চলছে সাফাই, ফিরল ইন্টারনেট! ১ মাস পর বিক্ষোভ প্রত্যাহার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র, ছন্দে যন্তর মন্তর
নয়া দিল্লি: প্রায় এক মাস ধরে চলা টানটান উত্তেজনা ও সংঘাতের শেষে অবশেষে স্বাভাবিকতার ছন্দে ফিরছে দিল্লির যন্তর মন্তর। শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। রবিবার সকাল হতেই দিল্লির বুক থেকে তুলে নেওয়া হয় সমস্ত সামরিক কড়াকড়ি, দীর্ঘ দিন পর সচল করা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাও। এর পাশাপাশি দিল্লি মেট্রোর পরিষেবাও রবিবার সকাল থেকে পুরোপুরি স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়েছে।ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পরেই আন্দোলনকারী ‘ককরোচ’দের দুই প্রতিনিধির সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। দীর্ঘ আলোচনার পর ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীদের দ্বিতীয় দাবিটি পুরোপুরি মেনে নিয়ে সরকার লিখিত প্রতিশ্রুতি দেয়। বৈঠক শেষে জেপি নাড্ডা জানান, আন্দোলন চলাকালীন দিল্লি সহ বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে রজু হওয়া সমস্ত এফআইআর প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আর কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হবে না। এছাড়া আন্দোলনকারীদের ১ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবির বিষয়েও সরকার সহানুভূতিশীল এবং আইন অনুযায়ী যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ আর্থিক সহায়তা করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।সরকারের থেকে লিখিত আশ্বাসপত্র পাওয়ার পরেই শনিবার গভীর রাতে ফাঁকা হতে শুরু করে যন্তর মন্তর। গত ২০ জুলাই ‘আরশোলা’দের সংসদ অভিযান ঘিরে এলাকা রণক্ষেত্রের রূপ নেওয়ায় রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, মান্ডি হাউস, আইটিও, নয়াদিল্লি সহ ১৮টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন নিরাপত্তার স্বার্থে বন্ধ রাখা হয়েছিল। রবিবার সকাল থেকেই সেই সমস্ত মেট্রো স্টেশনের সবকটি গেট সাধারণ যাত্রীদের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। হাজার হাজার ব্যারিকেড সরিয়ে এলাকা পরিষ্কার করার কাজে নেমে পড়েছেন সাফাই কর্মীরা, যেখানে হাত লাগাতে দেখা গেছে কংগ্রেসের সেবা দলের সদস্যদেরও। দীর্ঘ যুদ্ধ শেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে রাজধানী দিল্লি।[TECHTARANGA-POST:11266]হিডেন স্টোরিজ নিউজ