Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Mamata Banerjee:জোড়াফুল ফ্রিজ হতেই দিল্লিতে দরবার! প্রতীক ফিরে পেতে সুপ্রিম কোর্টে মমতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
 Mamata Banerjee:জোড়াফুল ফ্রিজ হতেই দিল্লিতে দরবার! প্রতীক ফিরে পেতে সুপ্রিম কোর্টে মমতা
ফাইল ছবি।

নয়াদিল্লি: রাজ্য রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন ও চরম ড্র্যামাটিক মোড়! দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দুই শিবিরের টানাপোড়েনের জেরে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং ঐতিহাসিক 'জোড়াফুল' প্রতীক আপাতত 'ফ্রিজ' করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের এই চাঞ্চল্যকর অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কালবিলম্ব না করে সরাসরি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দরজায় কড়া নাড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চের কাছে মামলাটি অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে দ্রুত শোনার আর্জি জানান প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল। সওয়াল শোনার পর প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, সব পক্ষকে যথাযথভাবে নোটিস পাঠানো হোক, তারা বিষয়টি দ্রুত শুনানির আন্তরিক চেষ্টা করবে।

মূলত কালীঘাট শিবির এবং ঋতব্রত শিবিরের মধ্যবর্তী দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করতেই বৃহস্পতিবার রাতে এই অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশিকা জারি করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, মূল দলের নাম 'সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস' এবং তার নির্বাচনী প্রতীক 'জোড়াফুল' আপাতত কমিশনের সিন্দুকেই বন্দি থাকবে। আসল তৃণমূল কার, দলের তহবিল এবং সংগঠনের মূল মালিকানা কোন গোষ্ঠীর হাতে যাবে— সেই বিষয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ কেউ পাবে না।

এদিকে আগামী ৬ অক্টোবর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এই উপনির্বাচনের জন্য দুই শিবিরের আলাদা নাম ও নতুন চিহ্ন বরাদ্দ করা হয়েছে। মমতা শিবিরের জন্য নাম ঠিক হয়েছে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং তাদের প্রতীক দেওয়া হয়েছে ‘ফুটবল পায়ে ফুটবলার’। অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরের দল পরিচিত হবে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নামে, যাদের প্রতীক 'খাম'।

প্রতীক ও নাম হাতছাড়া হওয়ার পর সুর চড়িয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। ঘটনাটিকে গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক 'কালো দিবস' বলে উল্লেখ করে মমতা তোপ দাগেন, রাজ্য রাজনীতিতে যা ঘটছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক, অসাংবিধানিক এবং সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে তিনি উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা ও শরদ পওয়ারের এনসিপি ভাঙনের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। নাম না করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন তিনি। এর পরেই কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, যেখানে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেও পক্ষভুক্ত করা হয়েছে।


বিষয় : BengalPolitics ElectionCommission SupremeCourt TrinamoolCongress BreakingNewsBengal JORAPHUL HiddenStoriesNews MamataBanerjee NandigramByPoll

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Mamata Banerjee:জোড়াফুল ফ্রিজ হতেই দিল্লিতে দরবার! প্রতীক ফিরে পেতে সুপ্রিম কোর্টে মমতা

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: রাজ্য রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন ও চরম ড্র্যামাটিক মোড়! দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দুই শিবিরের টানাপোড়েনের জেরে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং ঐতিহাসিক 'জোড়াফুল' প্রতীক আপাতত 'ফ্রিজ' করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের এই চাঞ্চল্যকর অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কালবিলম্ব না করে সরাসরি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দরজায় কড়া নাড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চের কাছে মামলাটি অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে দ্রুত শোনার আর্জি জানান প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল। সওয়াল শোনার পর প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, সব পক্ষকে যথাযথভাবে নোটিস পাঠানো হোক, তারা বিষয়টি দ্রুত শুনানির আন্তরিক চেষ্টা করবে।মূলত কালীঘাট শিবির এবং ঋতব্রত শিবিরের মধ্যবর্তী দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করতেই বৃহস্পতিবার রাতে এই অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশিকা জারি করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, মূল দলের নাম 'সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস' এবং তার নির্বাচনী প্রতীক 'জোড়াফুল' আপাতত কমিশনের সিন্দুকেই বন্দি থাকবে। আসল তৃণমূল কার, দলের তহবিল এবং সংগঠনের মূল মালিকানা কোন গোষ্ঠীর হাতে যাবে— সেই বিষয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ কেউ পাবে না।এদিকে আগামী ৬ অক্টোবর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এই উপনির্বাচনের জন্য দুই শিবিরের আলাদা নাম ও নতুন চিহ্ন বরাদ্দ করা হয়েছে। মমতা শিবিরের জন্য নাম ঠিক হয়েছে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং তাদের প্রতীক দেওয়া হয়েছে ‘ফুটবল পায়ে ফুটবলার’। অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরের দল পরিচিত হবে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নামে, যাদের প্রতীক 'খাম'।প্রতীক ও নাম হাতছাড়া হওয়ার পর সুর চড়িয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। ঘটনাটিকে গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক 'কালো দিবস' বলে উল্লেখ করে মমতা তোপ দাগেন, রাজ্য রাজনীতিতে যা ঘটছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক, অসাংবিধানিক এবং সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে তিনি উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা ও শরদ পওয়ারের এনসিপি ভাঙনের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। নাম না করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন তিনি। এর পরেই কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, যেখানে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেও পক্ষভুক্ত করা হয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত