ভিসার ‘না’-তেই প্রাণরক্ষা! কৈলাসযাত্রা বাতিল হওয়ায় নেপালের বিপর্যয় এড়ালেন বাঙালি প্রৌঢ়া
কলকাতাঃ কয়েক মাস ধরেই প্ল্যান করছিলেন কৈলাস-মানস সরোবর যাওয়ার। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মিলল ভিসা না মেলার খবর। স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল তপতী সিংহর। তখন কে জানত, সেই হতাশাই একদিন তাঁর জীবন বাঁচিয়ে দেবে! ভিসা না পাওয়ায় সফরের পরিকল্পনা বদলে ফেলেছিলেন। আর ভাগ্যের এমন পরিহাস তার কিছুদিন পরেই নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ধসের খবর সামনে আসে।[TECHTARANGA-POST:12085]৬১ বছরের তপতী পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। বাংলার মোট ৩৩ জনের একটি দলের সঙ্গে তাঁরও কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যাত্রার কয়েক দিন আগে তিনি জানতে পারেন, তাঁর চিনের ভিসা মঞ্জুর হয়নি। শেষ মুহূর্তে যাত্রা বাতিল করা ছাড়া উপায় ছিল না। হতাশ তপতী তখন সফরের পরিকল্পনা বদলে লাদাখ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো রওনাও দেন তিনি। এর মধ্যেই নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের খবর সামনে আসে। তপতী জানতে পারেন, যে দলের সঙ্গে তাঁর কৈলাস-মানস সরোবর যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তাঁদের অনেকের সঙ্গেই এখনও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ওই দলের ৩২ জনের কোনও খোঁজ মিলছে না বলেও জানা গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:12084]শুধু তাই নয়, নেপালে থাকা সংশ্লিষ্ট ট্র্যাভেল সংস্থার সহযোগী সংস্থার সঙ্গেও পর্যটকদের যোগাযোগ হয়নি বলে খবর। নিজের ভাগ্যের কথা ভেবে শিউরে ওঠেন তপতী। বৃহস্পতিবার দিল্লি হয়ে কলকাতায় ফেরেন তপতী। সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভিসা বাতিল হওয়ার পর মন খারাপ হয়েছিল। হতাশাও গ্রাস করেছিল। কিন্তু পরে বুঝেছেন, কখনও কখনও যা হয়, তাতে আপাতত কষ্ট হলেও, তা ভালোর জন্যই হয়।