Janhvi Kapoor: 'নারীর সম্মতিই শেষ কথা', এআই-এর অশ্লীল কারসাজিতে বিস্ফোরক জাহ্নবী
প্রযুক্তি যতই উন্নত হচ্ছে, ততই চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে অপরাধ। বিনোদন জগতের তারকাদের ছবি বা ভিডিয়ো বিকৃত করে আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি এখন আর নতুন ঘটনা নয়। ডিপফেকের দৌরাত্ম্যে কার্যত বোঝা কঠিন হয়ে যায় কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যে। এবার সেই তালিকায় জাহ্নবী কাপুর। অভিনেত্রীর একটি রোম্যান্টিক গানের দৃশ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে বিকৃত করে ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর সেখান থেকেই নারী নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই বিষয় নিয়ে এবার সরব হলেন বলিউড অভিনেত্রী নিজেই।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের ছবি ‘দেবারা: পার্ট ওয়ান’-এর জনপ্রিয় গান ‘চুট্টামালে’কে ঘিরে। সেই ছবিতে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল জাহ্নবী এবং জুনিয়র এনটিআরকে। সেই ছবিরই একটি দৃশ্য প্রযুক্তির কারসাজিতে বদলে তৈরি করা হয়েছে ডিপফেক ভিডিয়ো। ঘটনাটি নজরে আসে জুনিয়র এনটিআরেরও। ইতিমধ্যেই আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অভিনেতা। এই পরিস্থিতিতেই গর্জে উঠেছেন জাহ্নবী। তাঁর কথায়, “নারীদের ভোগপণ্য হিসেবে তুলে ধরার জন্য প্রযুক্তির অপরাধমূলক ব্যবহার এবং বিনা অনুমতিতে এহেন বিষয়বস্তু ছড়িয়ে দেওয়াটা অত্যন্ত আপত্তিকর। আমাদের সিনেইন্ডাস্ট্রির প্রায় প্রতিটি নারীই কোনও না কোনওভাবে ডিপফেকের শিকার হয়েছেন। সর্বত্রই মহিলাদের এধরনের ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। নারীশরীরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া কিংবা নারীদের সম্মতি রয়েছে কিনা- এগুলো তো মানবতার অন্যতম মৌলিক বিষয় হওয়া উচিত, অথচ কেন জানি না এগুলোকে জটিল বিষয় হিসেবে দেখা হয়।” [TECHTARANGA-POST:13355]জাহ্নবী আরও বলেছেন, কোনও ব্যক্তির শরীর নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র তাঁর নিজের। একজন মহিলা কোনও বিষয়ে কয়েক দিন সম্মতি জানালেও পরের দিন যদি ‘না’ বলেন, সেই সিদ্ধান্তকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। একইভাবে কোনও মহিলা কী পোশাক পরছেন, সেটিও তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ। ছোট পোশাক পরেছেন বলেই তাঁর ব্যক্তিগত পরিসরে প্রবেশের অধিকার কারও নেই।