাজ্য সরকারকে পাঠানো চিঠিতে জোর দাবি জানানো হয়েছে।পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সঙ্ঘের পক্ষে শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার ও রজত বন্দ্যোপাধ্যায় যৌথভাবে স্বাক্ষর করে চিঠিটি পাঠিয়েছেন নবান্নে। চিঠিতে যুক্তি দিয়ে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, এ বছরই উদযাপিত হচ্ছে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ পূর্তি। এমন এক স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে তরুণ ছাত্রছাত্রী তথা বৃহত্তর জনমানসের পাঠ্যতালিকা থেকে কবি সুকান্তর মতো যুগান্তকারী স্রষ্টার রচনা সরিয়ে রাখা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়। কোনো যুক্তিতেই সুকান্তর কবিতা বাদ রাখা যায় না জানিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সিলেবাসে অবিলম্বে তা পুনর্বহালের আর্জি জানানো হয়েছে।যদিও এই স্পর্শকাতর চিঠি প্রসঙ্গে নবান্ন বা রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক উত্তর মেলেনি, তবে শিক্ষানুরাগীদের আশা—সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে। অন্যদিকে রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের শিক্ষা কাঠামোয় বিরাট রদবদলের রূপরেখা স্পষ্ট করেছেন স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। মন্ত্রী জানান, পুরো সিলেবাস প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে আমূল বদলে ফেলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, ২০২৮ সাল থেকে রাজ্যজুড়ে কার্যকর হবে সম্পূর্ণ নয়া ও আধুনিক সিলেবাস।ইতিমধ্যেই এই কাজের জন্য অধ্যাপক দেবশিস চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে নতুন সিলেবাস কমিটি। শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের যে খসড়া সিলেবাস রয়েছে তাও পুনরায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখন দেখার, বিজেপি সরকারের এই মেগা সিলেবাস সংস্কারের হাত ধরেই সুকান্তর সেই নির্ভীক ‘আঠারো বছর বয়স’ পুনরায় ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যবইয়ে জায়গা করে নিতে পারে কিনা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত