Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘সঠিক সময়ে সব হবে’! তারেকের মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাই কমিশনারের বৈঠকে দিল্লি সফরের জোর জল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘সঠিক সময়ে সব হবে’! তারেকের মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাই কমিশনারের বৈঠকে দিল্লি সফরের জোর জল্পনা
তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নয়া বার্তা বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর। ফাইল চিত্র

ঢাকা: দীর্ঘ টানাপোড়েন ও কূটনৈতিক জটিলতার মেঘ কাটিয়ে কি এবার নয়াদিল্লির পথে পা বাড়াতে চলেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনারের এক তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্যে এই মুহূর্তে দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সেই বৈঠকের পরই প্রধানমন্ত্রীর বহুল চর্চিত ভারত সফর নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মেলে। সফর নিয়ে জল্পনা উসকে দিয়ে ভারতীয় হাই কমিশনার অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সুরে সাফ জানিয়ে দেন, ঠিক সময় এলেই সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হবে।

উল্লেখ্য, চলতি মাসেই নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনের আগেই তাঁর ভারতে আসার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হলেও নানা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সমীকরণের কারণে সেই সফর পিছিয়ে যায়। তবে সেই অস্বস্তি কাটিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে লাগাতার কূটনৈতিক দৌত্য চালিয়ে যাচ্ছেন দীনেশ ত্রিবেদী। পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে এই ঝটিকা সাক্ষাৎকেও সেই বৃহত্তর বোঝাপড়ার অংশ হিসেবেই দেখছেন কূটনীতিকরা। বৈঠক শেষে ভারতীয় হাই কমিশনার স্পষ্ট জানান, ভারতের দরজা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য সর্বদা উন্মুক্ত এবং সেই আমন্ত্রণের কথা তারেক রহমান ভালোভাবেই জানেন। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার সুসম্পর্ক ও সহযোগিতার ধারাবাহিকতা আগামী দিনেও অটুট থাকবে বলেই তাঁর বিশ্বাস।

শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকের ভবিষ্যৎ নিয়ে বলতে গিয়ে ভারতীয় দূত আরও উল্লেখ করেন, পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পথ কখনই থমকে যেতে পারে না। শীর্ষ সম্মেলন আজ না হলেও নিশ্চিতভাবে ভবিষ্যতে হবে, তবে শুধুমাত্র সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় বসে না থেকে দুই দেশের সাধারণ মানুষের যোগাযোগ ও অভিন্ন স্বার্থের ক্ষেত্রগুলোতে কাজ এগিয়ে নেওয়াই এখন প্রধান লক্ষ্য। অন্যদিকে, সুর মিলিয়ে বাংলাদেশের পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুও স্পষ্ট করে দেন যে রাজনৈতিক পালাবদল বা প্রশাসনিক সমীকরণের চেয়ে দুই দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থ ও পারস্পরিক নির্ভরতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে উচ্চপর্যায়ের সফর নিয়ে সাময়িক ধোঁয়াশা থাকলেও যৌথ উদ্যোগ যে কোনোভাবেই থেমে থাকবে না, তা একপ্রকার নিশ্চিত করে দিল এই বৈঠক।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : BreakingNews Diplomacy TariqueRahman INDIABANGLADESHRELATIONS HiddenStoriesNews dineshtrivedi BRICS

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‘সঠিক সময়ে সব হবে’! তারেকের মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাই কমিশনারের বৈঠকে দিল্লি সফরের জোর জল্পনা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
ঢাকা: দীর্ঘ টানাপোড়েন ও কূটনৈতিক জটিলতার মেঘ কাটিয়ে কি এবার নয়াদিল্লির পথে পা বাড়াতে চলেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনারের এক তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্যে এই মুহূর্তে দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সেই বৈঠকের পরই প্রধানমন্ত্রীর বহুল চর্চিত ভারত সফর নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মেলে। সফর নিয়ে জল্পনা উসকে দিয়ে ভারতীয় হাই কমিশনার অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সুরে সাফ জানিয়ে দেন, ঠিক সময় এলেই সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হবে।উল্লেখ্য, চলতি মাসেই নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনের আগেই তাঁর ভারতে আসার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হলেও নানা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সমীকরণের কারণে সেই সফর পিছিয়ে যায়। তবে সেই অস্বস্তি কাটিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে লাগাতার কূটনৈতিক দৌত্য চালিয়ে যাচ্ছেন দীনেশ ত্রিবেদী। পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে এই ঝটিকা সাক্ষাৎকেও সেই বৃহত্তর বোঝাপড়ার অংশ হিসেবেই দেখছেন কূটনীতিকরা। বৈঠক শেষে ভারতীয় হাই কমিশনার স্পষ্ট জানান, ভারতের দরজা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য সর্বদা উন্মুক্ত এবং সেই আমন্ত্রণের কথা তারেক রহমান ভালোভাবেই জানেন। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার সুসম্পর্ক ও সহযোগিতার ধারাবাহিকতা আগামী দিনেও অটুট থাকবে বলেই তাঁর বিশ্বাস।শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকের ভবিষ্যৎ নিয়ে বলতে গিয়ে ভারতীয় দূত আরও উল্লেখ করেন, পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পথ কখনই থমকে যেতে পারে না। শীর্ষ সম্মেলন আজ না হলেও নিশ্চিতভাবে ভবিষ্যতে হবে, তবে শুধুমাত্র সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় বসে না থেকে দুই দেশের সাধারণ মানুষের যোগাযোগ ও অভিন্ন স্বার্থের ক্ষেত্রগুলোতে কাজ এগিয়ে নেওয়াই এখন প্রধান লক্ষ্য। অন্যদিকে, সুর মিলিয়ে বাংলাদেশের পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুও স্পষ্ট করে দেন যে রাজনৈতিক পালাবদল বা প্রশাসনিক সমীকরণের চেয়ে দুই দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থ ও পারস্পরিক নির্ভরতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে উচ্চপর্যায়ের সফর নিয়ে সাময়িক ধোঁয়াশা থাকলেও যৌথ উদ্যোগ যে কোনোভাবেই থেমে থাকবে না, তা একপ্রকার নিশ্চিত করে দিল এই বৈঠক।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত