Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘন করেও কেন কড়াকড়ি? শীর্ষ আদালতে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইল কেন্দ্র, সাফাই পেশ স্বরাষ্ট্রসচিবের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘন করেও কেন কড়াকড়ি? শীর্ষ আদালতে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইল কেন্দ্র, সাফাই পেশ স্বরাষ্ট্রসচিবের
সুপ্রিম কোর্ট

নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লিতে জারি করা নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও কড়াকড়ি নিয়ে এবার শীর্ষ আদালতে বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। আদালতের আগের নির্দেশ সত্ত্বেও কেন মেট্রো, ট্রেন ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল, সেই প্রশ্নের জবাবে সাফাই দিল দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্র। সেইসঙ্গে আদালতের নির্দেশ পুরোপুরি রক্ষা করতে না পারার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন।

গত ১০ অক্টোবর মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিশাল বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই আন্দোলন ঘিরে যাতে রাজধানীতে চরম বিশৃঙ্খলা না ছড়ায়, তার জন্য আগে থেকেই কঠোর পদক্ষেপ করে প্রশাসন। ৮ অক্টোবর রাত থেকেই দিল্লিগামী ট্রেন চলাচল ব্যাহত করার পাশাপাশি ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়। এমনকি রাইসিনা হিল চত্বরে ইন্টারনেট পরিষেবাও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। কিন্তু সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও চলাফেরা ব্যাহত না করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের যে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, এই পদক্ষেপে তা লঙ্ঘিত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।


এই পরিস্থিতিতে শীর্ষ আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় কেন্দ্রের তরফে দাবি করা হয়েছে, সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখার জন্যই এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। জনগণের নিরাপত্তা এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাই ছিল প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। তবে আদালতের পূর্বের নির্দেশ লঙ্ঘন করার কোনো অসৎ বা ইচ্ছাকৃত উদ্দেশ্য ছিল না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন। নিজের বক্তব্যে তিনি নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া আদালত অবমাননার নোটিস প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন।

পাশাপাশি, বিশেষ ও জরুরি পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার অনুমতি পেতে সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশিকায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের আর্জিও জানিয়েছে কেন্দ্র। তবে ভবিষ্যতে এ জাতীয় পদক্ষেপ করার ক্ষেত্রে আইন মেনেই চলা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এখন কেন্দ্রের এই ক্ষমা প্রার্থনা এবং নোটিস প্রত্যাহারের আবেদনের প্রেক্ষিতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত কী রায় দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি মহল।

বিষয় : supreme court CJP Protest Delhi Police Govind mohan

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘন করেও কেন কড়াকড়ি? শীর্ষ আদালতে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইল কেন্দ্র, সাফাই পেশ স্বরাষ্ট্রসচিবের

প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লিতে জারি করা নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও কড়াকড়ি নিয়ে এবার শীর্ষ আদালতে বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। আদালতের আগের নির্দেশ সত্ত্বেও কেন মেট্রো, ট্রেন ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল, সেই প্রশ্নের জবাবে সাফাই দিল দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্র। সেইসঙ্গে আদালতের নির্দেশ পুরোপুরি রক্ষা করতে না পারার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন।গত ১০ অক্টোবর মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিশাল বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই আন্দোলন ঘিরে যাতে রাজধানীতে চরম বিশৃঙ্খলা না ছড়ায়, তার জন্য আগে থেকেই কঠোর পদক্ষেপ করে প্রশাসন। ৮ অক্টোবর রাত থেকেই দিল্লিগামী ট্রেন চলাচল ব্যাহত করার পাশাপাশি ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়। এমনকি রাইসিনা হিল চত্বরে ইন্টারনেট পরিষেবাও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। কিন্তু সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও চলাফেরা ব্যাহত না করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের যে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, এই পদক্ষেপে তা লঙ্ঘিত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।এই পরিস্থিতিতে শীর্ষ আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় কেন্দ্রের তরফে দাবি করা হয়েছে, সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখার জন্যই এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। জনগণের নিরাপত্তা এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাই ছিল প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। তবে আদালতের পূর্বের নির্দেশ লঙ্ঘন করার কোনো অসৎ বা ইচ্ছাকৃত উদ্দেশ্য ছিল না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন। নিজের বক্তব্যে তিনি নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া আদালত অবমাননার নোটিস প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন।পাশাপাশি, বিশেষ ও জরুরি পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার অনুমতি পেতে সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশিকায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের আর্জিও জানিয়েছে কেন্দ্র। তবে ভবিষ্যতে এ জাতীয় পদক্ষেপ করার ক্ষেত্রে আইন মেনেই চলা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এখন কেন্দ্রের এই ক্ষমা প্রার্থনা এবং নোটিস প্রত্যাহারের আবেদনের প্রেক্ষিতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত কী রায় দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি মহল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত